শিরোনাম

৪০ বছরে বিশ্ব জুড়ে সমাদৃত বিআরবি অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখে চলেছে

brb chirmanস্টাফ রিপোর্টার ॥ ৪০ বছরে বিশ্বজুড়ে এ শ্লোগানে বিআরবি’র ৪০ বছর পূর্তী উপলক্ষে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হচ্ছে। ২৩ অক্টোবর প্রতি বছরই বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হয় দিনটি। এ আনন্দ শুধু কুষ্টিয়াবাসীর নয়, দেশবাসীর। কুষ্টিয়াসহ দেশের উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখে চলেছে এ প্রতিষ্ঠানটি। দেশের শিল্প ব্যবসা বাণিজ্য ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখে চলেছে বিআরবি। বিআরবি কেবল দেশের গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে। দেশবরেণ্য শিল্পপতি আলহাজ্ব মোঃ মজিবর রহমান এর হাতের ছোঁয়ায় বিআরবি সুখ্যাতি আজ আকাশচুম্বি। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশের মাটিতে কুষ্টিয়া তথা বাংলাদেশের নাম ছড়িয়ে পড়েছে বিআরবি’র গুণেই। বিআরবি’র যে কোন পণ্য গুনে মানে স্থায়ীত্বে সেরা এই কথা আজ সর্বজন বিদিত। বিআরবি’র সুখ্যাতি হঠাৎ করেই আসেনি। এর পিছনে রয়েছে বিআরবি গ্র“পের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ মজিবর রহমানের দীর্ঘ সাধনা। কুষ্টিয়াবাসীর কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে বিসিক শিল্পনগরীতে তিনি ১৯৭৮ সালে বিআরবি কেবল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড নামে বৈদ্যুতিক ওয়্যারস এন্ড কেবলস তৈরী শুরু করেন। বিআরবি কেবল এর বিস্তৃত এখন অনেক পরিসরে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিআরবি গ্র“পের সাথে জড়িত প্রায় ৩০ হাজার মানুষ  প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে বর্তমান উপকৃত হচ্ছে। বিআরবি কেবল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড-এর পণ্যের গুণগত মানের জন্য বিভিন্ন পদক পেয়েছেন। দেশের সেরা করদাতা হিসাবেও তার সুনাম চারিদিকে। যার ফলে বিশ্বের দরবারে বিআরবি বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছে।
ইতিমধ্যে এই প্রতিষ্ঠানটি অর্জন করেছে বিশ্বের অন্যতম প্রতিষ্ঠান হিসাবে। এই গ্র“পের অব্যাহত অগ্রযাত্রা এবং সাফল্যে শুধু কুষ্টিয়া বা এই কোম্পানীর জনবল নয়, সারা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের মাথা উঁচু হয়েছে, উজ্জল হয়েছে জাতির মুখ। বার বার দেশের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে এই গ্র“পের পণ্য শ্রেষ্ঠ হয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী এবং নির্ভেজাল পণ্য উৎপাদন করে এই কোম্পানী দেশবাসীর আস্থা ও সম্মান অর্জন করেছে। এখন বিআরবি মানে একটি খাঁটি প্রতিষ্ঠানের নাম, বিআরবি মানে দেশের গর্ব ও উন্নয়নের সোপান।  দেশখ্যাত শিল্পপতি, কুষ্টিয়ার কৃতি সন্তান আলহাজ্ব মজিবর রহমান আজকের এই সফলতায় মোড়ানো প্রতিষ্ঠানের স্বপ্নদ্রষ্টা। আকাশচুম্বি যে সুুখ্যাতি এই প্রতিষ্ঠান অর্জন করেছে তা তিল তিল করে এসেছে তার শ্রম,মেধা ও সততার ভিতর দিয়ে।  নিজের সন্তানের মত ভালোবাসা ও মমতা দিয়ে আগলে রেখেছেন এই প্রতিষ্ঠানটিকে। সততা ও মহৎ ব্যবসায়ীক নীতি অনুসরণ করে তিনি এগিয়েছেন অনেক সাবধানে,কষ্ট ও আনন্দের মধ্যে। তবে শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সব চিন্তার মধ্যে গভীরভাবে আলোকিত করে দেশ তথা কুষ্টিয়াবাসীর জন্য কিছু করার চেষ্টা। হাজারো প্রতিকূলতা সত্বেও তিনি কুষ্টিয়াবাসীর বৃহৎ অংশের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে সকল শিল্প প্রতিষ্ঠানই তৈরী করেছেন কুষ্টিয়ার বিসিক শিল্পনগরীতে। ১৯৭৮ সাল থেকে শুরু। বিআরবি কেবল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড গঠন করে তিনি শুরু করেন ওয়্যারস এন্ড কেবলস উৎপাদন। দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা ভেবে তিনি উন্নতগুনগত মানের কেবলস উৎপাদন করে দেশব্যাপি সাড়া ফেলে দেন। কিন্তু সামনে আসতে থাকে নানা প্রতিকূলতা। শত বিপদেও তিনি ঘাবড়ে যান না। কর্মের প্রতি অবিচল থেকে তিনি চেষ্টা করে যান সামনে এগিয়ে যেতে। বহু ত্যাগ ও তিতিক্ষার মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানটি এক সময় মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়। আসতে থাকে ব্যাপক চাহিদা। এক সময় ভালো মান ও উন্নত সেবার কারনে দেশের সবখানে ছড়িয়ে পড়ে এই কোম্পানীর সুনাম। এক পর্যায়ে দেশ ছেড়ে চলে যায় বিশ্ব বাজারে। সেখানেও মানের প্রতিযোগিতায় অন্যতম স্থান দখল করতে সক্ষম হয়। ব্যবহারকারীদের নিকট এই কোম্পানীর উৎপাদিত পণ্য জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। দেশে ও বিশ্ব বাজারের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারনে ১৯৯৫ সালে কোম্পানীর প্রসার ঘটানো হয়। স্থাপন করা হয় বিআরবি কেবলস ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ ইউনিট-২। আলহাজ্ব মজিবর রহমানের মেধা ও পরিশ্রম  বিনিয়োগ করে একজন সফল শিল্পপতি ও শিল্পোদ্যক্তা হিসাবে পরিচতি লাভ ঘটে। তিনি বিআরবি কেবলস এর পাশাপাশি স্থাপন করেন কিয়াম মেটাল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ, এম আর এস ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ, লাভলী হাউজিং লিঃ, বিআরবি পলিমার লিঃ,ইউনিভার্সেল নেটওয়ার্ক কোঃ লিঃ, বিআরবি নিটওয়্যার লিঃ,বিআরবি ইলেক্ট্রিক্যাল কোঃ লিঃ, বিআরবি ডিষ্ট্রিবিউশন লিঃ, ইউনিভার্সেল লিডার সার্ভিস লিঃ, বিআরবি ওয়্যারস এন্ড কেবলস লিঃ, টিপিটি কেবলস লিঃ, বিআরবি সিকিউরিটিস লিঃ, কিয়াম সিরাতুননেছা মেমোরিয়াল ট্রাষ্ট, প¬াইউড প¬ান্ট এবং সর্বশেষ স্থাপিত বিআরবি এনার্জি লিঃ নামে শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ স্থাপন করেছেন এবং এই প্রতিষ্ঠান গুলো সুচারুরুপে পরিচালনা করে আসছেন। তিনি এই সমস্ত প্রতিষ্ঠানে প্রায় সাড়ে তিন হাজার লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছেন। এই গ্রুপের সাথে সব মিলে প্রায় সাড়ে ২০ হাজার মানুষ প্রত্যক্ষ এবং লক্ষাধিক মানুষ পরোক্ষভাবে জীবন ও জীবিকা নির্বাহ করছে।
এই গ্র“পের উৎপাদিত পণ্যের মান ও সেবার কারনে বিভিন্ন সময়ে জিতে নিয়েছেন নানা পুরস্কার। এর মধ্যে দশম আমেরিকা গোল্ডেন এ্যাওয়ার্ড এবং দি আর্ক অব ইউরোপ গোল্ডস্টার পুরস্কারে ভূষিত হয়ে এই কোম্পানী বিশ্বের বুকে ঝড় তুলেছেন। বাংলাদেশ এবং এখানকার পণ্য নিয়ে বিশ্বে যারা নাক সিটকাতো তারাও এই বিআরবি গ্র“পের কারনে শ্রদ্ধা ও সম্মানের সাথে কথা বলতে শুরু করে। এ ছাড়াও দেশের মধ্যে শেরে বাংলা একে ফজলুল হক স্বর্ণ পদক, জাতীয় রপ্তানী ট্রফি, দর্পন উত্তরণ গুনিজন এ্যাওয়ার্ড, অর্থকণ্ঠ বিজনেস এ্যাওয়ার্ড, ফাইনাসিয়াল এক্সপ্রেস বিজনেস এ্যাওয়ার্ড, এসএমই এ্যাওয়ার্ড, জাতীয় সমন্বিত উন্নয়ণ ফাউন্ডেশন এ্যাওয়ার্ড, ডিএইচএল এবং ডেইলী স্টার বিজনেস এ্যাওয়ার্ড, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ কর্তৃক ভ্যালুড বিজনেস পার্টনার এ্যাওয়ার্ড, স্যার সলিমুল¬াহ ফাউন্ডেশন এ্যাওয়ার্ড, দি ফাইনানসিয়াল মিরর-রবিনটেক্স কর্পোরেট বিজনেস এ্যাওয়ার্ড, ঢাকা পোষ্ট গোল্ড মেডেল,এবং বাংলাদেশ এডুকেশন স্কলারশীপ ট্রাষ্ট স্বর্ণপদক এবং সর্বশেষ ঢাকা আর্ন্তজাতিক বাণিজ্য মেলায় সেরা মিনি প্যাভেলিয়ন ট্রফি লাভ করেছেন। বিআরবি কেবলস ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ এর পণ্যের গুনগত মানের কারনে আইএসও  সার্টিফিকেট লাভ করে। বিআরবি গ্রুপের কারণে বিভিন্নভাবে পুরুস্কার প্রাপ্তি অব্যাহত রয়েছে।
ব্যবসায়ীক প্রয়োজনে এবং বাস্তব জ্ঞান লাভের জন্য এই কোম্পানীর প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব মজিবর রহমান বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঘুরেছেন। অংশ নিয়েছেন বিশ্বের অনেক বড় বড় সভা-সেমিনারে। সেখানে গভীরভাবে পর্যবেক্ষন করেছেন সেসব দেশের শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সফলতার কথা। নিজেও জানিয়েছেন নিজের অভিজ্ঞতার কথা। বিশ্বের প্রায় অর্ধশতাধিক দেশে তিনি গেছেন এবং অভিজ্ঞতার ঝুড়ি পূর্ণ করেছেন। শিল্পকারখানা স্থাপন এবং সফল ব্যবসায়ী হিসাবে সুনাম অর্জনের পাশাপাশি তিনি একজন বিনয়ী, সদালপি এবং ধর্মভীরু হিসাবে প্রশংসিত। পবিত্র হজ্বব্রত পালনের জন্য তিনি বেশ কয়েকবার সৌদি আরবে গেছেন।ওমরাহ পালন করেছেন এবং তিনি প্রতি বছর নিজের কোম্পানীর উদ্যোগে বহু সংখ্যক মানুষকে হজ্ব করার সুযোগ করে দেন। একই সাথে তিনি কুষ্টিয়ায় কিয়াম ছিরাতুননেছা মেমোরিয়াল ট্রাস্ট গঠন করে দরিদ্র ছাত্রদের বিনামুল্যে র্ধর্মীয় ও আধুনিক শিক্ষা গ্রহনের সুযোগ সৃষ্টি করেছেন। তিনি ঐ ট্রাষ্টের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন এবং নিয়মিত খোঁজ-খবর নেন। তিনি নিজ খরচে অনেক মসজিদ, মাদ্রাসা,গোরস্থান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে দিয়েছেন। কুষ্টিয়ার গরিব-অসহায় মানুষের জন্য তার দরজা সব সময় খোলা। শত ব্যস্ততা সত্বেও প্রতিদিন তিনি নিজ অফিসে বসে কয়েকঘন্টা সময় সাধারন মানুষের জন্য ব্যয় করেন। তার নিকট থেকে কেউ খালি হাতে ফেরে না। কাউকে তিনি নিরাশ করেন না। তার কাছে যাওয়া সকলের অভাব-অভিযোগের কথা গভীরভাবে শোনেন এবং সাধ্যমত ব্যবস্থা নেন। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে জোরালো ভূমিকা রাখার কারনে তিনি পর পর ৬বার বাংলাদেশ সরকারের সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন। একই সাথে রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মানিত হয়েছেন বেশ কয়েকবার। সরকার ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা করতে চাইলে সেখানে গুরুত্বের সাথে তাঁকে আমন্ত্রন করা হয় এবং মতামত নেয়া হয়। দুই পুত্র এবং এক কন্যার জনক আলহাজ্ব মজিবর রহমান সংসার জীবনে খুবই মিশুক ও হৃদয়বান মানুষ। স্ত্রী,পুত্র,কন্যা ও নাতির কাছে তিনি একজন শ্রেষ্ঠ পিতা ও বন্ধুর মত। বড় ছেলে পারভেজ রহমান ১৯৯৬ সাল থেকে বাবার সাথে ব্যবসার হাল ধরেছেন। তিনি বর্তমানে বিআরবি কেবলস ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন। স্নাতক ডিগ্রী লাভের পরে তিনি বাবার নিকট থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে কাজ করছেন। কোম্পানীর অব্যাহত অগ্রযাত্রার পেছনে তারও অবদান রয়েছে। তিনি  আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এবং উন্নত প্রযুক্তির আলোকে এই কোম্পানীকে সারা বিশ্বের বুকে পরিচিত করে তুলেছেন। একই সাথে দীর্ঘদিনের স্টাফ ম্যানেজম্যান্টের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে কোম্পানীতে সুন্দর ও আন্তরিক পরিবেশ বজায় রেখেছেন। বিআরবি কেবল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে কোন শ্রমিক অসন্তোষ বা গোলযোগ নেই। সব সময় আন্তরিক পরিবেশে উৎপাদন অব্যাহত থাকে। মালিকপক্ষ এখানে শ্রমিকদের উন্নয়নে সব সময় সচেষ্ট থাকে এবং সব রকমের সুযোগ সুবিধা প্রদান করে থাকে। এই কোম্পানীর সার্বিক কার্যক্রম দেখে মনে হয়, এটি একটি বিশাল পরিবার। এই পরিবারের সদস্যরা একে অপরের ভাই ও বন্ধু। সবার প্রতি সবার রয়েছে গভীর মমত্ববোধ ও ভালোবাসা। আলহাজ্ব মজিবর রহমানের ছোট ছেলে শামসুর রহমান। তিনি উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করে বাবার সাথে হাল ধরেছেন এমআরএস ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে। দুই ছেলেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঘুরেছেন। লাভ করেছেন বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং দেখেছেন উন্নয়নের ধারা। নিজেরাও দিয়েছেন গুরুত্বপূর্ন মতামত। সব মিলে পিতার আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে দুই ছেলে এই গ্র“পের সার্বিক উন্নয়নে জোরালো ভূমিকা রেখে চলেছেন। একই সাথে মানুষের সেবায় ছুটে যাচ্ছেন বিভিন্ন জায়গায়।
মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত আলহাজ্ব মজিবর রহমান নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান। তাকে ঘিরে আবর্তিত হয় নানা উন্নয়ন। তিনি কুষ্টিয়া ও দেশের মানুষের প্রিয়বন্ধু হিসাবে নিজেকে আত্মনিয়োগ করেছেন। এই মহান ব্যক্তি তার কর্মের মাধ্যমে দেশ ও জনগণের সেবা করুক, আল্লাহ তার নেক হায়াত বাড়িয়ে দিক এ কামনা দেশবাসীর।

1,446 total views, 1 views today

181,665 total views, 599 views today

প্রধান খবর

  • বাংলাদেশ আজ জয় দিয়েই ওয়ানডে সিরিজ শুরু করতে চায়

    ঢাকা অফিস: ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। এবার দলটির বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলেতে মাঠে নামবে টাইগাররা। আজ থেকে শুরু হওয়া তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে জয় দিয়েই শুরু করতে চায় বাংলাদেশ। অবশ্য মাঠে নামার আগে মানসিকভাবে এগিয়ে বাংলাদেশ দলই। কারণ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জয়ের সুখ স্মৃতি নিয়েই ওয়ানডে সিরিজ শুরু করবে টাইগাররা। আরো একটি কারণে এগিয়ে আছে টাইগাররা। টেস্টে না থাকলেও ওয়ানডে সিরিজে দলের হয়ে মাঠে নামবে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ও দেশের সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টায় শুরু হবে প্রথম ওয়ানডে।ddddd
    তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই জয়ের টার্গেট বাংলাদেশের। ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আজ আত্মবিশ্বাসের সাথেই ওয়ানডে সিরিজ শুরু করবে টাইগাররা। ২০১২ সালে দেশের মাটিতে ও সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজ এবং চলতি সফরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ জয়ের সুখস্মৃতি রয়েছে টাইগারদের। তাই এমন সুখস্মৃতি নিয়ে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে নামবে মাশরাফির দল। ২০১২ সালে দেশের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিলো টাইগাররা। পাঁচ ম্যাচের ঐ সিরিজে ৩-২ ব্যবধানে জিতে নেয় বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজটি জিতেছে বাংলাদেশ। চলতি বছরের জুলাইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে তিন ম্যাচের সিরিজটি ২-১ ব্যবধানে জিতে মাশরাফির দল। এছাড়া  চলতি সফরে টেস্ট ফরম্যাটের দুই ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইওয়াশ করেছে সাকিব আল হাসানের দলটি। একচেটিয়া পারফরমেন্স করে দু’টি টেস্টই জিতে নেয় বাংলাদেশ। চট্টগ্রামে প্রথম টেস্টে ৬৪ রানে এবং ঢাকায় দ্বিতীয় ম্যাচে ইনিংস ও ১৮৪ রানে জয় পায় টাইগাররা। এই সিরিজ দিয়ে আবারো ওয়ানডেতে ফিরছেন দলের দুই সেরা তারকা সাকিব-তামিম। এশিয়া কাপ চলাকালীন ইনজুরিতে পড়েছিলেন তারা। তবে ইনজুরি থেকে সুস্থ হয়ে ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছেন সাকিব। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। ব্যাট-বল হাতে উজ্জল ছিলেন সাকিব। ব্যাট হাতে ১১৫ রান ও বল হাতে ৯ উইকেট শিকার করেন সাকিব। ফলে সিরিজ সেরাও হন তিনি। সাকিবের চিন্তা দূর হবার পর তামিমকে নিয়ে চিন্তিত ছিলো বাংলাদেশ। তবে বাংলাদেশের চিন্তা মুছে দেন তামিমও। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে ফিরে সেঞ্চুরি করেই নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেন। প্রস্তুতি ম্যাচে জয়ও পায় বাংলাদেশ। অপর দিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাংলাদেশ সফরটা মোটেও ভালো হয়নি। কারণ টেস্টে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে দলটি। এবার ওয়ানডে সিরিজ। ওয়ানডে সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে নেতৃত্ব দিবেন রোভম্যান পাওয়েল। নিয়মিত অধিনায়ক জেসন হোল্ডার ইনজুরির কারণে বাংলাদেশ সফরে আসেননি। তাই টেস্ট সিরিজে অনিয়মিত অধিনায়কের অধীনে খেলেছিলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টেস্ট ফরম্যাটে ক্যারিবীদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ওপেনার ক্রেইগ ব্রাফেট। টেস্টে হারলেও ওয়ানডে সিরিজে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া থাকবে দলটি। তাই জয়ের আত্মবিশ্বাসে থাকলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ নিয়ে সর্তক বাংলাদেশ। সিরিজটি বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে বলে মনে করেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা ও কোচ স্টিভ রোডস।
    বাংলাদেশ দল : মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান (সহ-অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, সৌম্য সরকার, লিটন কুমার দাস, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, রুবেল হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান, মেহেদি হাসান মিরাজ, নাজমুল ইসলাম অপু, মোহাম্মদ মিথুন, সাইফ উদ্দিন, আবু হায়দার ও আরিফুল হক।
    ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল : রোভম্যান পাওয়েল (অধিনায়ক), মারলন স্যামুয়েলস, ড্যারেন ব্রাাভো, রোস্টন চেজ, শাই হোপ, দেবেন্দ্র বিশু, চন্দরপল  হেমরাজ, শিমরন হেটমায়ার, কেমো পল, কাইরন পাওয়েল, ফ্যাবিয়ান অ্যালেন, কার্লোস ব্রাফেট, কেমার  রোচ, সুনীল অ্যামব্রিস ও ওশানে টমাস।

    18,128 total views, 293 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .