শিরোনাম

সুমাত্রায় ১৮৯ যাত্রী নিয়ে বিমান বিধ্বস্ত,জাকার্তা বিমানবন্দরে স্বজনদের আহাজারি

biman acsiআন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রায় ১৮৯জন যাত্রী নিয়ে লায়ন এয়ারের একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। জাকার্তা থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরেই যাত্রীবাহী বিমানটি বিধ্বস্ত হয় বলে জানিয়েছেন বিমান কর্তৃপক্ষ। এতে
ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা থেকে ছেড়ে যাওয়া ১৮৯ জন যাত্রীবাহী একটি বিমান উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরেই বিধ্বস্ত হয়েছে। দেশটির জাতীয় উদ্ধারকারী সংস্থার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সোমবার সকালে দ্য লায়ন এয়ার ফ্লাইটের একটি বিমান জাকার্তা থেকে পঙ্কাল পিনাংয়ের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন বলছে, বোয়িং-৭৩৭ নামের বিমানটি জাকার্তা বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ২০ মিনিটে উড্ডয়ন করে। এর কিছুক্ষণ পর অর্থাৎ সকাল ৬টা ৩৩ মিনিটে ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার সংবাদ পাওয়ার পর উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে দেশটির জাতীয় উদ্ধারকারী সংস্থা।
দ্য লায়ন এয়ারের মুখপাত্র ধালাং মান্ডালা বলছেন, ‘আমরা এটা নিশ্চিত হয়েছি যে আমাদের একটি বিমান ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে বিমানটির অবস্থান এখনও চিহ্নিত করা যায়নি।’
ইন্দোনেশিয়ার কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় আজ সোমবার সকাল ৬টা ২০ মিনিটে জাকার্তা থেকে কম খরচের বিমান সংস্থা লায়ন এয়ার ওই ফ্লাইটটি উড্ডয়ন করে। কিছুক্ষণ পর বিমানটি যখন সমুদ্র অতিক্রম করছিল তখন এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল টাওয়ারের সঙ্গে এর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

আভ্যন্তরীণ রুটে চলাচলকারী ওই বিমানটি জাকার্তা থেকে সুমাত্রার পাংকাল পিনাং যাচ্ছিল। বিমানটিতে ১৭৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক, এক সদ্যজাত, ২ শিশু, ২ জন পাইলট ও ৫ জন কেবিন ক্রু ছিল। ধারণা করা হচ্ছে,বিমানটি জাভা সাগরে বিধ্বস্ত হয়েছে।
দেশটির জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার মুখপাত্র ইউসুফ লতিফ বলেন, ‘এটি নিশ্চিত যে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে।’
এয়ারলাইনের প্রধান নির্বাহী এডওয়ার্ড সিরাত রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা এই মুহুর্তে কোনো মন্তব্য করতে পারছি না। আমরা সব তথ্য সংগ্রহ করার চেষ্টা করছি।’
তানজং প্রিয়ক বন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্ধৃতি দিয়ে ইন্দোনেশিয়ান গণমাধাম্য জানায়, ‘টগবোটটি ধ্বংসাবশেষ পানিতে দেখেছে।’ এদিকে উদ্ধারকারীরা অভিযান শুরু করেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম।
এদিকে বিমানটি বিধ্বস্তের খবর পেয়ে যাত্রীদের স্বজনরা জাকার্তা বিমানবন্দরে গিয়ে ভিড় করছেন। অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

141 total views, 2 views today

121,814 total views, 595 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,807 total views, 517 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .