শিরোনাম

দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও প্রত্যাশিত জয় বাংলাদেশের

রাজিব আহমেদ:

তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে আজ চট্রগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল দুইদল। টচে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং এর সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ক্যাপ্টেন মাশরাফী। সিন্ধান্ত সঠিক প্রমান করে বাংলাদেশ বোলাররা একের পর এক উইকেট আর ডট বল দিয়ে শুরু থেকেই চাপে রাখে সফরকারী জিম্বাবুইকে। তারপরও অভিজ্ঞ সিকানদার রাজা ও ব্রানডন টেইলর এর লড়াকু ব্যটিং এ ফাইটিং স্কোর পাই জিম্বাবুই। ৫০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৪৬ রানের সংগ্রহ পাই তারা। জবাব দিতে নেমে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৪৮ রানের ওপেনিং পার্টনারশিপ গড়ে ইমরুল ও লিটন। লিটন ৮৩ করে আউট হলে মোহাম্মদ মিঠুন ও মুশফিকুর রহিমের নান্দনিক ব্যটিং এ ২৯ বল আর ৭ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌছে যায় টাইগাররা। এদিন আর ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়নি আগের দিনের সেঞ্জুরিয়ান ইমরুলের। ৯০ রানে সিকান্দার রাজার বল লং অফে উড়িয়ে মারতে গিয়ে চিকুম্বুরার তালু বন্দি হন এ বাহাতি ওপেনার। ম্যাচ সেরা হয় ৪৫ রানে ৩ উইগেট নেওয়া সাইফুদ্দিন। এর মাধ্যমে ১ ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। এদিকে মুশফিকুর রহিমের জন্যও স্মরনীয় ম্যাচটি কারণ এদিন সব ধরনের আন্তজাতিক খেলা মিলে ১০০০০ রান পূর্ণ করে এ উকেটকিপার ব্যাটসম্যান।

72 total views, 2 views today

121,825 total views, 606 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,818 total views, 528 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .