শিরোনাম

এ্যাডভোকেট বুলুর মৃত্যুতে কুষ্টিয়া জেলা জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের গভীর শোক

কুষ্টিয়ার দিগন্ত ডেস্ক্র : কুষ্টিয়া জর্জ কোর্টের আইনজীবী ও কুষ্টিয়া জেলা বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি এ্যাডভোকেট রেজাউল আলম বুলু আর নেই। এ্যাডভুকেট বুলুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদশে জামায়াত ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির কুষ্টিয়া জেলা শাখা।

 

তিনি সোমবার বেলা তিনটার দিকে কুষ্টিয়ার সনো হসপিটালে চিকিৱসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নানিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাহি রাজিউন)। তার জানাযার নামাজ বাদ মাগরবি তার নিজ বাসভবন রাজিয়া সাদ সেন্টার, কুষ্টয়িা অনুষ্ঠিত হয়। পরে মরহুমের লাশ তার নিজ জেলা নড়াইলে জানাজা শেষে দাফন করেন।

তার মৃত্যুতে কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের  এক শোকর্বাতায় জামায়াতরে জেলা আমীর অধ্যক্ষ খন্দকার একেএম আলী মহসীন, সিনিয়ার নায়েবে আমীর অধ্যাপক ফরহাদ হুসাইন, নায়েবে আমীর শাহজাহান আলী মোল্লা, সেক্রেটারী অধ্যাপক আবুল হাশেম, কুমারখালী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আফজাল হুসাইন সহ অঙ্গ সংগঠনরে নেতাকর্মীরা শোক প্রকাশ করছেনে।

তারা মরহুমের আত্মার মাগফেরাত সহ শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন।। এbulu-180x300----ছাড়াও সাবেক জেলা সভাপতরি মৃত্যুতে এক শোক বার্তায় জেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি  ইমতিয়াজ আহমেদ , সেক্রেটারী মাসুদ পারভেজ, শহর শিবিরের সভাপতি, সাধারন সম্পাদক সহ ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা গভীর শোক প্রকাশ করছেনে।

তনি ছাত্র জীবনে ১৯৮৯ সালে কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতির দায়িত্ব পালনের সাথে সাথে  মরহুম এ্যাডভোকেট রেজাউল আলম বুলু বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন মূলক কাজের সাথেও জড়িত ছিলেন।

 

61 total views, 2 views today

121,855 total views, 636 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,848 total views, 558 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .