শিরোনাম

৪০ বছরে বিশ্ব জুড়ে সমাদৃত বিআরবি অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখে চলেছে

brb chirmanস্টাফ রিপোর্টার ॥ ৪০ বছরে বিশ্বজুড়ে এ শ্লোগানে বিআরবি’র ৪০ বছর পূর্তী উপলক্ষে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হচ্ছে। ২৩ অক্টোবর প্রতি বছরই বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হয় দিনটি। এ আনন্দ শুধু কুষ্টিয়াবাসীর নয়, দেশবাসীর। কুষ্টিয়াসহ দেশের উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখে চলেছে এ প্রতিষ্ঠানটি। দেশের শিল্প ব্যবসা বাণিজ্য ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখে চলেছে বিআরবি। বিআরবি কেবল দেশের গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে। দেশবরেণ্য শিল্পপতি আলহাজ্ব মোঃ মজিবর রহমান এর হাতের ছোঁয়ায় বিআরবি সুখ্যাতি আজ আকাশচুম্বি। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশের মাটিতে কুষ্টিয়া তথা বাংলাদেশের নাম ছড়িয়ে পড়েছে বিআরবি’র গুণেই। বিআরবি’র যে কোন পণ্য গুনে মানে স্থায়ীত্বে সেরা এই কথা আজ সর্বজন বিদিত। বিআরবি’র সুখ্যাতি হঠাৎ করেই আসেনি। এর পিছনে রয়েছে বিআরবি গ্র“পের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ মজিবর রহমানের দীর্ঘ সাধনা। কুষ্টিয়াবাসীর কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে বিসিক শিল্পনগরীতে তিনি ১৯৭৮ সালে বিআরবি কেবল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড নামে বৈদ্যুতিক ওয়্যারস এন্ড কেবলস তৈরী শুরু করেন। বিআরবি কেবল এর বিস্তৃত এখন অনেক পরিসরে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিআরবি গ্র“পের সাথে জড়িত প্রায় ৩০ হাজার মানুষ  প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে বর্তমান উপকৃত হচ্ছে। বিআরবি কেবল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড-এর পণ্যের গুণগত মানের জন্য বিভিন্ন পদক পেয়েছেন। দেশের সেরা করদাতা হিসাবেও তার সুনাম চারিদিকে। যার ফলে বিশ্বের দরবারে বিআরবি বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছে।
ইতিমধ্যে এই প্রতিষ্ঠানটি অর্জন করেছে বিশ্বের অন্যতম প্রতিষ্ঠান হিসাবে। এই গ্র“পের অব্যাহত অগ্রযাত্রা এবং সাফল্যে শুধু কুষ্টিয়া বা এই কোম্পানীর জনবল নয়, সারা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের মাথা উঁচু হয়েছে, উজ্জল হয়েছে জাতির মুখ। বার বার দেশের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে এই গ্র“পের পণ্য শ্রেষ্ঠ হয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী এবং নির্ভেজাল পণ্য উৎপাদন করে এই কোম্পানী দেশবাসীর আস্থা ও সম্মান অর্জন করেছে। এখন বিআরবি মানে একটি খাঁটি প্রতিষ্ঠানের নাম, বিআরবি মানে দেশের গর্ব ও উন্নয়নের সোপান।  দেশখ্যাত শিল্পপতি, কুষ্টিয়ার কৃতি সন্তান আলহাজ্ব মজিবর রহমান আজকের এই সফলতায় মোড়ানো প্রতিষ্ঠানের স্বপ্নদ্রষ্টা। আকাশচুম্বি যে সুুখ্যাতি এই প্রতিষ্ঠান অর্জন করেছে তা তিল তিল করে এসেছে তার শ্রম,মেধা ও সততার ভিতর দিয়ে।  নিজের সন্তানের মত ভালোবাসা ও মমতা দিয়ে আগলে রেখেছেন এই প্রতিষ্ঠানটিকে। সততা ও মহৎ ব্যবসায়ীক নীতি অনুসরণ করে তিনি এগিয়েছেন অনেক সাবধানে,কষ্ট ও আনন্দের মধ্যে। তবে শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সব চিন্তার মধ্যে গভীরভাবে আলোকিত করে দেশ তথা কুষ্টিয়াবাসীর জন্য কিছু করার চেষ্টা। হাজারো প্রতিকূলতা সত্বেও তিনি কুষ্টিয়াবাসীর বৃহৎ অংশের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে সকল শিল্প প্রতিষ্ঠানই তৈরী করেছেন কুষ্টিয়ার বিসিক শিল্পনগরীতে। ১৯৭৮ সাল থেকে শুরু। বিআরবি কেবল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড গঠন করে তিনি শুরু করেন ওয়্যারস এন্ড কেবলস উৎপাদন। দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা ভেবে তিনি উন্নতগুনগত মানের কেবলস উৎপাদন করে দেশব্যাপি সাড়া ফেলে দেন। কিন্তু সামনে আসতে থাকে নানা প্রতিকূলতা। শত বিপদেও তিনি ঘাবড়ে যান না। কর্মের প্রতি অবিচল থেকে তিনি চেষ্টা করে যান সামনে এগিয়ে যেতে। বহু ত্যাগ ও তিতিক্ষার মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানটি এক সময় মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়। আসতে থাকে ব্যাপক চাহিদা। এক সময় ভালো মান ও উন্নত সেবার কারনে দেশের সবখানে ছড়িয়ে পড়ে এই কোম্পানীর সুনাম। এক পর্যায়ে দেশ ছেড়ে চলে যায় বিশ্ব বাজারে। সেখানেও মানের প্রতিযোগিতায় অন্যতম স্থান দখল করতে সক্ষম হয়। ব্যবহারকারীদের নিকট এই কোম্পানীর উৎপাদিত পণ্য জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। দেশে ও বিশ্ব বাজারের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারনে ১৯৯৫ সালে কোম্পানীর প্রসার ঘটানো হয়। স্থাপন করা হয় বিআরবি কেবলস ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ ইউনিট-২। আলহাজ্ব মজিবর রহমানের মেধা ও পরিশ্রম  বিনিয়োগ করে একজন সফল শিল্পপতি ও শিল্পোদ্যক্তা হিসাবে পরিচতি লাভ ঘটে। তিনি বিআরবি কেবলস এর পাশাপাশি স্থাপন করেন কিয়াম মেটাল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ, এম আর এস ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ, লাভলী হাউজিং লিঃ, বিআরবি পলিমার লিঃ,ইউনিভার্সেল নেটওয়ার্ক কোঃ লিঃ, বিআরবি নিটওয়্যার লিঃ,বিআরবি ইলেক্ট্রিক্যাল কোঃ লিঃ, বিআরবি ডিষ্ট্রিবিউশন লিঃ, ইউনিভার্সেল লিডার সার্ভিস লিঃ, বিআরবি ওয়্যারস এন্ড কেবলস লিঃ, টিপিটি কেবলস লিঃ, বিআরবি সিকিউরিটিস লিঃ, কিয়াম সিরাতুননেছা মেমোরিয়াল ট্রাষ্ট, প¬াইউড প¬ান্ট এবং সর্বশেষ স্থাপিত বিআরবি এনার্জি লিঃ নামে শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ স্থাপন করেছেন এবং এই প্রতিষ্ঠান গুলো সুচারুরুপে পরিচালনা করে আসছেন। তিনি এই সমস্ত প্রতিষ্ঠানে প্রায় সাড়ে তিন হাজার লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছেন। এই গ্রুপের সাথে সব মিলে প্রায় সাড়ে ২০ হাজার মানুষ প্রত্যক্ষ এবং লক্ষাধিক মানুষ পরোক্ষভাবে জীবন ও জীবিকা নির্বাহ করছে।
এই গ্র“পের উৎপাদিত পণ্যের মান ও সেবার কারনে বিভিন্ন সময়ে জিতে নিয়েছেন নানা পুরস্কার। এর মধ্যে দশম আমেরিকা গোল্ডেন এ্যাওয়ার্ড এবং দি আর্ক অব ইউরোপ গোল্ডস্টার পুরস্কারে ভূষিত হয়ে এই কোম্পানী বিশ্বের বুকে ঝড় তুলেছেন। বাংলাদেশ এবং এখানকার পণ্য নিয়ে বিশ্বে যারা নাক সিটকাতো তারাও এই বিআরবি গ্র“পের কারনে শ্রদ্ধা ও সম্মানের সাথে কথা বলতে শুরু করে। এ ছাড়াও দেশের মধ্যে শেরে বাংলা একে ফজলুল হক স্বর্ণ পদক, জাতীয় রপ্তানী ট্রফি, দর্পন উত্তরণ গুনিজন এ্যাওয়ার্ড, অর্থকণ্ঠ বিজনেস এ্যাওয়ার্ড, ফাইনাসিয়াল এক্সপ্রেস বিজনেস এ্যাওয়ার্ড, এসএমই এ্যাওয়ার্ড, জাতীয় সমন্বিত উন্নয়ণ ফাউন্ডেশন এ্যাওয়ার্ড, ডিএইচএল এবং ডেইলী স্টার বিজনেস এ্যাওয়ার্ড, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ কর্তৃক ভ্যালুড বিজনেস পার্টনার এ্যাওয়ার্ড, স্যার সলিমুল¬াহ ফাউন্ডেশন এ্যাওয়ার্ড, দি ফাইনানসিয়াল মিরর-রবিনটেক্স কর্পোরেট বিজনেস এ্যাওয়ার্ড, ঢাকা পোষ্ট গোল্ড মেডেল,এবং বাংলাদেশ এডুকেশন স্কলারশীপ ট্রাষ্ট স্বর্ণপদক এবং সর্বশেষ ঢাকা আর্ন্তজাতিক বাণিজ্য মেলায় সেরা মিনি প্যাভেলিয়ন ট্রফি লাভ করেছেন। বিআরবি কেবলস ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ এর পণ্যের গুনগত মানের কারনে আইএসও  সার্টিফিকেট লাভ করে। বিআরবি গ্রুপের কারণে বিভিন্নভাবে পুরুস্কার প্রাপ্তি অব্যাহত রয়েছে।
ব্যবসায়ীক প্রয়োজনে এবং বাস্তব জ্ঞান লাভের জন্য এই কোম্পানীর প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব মজিবর রহমান বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঘুরেছেন। অংশ নিয়েছেন বিশ্বের অনেক বড় বড় সভা-সেমিনারে। সেখানে গভীরভাবে পর্যবেক্ষন করেছেন সেসব দেশের শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সফলতার কথা। নিজেও জানিয়েছেন নিজের অভিজ্ঞতার কথা। বিশ্বের প্রায় অর্ধশতাধিক দেশে তিনি গেছেন এবং অভিজ্ঞতার ঝুড়ি পূর্ণ করেছেন। শিল্পকারখানা স্থাপন এবং সফল ব্যবসায়ী হিসাবে সুনাম অর্জনের পাশাপাশি তিনি একজন বিনয়ী, সদালপি এবং ধর্মভীরু হিসাবে প্রশংসিত। পবিত্র হজ্বব্রত পালনের জন্য তিনি বেশ কয়েকবার সৌদি আরবে গেছেন।ওমরাহ পালন করেছেন এবং তিনি প্রতি বছর নিজের কোম্পানীর উদ্যোগে বহু সংখ্যক মানুষকে হজ্ব করার সুযোগ করে দেন। একই সাথে তিনি কুষ্টিয়ায় কিয়াম ছিরাতুননেছা মেমোরিয়াল ট্রাস্ট গঠন করে দরিদ্র ছাত্রদের বিনামুল্যে র্ধর্মীয় ও আধুনিক শিক্ষা গ্রহনের সুযোগ সৃষ্টি করেছেন। তিনি ঐ ট্রাষ্টের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন এবং নিয়মিত খোঁজ-খবর নেন। তিনি নিজ খরচে অনেক মসজিদ, মাদ্রাসা,গোরস্থান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে দিয়েছেন। কুষ্টিয়ার গরিব-অসহায় মানুষের জন্য তার দরজা সব সময় খোলা। শত ব্যস্ততা সত্বেও প্রতিদিন তিনি নিজ অফিসে বসে কয়েকঘন্টা সময় সাধারন মানুষের জন্য ব্যয় করেন। তার নিকট থেকে কেউ খালি হাতে ফেরে না। কাউকে তিনি নিরাশ করেন না। তার কাছে যাওয়া সকলের অভাব-অভিযোগের কথা গভীরভাবে শোনেন এবং সাধ্যমত ব্যবস্থা নেন। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে জোরালো ভূমিকা রাখার কারনে তিনি পর পর ৬বার বাংলাদেশ সরকারের সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন। একই সাথে রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মানিত হয়েছেন বেশ কয়েকবার। সরকার ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা করতে চাইলে সেখানে গুরুত্বের সাথে তাঁকে আমন্ত্রন করা হয় এবং মতামত নেয়া হয়। দুই পুত্র এবং এক কন্যার জনক আলহাজ্ব মজিবর রহমান সংসার জীবনে খুবই মিশুক ও হৃদয়বান মানুষ। স্ত্রী,পুত্র,কন্যা ও নাতির কাছে তিনি একজন শ্রেষ্ঠ পিতা ও বন্ধুর মত। বড় ছেলে পারভেজ রহমান ১৯৯৬ সাল থেকে বাবার সাথে ব্যবসার হাল ধরেছেন। তিনি বর্তমানে বিআরবি কেবলস ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন। স্নাতক ডিগ্রী লাভের পরে তিনি বাবার নিকট থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে কাজ করছেন। কোম্পানীর অব্যাহত অগ্রযাত্রার পেছনে তারও অবদান রয়েছে। তিনি  আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এবং উন্নত প্রযুক্তির আলোকে এই কোম্পানীকে সারা বিশ্বের বুকে পরিচিত করে তুলেছেন। একই সাথে দীর্ঘদিনের স্টাফ ম্যানেজম্যান্টের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে কোম্পানীতে সুন্দর ও আন্তরিক পরিবেশ বজায় রেখেছেন। বিআরবি কেবল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে কোন শ্রমিক অসন্তোষ বা গোলযোগ নেই। সব সময় আন্তরিক পরিবেশে উৎপাদন অব্যাহত থাকে। মালিকপক্ষ এখানে শ্রমিকদের উন্নয়নে সব সময় সচেষ্ট থাকে এবং সব রকমের সুযোগ সুবিধা প্রদান করে থাকে। এই কোম্পানীর সার্বিক কার্যক্রম দেখে মনে হয়, এটি একটি বিশাল পরিবার। এই পরিবারের সদস্যরা একে অপরের ভাই ও বন্ধু। সবার প্রতি সবার রয়েছে গভীর মমত্ববোধ ও ভালোবাসা। আলহাজ্ব মজিবর রহমানের ছোট ছেলে শামসুর রহমান। তিনি উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করে বাবার সাথে হাল ধরেছেন এমআরএস ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে। দুই ছেলেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঘুরেছেন। লাভ করেছেন বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং দেখেছেন উন্নয়নের ধারা। নিজেরাও দিয়েছেন গুরুত্বপূর্ন মতামত। সব মিলে পিতার আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে দুই ছেলে এই গ্র“পের সার্বিক উন্নয়নে জোরালো ভূমিকা রেখে চলেছেন। একই সাথে মানুষের সেবায় ছুটে যাচ্ছেন বিভিন্ন জায়গায়।
মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত আলহাজ্ব মজিবর রহমান নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান। তাকে ঘিরে আবর্তিত হয় নানা উন্নয়ন। তিনি কুষ্টিয়া ও দেশের মানুষের প্রিয়বন্ধু হিসাবে নিজেকে আত্মনিয়োগ করেছেন। এই মহান ব্যক্তি তার কর্মের মাধ্যমে দেশ ও জনগণের সেবা করুক, আল্লাহ তার নেক হায়াত বাড়িয়ে দিক এ কামনা দেশবাসীর।

1,386 total views, 2 views today

121,804 total views, 585 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,797 total views, 507 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .