শিরোনাম

কুষ্টিয়ায় স্ত্রী হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন

Kushtia- riস্টাফ রিপোর্টার : কুষ্টিয়ায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে একজনকে যাবজ্জীবন দিয়েছে
আদালত। কুষ্টিয়ার জেলা ও দায়রা জজ অরূপকুমার গোস্বামী বুধবার গত বছরের এ মামলার
রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত আক্কাছ আলী মিয়া (৫৮) সদর উপজেলার হররা মাদ্রাসাপাড়ার
আরশাদ আলী মিয়ার ছেলে। আক্কাছ রায় ঘোষণার সময় আদালতে ছিলেন।
কুষ্টিয়ার জজ আদালতের পিপি সামস তানিন মুক্তি মামলার নথির বরাতে বলেন, ২০১৭ সালের
১৯ এপ্রিল আক্কাছ বাড়িতে তার স্ত্রী খোদেজা খাতুনকে (৩৬) শারীরিক নির্যাতন শেষে শ্বাসরোধ
করে হত্যা করেন। পরে লাশ গলায় দড়ি দিয়ে ঘরের মধ্যে ঝুলিয়ে রাখেন।
খোদেজা সদর উপজেলার স্বস্তিপুর ভাদালিয়া গ্রামের শামসুল হক প্রধানের মেয়ে।
খোদেজার ভাই আব্দুল কাদের আক্কাছের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে সদর
থানায় মামলা করেন।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর পুলিশ তদন্ত শেষে হত্যা মামলা হিসেবে আমলে নেওয়ার সুপারিশ করে
আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।
পিপি মুক্তি বলেন, সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে হত্যাকাণ্ড প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আক্কাছ আলীকে
যাবজ্জীবন দিয়েছে।

43 total views, 3 views today

121,918 total views, 699 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,909 total views, 619 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .