শিরোনাম

কুষ্টিয়া জজ কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট বুলুর ইন্তেকাল : বিভিন্ন মহলের শোক

buluস্টাফ রিপোর্টার : কুষ্টিয়া জজ কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট রেজাউল আলম বুলু আর নেই। তিনি সোমবার বেলা তিনটার দিকে সনো হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নানিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাহি রাজিউন)। তার জানাযার নামাজ বাদ মাগরিব তার নিজ বাসভবন রিজিয়া সাদ সেন্টার, কুষ্টিয়া অনুষ্টিত হয়। পরে মরহুমের লাশ তার নিজ জেলা নড়াইলে জানাজা শেষে দাফন করেন। তার মৃত্যুতে কুষ্টিয়ার আইনজীবিরা, বিভিন্ন পেশাজীবি ও জামায়াতের নেতৃবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোকবার্তায় জামায়াতের জেলা আমীর অধ্যক্ষ খন্দকার একেএম আলী মহসীন, সিনিয়র নায়েবে আমীর অধ্যাপক ফরহাদ হুসাইন, নায়েবে আমীর শাহজাহান আলী মোল্লা, সেক্রেটারী অধ্যাপক আবুল হাশেমসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন। নেতৃবৃন্দ মরহুমের আত্মার মাগফেরাতসহ শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন। তিনি ছাত্র জীবনে কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। মরহুম  এডভোকেট রেজাউল আলম বুলু বিভিন্ন সমাজ উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন।

3,265 total views, 2 views today

121,805 total views, 586 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,798 total views, 508 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .