শিরোনাম

বিআরবি ক্যাবল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: ৪০ বছরে বিশ্বজুড়ে এই স্লোগানকে সামনে রেখে গৌরবময় সাফল্যের ধারাবাহিকতায় নানা আয়োজনে দেশসেরা কেবল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কুষ্টিয়ার বিআরবি কেবল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ৪h০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টায় কুষ্টিয়ার বিসিক শিল্পনগরীতে বিআরবি গ্র“পের কারখানা চত্বরে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারী, প্রশাসনের কর্মকর্তা, ব্যাংক, বীমার উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও শ্রমিক-কর্মচারীদের উপস্থিতিতে জাতীয় ও প্রতিষ্ঠানের পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিআরবি গ্র“পের চেয়ারম্যান দেশবরেণ্য শিল্পপতি আলহাজ মজিবর রহমান।

শুরুতেই বিআরবি কেবল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মিলাদ মাহফিল ও দোয়া পরিচালনা করেন বিশিষ্ট ওলামায়েদ্বীন হযরত মাওলানা আলহাজ্ব এনামূল হক শাফি, বি আর বি জামে মসজিদের ঈমাম আলহাজ্ব সাইদুর রহমান। ইসলামীক আলোচনা করেন কিয়াম সিরাতুন নেছার সুপার মিজানুর রহমান, মাওলানা রফিকুল ইসলাম, হামদ পেশ করেন বি আর বি কেবল ইন্ডাষ্ট্রিজের সচিব ফরহাদ হুসাইন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিআরবি কেবল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পারভেজ রহমান, সিঙ্গাপুর এস,এন,জি কোম্পানীর চেয়ারম্যান মিঃ ট্যারেন্স, ভারতের সুপারম্যান কোম্পানীর মিঃ জানরিদা সিং ও কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী রবিউল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিআরবি কেবল ইন্ডাষ্ট্রিজের মহাব্যবস্থাপক ও উদযাপন কমিটির আহবায়ক মনিরুজ্জামান। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রবীণ সাংবাদিক আলহাজ্ব ওয়ালিউল বারী চৌধুরী, বিআরবি কেবল ইন্ডাষ্ট্রির প্রফুল্ল কুমার ভক্ত, টেকনিক্যাল ম্যানেজার শফিকুল আলম, মহাব্যবস্থাপক (সার্বিক) দিপেন কুমার দাস, ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপক আব্দুল কাদির।

বিদেশী অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ভারতীয় বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি কোম্পানীর প্রতিনিধি মিঃ বিনোদ কাপুর, সিঙ্গাপুর জাইকা কোম্পানীর মিঃ সচিন বুখারী, অষ্ট্রিয়া কোম্পানীর প্রতিনিধি জজরে থানীল, জাপানের ডায়াহাট সু কোম্পানীর মিঃ তাকাসি হাসিকুচি, ভারতের মিঃ গৌতম কুমার সেন, দুবাই এলজিসি কোম্পানীর মিঃ হোসেন প্রমুখ।

আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে বিআরবি গ্র“পের চেয়ারম্যান শিল্পপতি আলহাজ মজিবর রহমান বলেন, দেশ ও বিদেশে আপনাদের ভালোবাসায় আজ আমি এখানে আসতে পেরেছি। আমার ও আমার পরিবারের জন্য দোয়া করবেন আগামী দিনেও যাতে বিআরবি এভাবেই এগিয়ে যেতে পারে।

তিনি বলেন, কুষ্টিয়াসহ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে জানি না বিআরবি কতটুকু সাফল্য রাখতে পারছে। কিন্তু তারপরও আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আমরা মালিক-শ্রমিক ঐক্যবদ্ধভাবে পরিশ্রম করে চলেছি। কুষ্টিয়াবাসীর জন্য আমি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। কুষ্টিয়াসহ দেশের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে গড়ে তোলা হয়েছে বিআরবি হাসপাতাল এবং কুষ্টিয়ায় গড়ে উঠছে “সেলিমা বেগম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল” নামের একটি বিশ্বমানের আধুনিক চিকিৎসা কেন্দ্র। যেখানে গরীব অসহায় ও সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সেবায় সুচিকিৎসার ব্যবস্থা থাকবে।

ইতোমধ্যে কুষ্টিয়া শহরের প্রাণকেন্দ্রে শিক্ষাব্যবস্থার জন্য “হাসিব ড্রিম স্কুল” নামের আধুনিকমানের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছি। ইনশাআল্লাহ সুন্দর ও সার্থক ভাবে স্কুলের শিক্ষাকার্যক্রম চলছে। তিনি শ্রমিক কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই প্রতিষ্ঠানকে আপনারা নিজের মনে করে কাজ করে যাবেন। ব্যবসার পাশাপাশি সমাজসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই বলেও উল্লেখ করেন তিনি। আলোচনা ও দোয়া মাহফিল শেষে বিশালাকৃতির কেক কাটা হয়। এ সময় কারখানার সব শ্রমিক, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ দেশ-বিদেশ থেকে আসা অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানে ভালো কাজ করার জন্য শ্রমিক/কর্মকর্তাকে সম্মাননা প্রদানসহ অবসরে যাওয়া, কর্মরত অবস্থায় মৃত ব্যক্তির পরিবারকে ও কর্মকর্তাদের অর্থ প্রদান করেন বিআরবি গ্র“পের চেয়ারম্যান আলহাজ মজিবর রহমান।

দুপুরে মধ্যহ্নভোজের পর শ্রমিক-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে বিনোদনমূলক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে কারখানা এলাকা। দেশের এ স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কুষ্টিয়া বিসিক শিল্পনগরীকে সাজানো হয়েছিল বর্ণিল সাজে। দিনব্যাপী এসব অনুষ্ঠানে বি আর বিতে কর্মরত কয়েক হাজার নারী-পুরুষ শ্রমিক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, সাংবাদিক, চিকিৎসক, ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন।

79 total views, 3 views today

121,928 total views, 709 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,919 total views, 629 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .