শিরোনাম

ঐক্যফ্রন্টের ক্ষমতায় যাওয়া তো দূরে থাক, স্বপ্ন দেখারও সুযোগ নেই: হানিফ

hh
নিজস্ব প্রতিনিধি: ক্ষমতায় যাওয়া তো দূরে থাক, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দলগুলোর ক্ষমতার স্বপ্ন দেখারও সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ।
শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই রোডে নিজ বাসভবনের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন হানিফ।
সংসদ সদস্য হানিফ বলেন, ‘ক্ষমতার স্বপ্ন তাদের দেখার কোনো সুযোগ নেই। আর এই জোটের কে প্রধানমন্ত্রী হবে না হবে। ক্ষমতায় যেতে পারলে তো মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর হিসাব আসবে।’
ঐক্যফ্রন্টে যুক্ত রাজনৈতিক দলগুলো বিদেশিদের কাছে ধরনা দিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে হানিফ বলেন, ‘জনগণের প্রতি তাদের আস্থা নেই। এদের আস্থা হচ্ছে বিদেশিদের প্রতি। এ জন্যই বিদেশিদের কাছে ধরনা দেওয়ার জন্য প্রথমে গিয়েছেন। একটা জোট গঠন করে প্রথমেই তারা তাদের কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিদেশিদের কাছে তাদের দাবিদাওয়া নিয়ে গেছে। তো অপেক্ষা করুক। বিদেশিরা যদি কখনো তাদের ক্ষমতায় বসায়, তারা যেন তখন ক্ষমতায় আসে।’
এ সময় কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রবিউল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী ফারুকুজ্জামানসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

567 total views, 2 views today

121,806 total views, 587 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,799 total views, 509 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .