শিরোনাম

‘পুলিশ রাজনীতি করে না, জনগণকে রক্ষা করে’- আছাদুজ্জামান মিয়াআছাদুজ্জামান মিয়া

নিউজ ডেস্ক্রঃ ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, পুলিশ রাজনীতি করে না, জনগণের জানমাল রক্ষা করে। এটা পুলিশের সাংবিধানিক দায়িত্ব।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনে আয়োজিত ডিএমপির শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ কমিশনার এ কথা বলেন।kkkkkk

পুলিশ কমিশনার বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়কে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাজনিত কোনো হুমকি নেই। তবে এই রায়কে কেন্দ্র করে সহিংসতার চেষ্টা করা হলে কঠোরভাবে তা দমন করা হবে।

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, আগামীকাল বুধবার ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়। এটা আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রমের একটা অংশ। এ রায়কে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাজনিত কোনো হুমকি ও নিরাপত্তা বিঘ্ন হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বহুল আলোচিত গ্রেনেড হামলা মামলার রায়কে কেন্দ্র করে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল সহিংসতার চেষ্টা করলে তা কঠোর হস্তে দমন করা হবে।

শঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই উল্লেখ করে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, রায়কে ঘিরে নিরাপত্তার কোনো শঙ্কা নেই। নগরবাসীর জানমালের নিরাপত্তা দিতে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে। পুলিশের সতর্ক অবস্থান ও নজরদারি রয়েছে। কোনো ধরনের অপতৎপরতা বরদাশত করা হবে না।

পুলিশ বাহিনী কোনো রাজনীতি করে না, তবে জনগণের জানমাল রক্ষার দায়িত্ব পালন করে—মন্তব্য করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আমরা কোনো পলিটিকস করি না। কিন্তু জনগণের জানমাল রক্ষা করা আমাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কেউ দেশের স্বাভাবিক নিরাপত্তা কেউ বিঘ্ন করার চেষ্টা করা হলে তাদের কঠোরভাবে দমন করে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে।’

73 total views, 1 views today

121,902 total views, 683 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,894 total views, 604 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .