শিরোনাম

কুষ্টিয়ায় সাব-রেজিস্ট্রারকে কুপিয়ে হত্যা

স্টাফ রিপোর্টার: কুষ্টিয়ায় সদর উপজেলার সাব রেজিস্ট্রার নুর মোহাম্মদকে হাতা-পা বেঁধে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার রাতে কুষ্টিয়া শহরে নিজ বাসায় এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। murder kkনুর মোহাম্মদের বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলায়। গত ছয় মাস ধরে কুষ্টিয়া শহরের আড়–য়াপাড়া এলাকায় একটি পাঁচ তলা বাসায় ভাড়া ছিলেন তিনি। এই বাড়িটিতেই তাকে খুন করা হয়েছে।
বাড়িটির মালিক আল মাহমুদ সোহাগ বলেন, পঞ্চম তলায় গোঙানির আওয়াজ পেয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি দোতলা থেকে ওপরে ওঠেন। অস্বাভাবিক কিছু দেখতে না পেয়ে তিনি নেমে যান। কিন্তু সন্দেহ থেকে যাওয়ায় তিনি ফের ওপরে উঠতে গেলে ২৫-৩০ বছর বয়সী তিন জনকে সিঁড়ি দিয়ে নামতে দেখেন। এদের মধ্যে একজন বলেন, সাব রেজিস্ট্রার নুর মোহাম্মদ তাদের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন তাই তারা বাসায় এসেছিলেন।
তিনি আরও জানান, ওই ছেলেরা চলে যাওয়ার পর তিনি পঞ্চম তলায় গিয়ে দরজায় কড়া নাড়েন। এসময় ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না। খোলা দরজা দিয়ে ভেতরে ঢুকে তিনি রক্তাক্ত নুর মোহাম্মদকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত ১০টার দিকে ডাক্তাররা নুর মোহাম্মদকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাতেই জেলা পুলিশের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। কুষ্টিয়া সদর মডেল থানার ওসি নাসির উদ্দিন বলেছেন, তারা ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছেন।

177 total views, 1 views today

121,863 total views, 644 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,856 total views, 566 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .