শিরোনাম

শিবিরের নববর্ষের প্রকাশনার মোড়ক উম্মোচন।

শিবিরের নববর্ষের প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন।

ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত বলেছেন, দেশের তরুণ সমাজকে বিপদগামী করতে অপসংস্কৃতি বিরাট ভূমিকা রাখছে। দেশে অপসংস্কৃতির প্রসারে অশালিন প্রকাশনার বিরাট ভূমিকা রয়েছে। এ অশুভ কালো ছায়া দিন দিন আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতিকে গ্রাস করে নিচ্ছে। সুতরাং অপসংস্কৃতির সয়লাব রুখতে হলে মননশীল প্রকাশনার প্রসার ঘটাতে হবে।

তিনি শনিবার রাজধানীর একটি মিলনায়তনে ছাত্রশিবির প্রকাশিত নববর্ষ ২০১৯ এর প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক রাজিফুল হাসান বাপ্পীর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল মোবারক হোসাইন। এ ছাড়াও কেন্দ্রীয় ও মহানগরী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শিবির সভাপতি বলেন, অশালীন সংস্কৃতির প্রভাবে দেশীয় ও ইসলামী মূল্যবোধের সংস্কৃতি বিলিন হতে চলেছে। ফল স্বরূপ ২ বছরের শিশু থেকে ৭০ বছরের বৃদ্ধা পর্যন্ত ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। যে ছেলেটির হওয়ার কথা শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী বা প্রশাসক সে আজ হয়ে যাচ্ছে চোরাচালানকারী, মাদক ব্যবসায়ী কিংবা সন্ত্রাসী। যার দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল সে আজ অন্যায় করে ব্যাহত করছে দেশের অগ্রযাত্রাকে। এসব কিছুর মূলে রয়েছে মূল্যবোধের অবক্ষয়। আর অবক্ষয়ের জন্য অশালীন ও নোংরা সংস্কৃতি অনেকাংশেই দায়ী। এ চিত্র একটি মুসলিমপ্রধান দেশের জন্য চরম লজ্জার বিষয়। এভাবে চলতে থাকলে অল্প সময়ের ব্যবধানে জাতি তার নিজস্ব সংস্কৃতি হারিয়ে ফেলবে। আগামী প্রজন্ম গড়ে উঠবে বিজাতীয় সংস্কৃতির মধ্যে। যার পরিণতি হবে ভয়াবহ।

তিনি বলেন, ছাত্রশিবির একটি আদর্শিক ও গতিশীল সংগঠন; কিন্তু বরাবরই ছাত্রশিবির সরকারের রোষানলের শিকার। কোন কারণ ছাড়াই আমাদের অফিসগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। নির্বিচারে সাহিত্য ও প্রকাশনা সামগ্রী বেআইনি ভাবে জব্দ করা হয়েছে। কিন্তু সরকারের শত নির্যাতন ও প্রতিকূলতার মাঝেও ছাত্রশিবির তার নিয়মতান্ত্রিক সৃজনশীল কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে। যার প্রমাণ যথাসময়ের অনেক আগেই আজকের এই নববর্ষের প্রকাশনা সামগ্রীর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান। প্রতি বছরের মত এবারও আমরা যথাসময়ের অনেক আগেই ছাত্রসমাজ ও দেশবাসীর চাহিদার আলোকে প্রকাশনা সামগ্রী তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি। ছাত্রশিবির তার সাধ্য অনুযায়ী তথ্য, মননশীলতা, দেশী ও ইসলামী মূলবোধকে তুলে ধরে প্রতিবছরই আকর্ষণীয় প্রকাশনা জাতিকে উপহার দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে। এসব প্রকাশনা সামগ্রীতে অনেক বিষয় তুলে আনা হয়, যা ছাত্রসমাজের মেধার বিকাশ ও মনন তৈরিতে কাজ করে। একই সাথে ছাত্রসমাজকে আশান্বিত ও বিজাতীয় অশ্লীল সংস্কৃতির প্রভাব থেকে রক্ষা করবে বলে আমাদের বিশ্বাস। ২০১৯ সালের এই প্রকাশনা একদিকে যেমন দেশি ও ইসলামী মূল্যবোধের সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাতে সহায়তা করবে তেমনি এর তথ্য ভান্ডার ছাত্রসমাজের জ্ঞানের পরিধিকে সমৃদ্ধ করবে। 
উল্লেখ্য, প্রতিবছরই নতুন বছরে জন্য আকর্ষণীয় প্রকাশনার আয়োজন করে ছাত্রশিবির। প্রকাশনার মধ্যে রয়েছে এক পাতা ও তিন পাতার ক্যালেন্ডার, টেবিল ক্যালেন্ডার, ছোট ও বড় ডাইরি, ইসলাম ও সচেতনতামূলক বাণী সম্বলিত ষ্টিকার ইত্যাদি।

44 total views, 2 views today

121,974 total views, 755 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,943 total views, 653 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .