শিরোনাম

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

jjjjjjjjjjনিউজ ডেস্ক্রঃ ইয়াবা (অ্যামফিটামিন) পরিবহন, কেনাবেচা, ব্যবসা, সংরক্ষণ, উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, হস্তান্তর, সরবরাহ ইত্যাদি অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন সাজা ভোগ করতে হবে। অবশ্য ইয়াবার পরিমাণ অনুযায়ী সাজা কমবেশি দেওয়া হবে।

কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই আইনের অধীন অপরাধ সংঘটনে অর্থ বিনিয়োগ, সরবরাহ, মদদ ও পৃষ্ঠপোষকতা দিলেও একই ধরনের শাস্তি পেতে হবে।

এমন বিধান রেখে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আজ সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয়ে তাঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে আইনের এই খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

দেশব্যাপী চলমান মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে ব্যাপক আলোচনার মধ্যে সরকার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কঠোর সাজা রেখে আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। গত কয়েক মাসে মাদকবিরোধী অভিযানে দুই শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে অধিকাংশই নিহত হয়েছেন পুলিশ ও র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’। এ-সংক্রান্ত বিদ্যমান আইনটি ১৯৯০ সালের।

হেরোইন ও কোকেন উদ্ভূত মাদকদ্রব্যের জন্যও ইয়াবার মতোই কঠোর শাস্তি রাখা হয়েছে প্রস্তাবিত এই আইনে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, হেরোইন, কোকেন, কোকো মাদকের পরিমাণ ২৫ গ্রামের বেশি হলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। আর ২৫ গ্রামের নিচে হলে কমপক্ষে দুই বছর ও সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদন্ডের বিধান আছে।

প্রস্তাবিত আইনানুযায়ী, মাদকাসক্ত ব্যক্তির ডোপ টেস্টে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেলে কমপক্ষে ৬ মাস ও সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদন্ড দেওয়া হবে।

এ ছাড়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন-২০১৮-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। ‘শ্রমিকবান্ধব’ করে কিছুদিন আগেই আইনটির খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছিল মন্ত্রিসভা। সেটিই এখন আইনি যাচাই-বাছাই (ভেটিং) করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যুগোপযোগী করে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড আইন-২০১৮-এর খসড়াও নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

এ ছাড়া সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ নারী ফুটবলে নেপালকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৮ নারী ফুটবল দলকে অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা।

62 total views, 3 views today

121,871 total views, 652 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,863 total views, 573 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .