শিরোনাম

নির্বাচন ঠেকাতে মানুষ পুড়িয়েছে বিএনপি-জামায়াত: প্রধানমন্ত্রী

p..m. s hনিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামায়াত ২০১৪ সালে নির্বাচন ঠেকাতে হাজার হাজার মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে। এভাবে আর মানুষ পুড়িয়া হত্যা করতে দেয়া হবে না। মানুষের চলার জন্য নতুন এক হাজার বাস দিয়েছিলাম, তাও পুড়িয়ে ফেলেছে বিএনপি- জামায়াত। রেল, লঞ্চ, প্রাইভেট গাড়ি কোনো কিছুই বাদ যায়নি।
বুধবার রাজধানীর নীমতলিতে স্থাপিত শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউট উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন বন্ধের নামে বিএনপি-জামায়াত ৫৩২টি স্কুল পুড়িয়ে দেয়। তাদের জ্বালাও-পোড়াওয়ে মারা যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কমপক্ষে ২৮-২৯ জন সদস্য।
এ সকল পোড়া মানুষকে ভালো রাখার জন্য সাধ্যমত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান জাতির জনকের কন্যা।
তিনি বলেন, প্রথমে ২১ বছর, পরে ৮ বছর ক্ষমতার বাইরে আওয়ামী লীগ না থাকলে বাংলাদেশ আরো এগিয়ে যেত।
উল্লেখ্য, উদ্বোধন করা ১২তলা বিশিষ্ট এই ভবনে আধুনিক সকল চিকিৎসা সরঞ্জাম রয়েছে। এ ছাড়া ৫ শ শয্যা, ৫০টি ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট এবং ১২টি অপারেশন থিয়েটার রয়েছে।
২০১৫ সালের ২৪ নভেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ ইনস্টিটিউট নির্মাণের অনুমোদন পায়। ২০১৬ সালের ৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

তারপর ২৭ এপ্রিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর এর নির্মাণ কাজ শুরু করে। দুই একর জমির ওপর ৯১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ইনস্টিটিউটটি নিমাণ করা হয়েছে।

681 total views, 2 views today

121,872 total views, 653 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,864 total views, 574 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .