বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে স্রষ্টাকে ভুলে যাওয়া :: মোঃ রাশেদ খান ::

Kushtiar Diganta
By Kushtiar Diganta July 10, 2017 20:25

577,024 total views

কুষ্টিয়ার খবর

  • “আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস”এর হাকিকত kushtia Hashem Mawlana

    -অধ্যাপক মাওঃ আবুল হাশেম আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাসের তাৎপর্য ঃ আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাসকে কুরআন-হাদীসের পরিভাষায় যথাক্রমে ‘তাওয়াক্কুল আলাল্লাহ’ ও ‘ঈমান বিল্লাহ’ বলা হয়। আর এ দুটি ঈমানের মৌলিক অংশের সাথে ওৎপ্রোত ভাবে জড়িত। আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস ছাড়া ঈমান পূর্ণতা লাভ করতে পারে না। তাই আল্লাহর ওপর ঈমান আনা যেমন ফরজ তেমনি পূর্ণ আস্থা স্থাপন করাও ফরজ। এটা তাওহীদের সর্বোচ্চ স্তর ও সর্বোত্তম এবাদত। 54,979 total views, 219 views today

    54,979 total views, 219 views today

  • ২৪ আগষ্ট সদরপুর ইউনিয়নের নির্বাচন চেয়ারম্যান পদে ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল nik

    স্টাফ রিপোর্টার॥ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার সদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে ৬ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছে। গতকাল সোমবার মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ দিনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী সদরপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নিয়াত আলী লাল মাষ্টার, আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও সদরপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান রবিউল হক, বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী সদরপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মোশারফ হোসেন মুসা, বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থী ছেকের আলী, সদরপুর ইউনিয়ন জামায়াতের পূর্ব শাখার সভাপতি ডাঃ রুহুল আমিন, 54,957 total views, 219 views today

    54,957 total views, 219 views today

  • ২ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২০, আহত শতাধিক acsident

    নিজস্ব প্রতিনিধি : ২দিনে সড়ক দূর্ঘটনায় সারাদেশে ২০ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে শতাধিক ব্যক্তি। সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে এ দূর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনা ঘটে। সিলেটের দণি সুরমায় বুধবার ভোররাতে একটি বাস খাদে পড়ে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। দণি সুরমা থানার ওসি মো. মোরছালিন জানান, নূর আনন্দ পরিবহনের বাসটি ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে যাওয়ার পথে বুধবার ভোররাতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের অতিরবাড়ি এলাকায় দুর্ঘটনায় পড়ে। তিনি জানান, চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই এক কিশোরী, এক নারী ও দুই পুরুষ যাত্রী নিহত হন। আহত হন আরো অন্তত ২০ জন। 54,992 total views, 219 views today

    54,992 total views, 219 views today

  • ১৪ হাজার হেক্টর জমির ফসল হারিয়ে দিশেহারা কুষ্টিয়ার হাজারো কৃষক kushtia vagitable

    স্টাফ রিপোর্টার : কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে তছনছ কুষ্টিয়ার ৪ উপজেলার অন্তত ১৫টি ইউনিয়ন। ঝড় আর শিলাবৃষ্টি বদলে দিয়েছে এ জেলার কৃষিখাতের চিত্র। ১৪ হাজার হেক্টর জমির ফসল হারিয়ে হাজারো কৃষক এখন দিশেহারা। বাড়ি-ঘর আর ফসল হারিয়ে নিঃস্ব প্রায় ১০ হাজার কৃষক এখন মানবেতর জীবনযাপন করছেন। কৃষি অধিপ্তরের তথ্যমতে, ৮ হাজার হেক্টর জমির ধান, ভুট্টা, করল্লা, পান, শসা, তামাক, গম ও মরিচ সহ অর্থকরী ফসল একেবারেই ধ্বংস হয়ে গেছে। 54,946 total views, 219 views today

    54,946 total views, 219 views today

  • হরতালের সমর্থনে কুষ্টিয়ায় শিবিরের পিকেটিং ও মিছিল kushtia town sibi misil

    স্টাফ রিপোর্টার: ২০ দলীয় জোটের ডাকা অবরোধের পাশাপাশি আহুত ৭২ ঘন্টা হরতালের সমর্থনে কুষ্টিয়ার বড় বাজারে মিছিল ও পিকেটিং করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির কুষ্টিয়া শহরের নেতাকর্মীরা। সোমবার সকাল ৮ টায় শহরের অফিস সম্পাদক  আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে শহরের বড় বাজারে মিছিল ও পিকেটিং করে নেতাকর্মীরা। 54,932 total views, 219 views today

    54,932 total views, 219 views today

  • হরতালে চলবে ফাযিল পরীক্ষা hortal

    ইবি প্রতিনিধি ॥  জামায়াতের ডাকা ২৪ ঘণ্টার হরতালেও চলবে কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য বুধবারের ফাযিল পরীক্ষা। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা যায়, মানবতা বিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতের সেক্রেটারী জেনারেল আলী আহসান 54,921 total views, 219 views today

    54,921 total views, 219 views today

বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে স্রষ্টাকে ভুলে যাওয়া :: মোঃ রাশেদ খান ::

rashed khanদার্শনিকভাবে দেখলে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে আল্লাহকে ভুলে যাওয়া, স্রষ্টাকে ভুলে যাওয়া৷ যিনি আমাকে বানিয়েছেন তাঁকে ভুলে যাওয়া৷ আল্লাহ নিজেই বলেছেন: “ইয়া আইয়্যুহাল ইনসানু মা গার্রাকা বি রাব্বিকাল কারিম” অর্থাৎ, হে মানুষ কিসে তোমাকে তোমার মহিমান্বিত রব সম্পর্কে উদাসীন করল? (৮২:৬ )

সত্যিকার অর্থেই বেশীর ভাগ মানুষ বাস্তবে স্রষ্টাকে ভুলে গিয়েছে৷ ইউরোপ-আমেরিকায় নাস্তিকের সংখ্যা অনেক৷ রাশিয়া পূর্বে অফিসিয়ালি নাস্তিক ছিল৷ এখনও সেখানে নাস্তিকতার হার কম নয়, বরং অনেক হবে৷ অন্যদিকে যারা বিশ্বাসী বলে দাবী করে তাদের মধ্যেও অনেকে সন্দেহবাদী (ংশবঢ়ঃরপ)৷ অর্থাৎ বলবে না যে স্রষ্টা নেই, কিন্তু বাস্তবে স্রষ্টাকে স্মরণ করবে না বা তার আদেশ মেনে চলবে না৷ স্রষ্টাকে মেনে চলবে এরকম লোকের সংখ্যা খুব কম৷
খ্রিষ্টানদের মধ্যে যারা স্রষ্টাকে বিশ্বাস করে , তাদের মধ্যে স্রষ্টার কার্যকর আনুগত্য কম৷ সে তুলনায় মুসলমানদের অবস্থা ভালো৷ এখানে নাস্তিক নেই বললেই চলে এবং যারা বিশ্বাসী তারা কোন না কোন পর্যায়ে আমল করে৷ যারা নিজেদেরকে সেক্যুলার বলে দাবী করে , তাদেরও বেশীরভাগ একটা নির্দিষ্ট পর্যায় পর্যন্ত আমল করে৷ তারাও নামাজ পড়ে, ইফতার করে, সাহরী খায়, হালাল-হারাম দেখে চলে৷ তারাও কুরবানী, হজ্জ, ওমরা ও ঈদ পালন করে৷ সুতরাং মুসলমানদের মধ্যে ইসলামের অনুশীলন তুলনামূলকভাবে ভাল৷

স্রষ্টাকে ভুলে যাওয়ার ফলে দু’টি সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। একটি হলো বস্তুবাদ ও নাস্তিকতা। আরেকটি হলো গোড়া সেক্যুলারিজম – সেটিও স্রষ্টাকে প্রায় অস্বীকার করার কাছাকাছি একটি অবস্থা। বিশ্ব সংকটের মূলে কাজ করছে এ দু’টি – একদিকে বস্তুবাদ ও নাস্তিকতা এবং অন্যদিকে সেক্যুলারিজম।

স্রষ্টাকে ভুলে যাওয়ার প্রভাব শিক্ষা ব্যবস্থার উপরও পড়েছে। শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে সেক্যুলারিজমের উপর দাড়িয়ে আছে। বর্তমান বিজ্ঞান শিক্ষাতে রয়েছে সেক্যুলারিজমের গভীর ছাপ। ইউরোপের পন্ডিতরা এমনকি বর্তমানে মুসলমান বিজ্ঞানীরাও তাদের বইগুলো ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম’ দিয়ে শুরু করেন না। কিন্তু মুসলমানরা যখন বিজ্ঞানে উন্নতি করল (চীন ও ভারত থেকে গ্রহন করে), তখন তারা অনেক দিকে বিজ্ঞানের বিস্তার ঘটাল। সেসময় ঐসব মুসলমানরা তাদের বিজ্ঞানের প্রত্যেক বইগুলো ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম’ দিয়ে শুরু করতেন। তারা স্রষ্টায় বিশ্বাসী ছিলেন গভীরভাবে। কিন্তু ইউরোপীয় বিজ্ঞানিরা বিশ্বাসী না হওয়ায় (অথবা সেক্যুলার হওয়ায় কিংবা স্রষ্টায় বিশ্বাস করা তাদের কাছে একটি লজ্জার বিষয় হওয়ায়), তারা স্রষ্টার কথা উল্লেখ করেননা। আমাদের মুসলিম বিজ্ঞানীরা এটি এখন লিখতে পারেন। কিন্তু তারাও লিখছেননা। এখন না লেখা রেওয়াজ হয়ে গেছে। অথচ আগে লেখাটাই রীতি ছিল। এখন বিজ্ঞানের বইগুলোতে আল্লাহ বা গড শব্দের উল্লেখ নেই। স্রষ্টা (পৎবধঃড়ৎ) শব্দটি লেখা হয় না। এটি একটি অদ্ভুত ব্যাপার। কোথাও কোথাও প্রকৃতি (ঘধঃঁৎব) শব্দের উল্লেখ আছে। কিন্তু এই প্রকৃতি কি সেটি একেবারেই স্পষ্ট নয়। তারা একবারও ভাবেনা যে, এসব প্রাকৃতিক আইন আছে কিভাবে, আইন প্রণেতা ছাড়া কি কোন আইন হয়? তারা নাকি খুব যুক্তিবাদী, কিন্তু আমি তো কোন যুক্তি দেখছি না।

আধুনিক বিজ্ঞানের অনেক ভালো দিক আছে, অনেক অবদান আছে আমরা মানি। কিন্তু এর পেছনে কাজ করছে এমন একটি মন যেটি স্রষ্টার প্রশ্নে, আল্লাহ তায়ালার ব্যাপারে সন্দেহ-সংশয়বাদীতায় ভুগছে। স্রষ্টাকে স্পষ্ট স্বীকৃতি দিচ্ছে না। আল্লাহর নাম উল্লেখ করছে না। এটি উল্লেখ করা সভ্যতা বিরোধী মনে করছে। এটি একটি পশ্চাৎপদ ব্যাপার মনে করছে। এই যে ধারণা এটা আমাদের কালচারকে খারাপ করে ফেলছে। আমাদের কালচারে সংশয়বাদ ও নাস্তিকতার প্রভাব পড়ছে।

সমাজবিজ্ঞানেরও একই রকম অবস্থা। সমাজতত্ত্ব ধরেই নেবে যে ধর্ম একটি মানব সৃষ্ট বিষয়। অথচ তারা এভাবে দেখাতে পারত যে, স্রষ্টাই আমাদের সৃষ্টি করেছেন। আমাদের একটি সামাজিক প্রবণতা বা সামাজিক মন দিয়েছেন। স্রষ্টার সার্বিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই আমাদের মধ্যে সমাজবদ্ধ হবার মানসিকতা রয়েছে। এজন্য আমরা একতাবদ্ধ হই এবং সমাজ গঠন করি। শিক্ষা ব্যবস্থার অন্যান্য সেক্টরেরও একই অবস্থা। যেমন নৃবিজ্ঞানও স্বীকার করছেনা যে , মানুষকে আল্লাহর সৃষ্টি করেছেন। এটিকে তারা একেবারেই বাদ দিয়ে দিচ্ছে। নৃবিজ্ঞান মানব সৃষ্টির ইতিহাস বের করার চেষ্টা করছে মাটি খুড়ে বের করা হাড় এবং অন্যান্য নৃতাত্ত্বিক চিহ্ন থেকে।
চেয়ারম্যান-মডার্ণ স্ট্রাকচার্স লিমিটেড, ঢাকা।

112 total views, 2 views today

Kushtiar Diganta
By Kushtiar Diganta July 10, 2017 20:25