শিরোনাম

কন্ঠশিল্পী মনির খানকে নিয়ে এ কি বললেন গীতিকার লিয়াকত আলী বিশ্বাস !!

মাহমুদ খানঃ উপমহাশের একজন জনপ্রিয় গীতিকার নামে পরিচিত লিয়াকত আলী বিশ্বাস। তিনি তার জীবনে অসখ্য জনপ্রীয় গানের জন্ম দিয়েছেন।  মহান এই গীতিকারের লেখা গান গেয়ে আজ দেশে ও দেশের বাই অনেক কন্ঠশিল্পীই আজ জনপ্রিয়।
অথচ আজ দুপুরে মহান এই গীতিকার তার নিজ ফেসবুকে আইডিতে জনপ্রিয় কন্ঠশীল্পী মনির খানকে নিয়ে একটি পোষ্ট করেছেন তা নিচে তুলে ধরা হলো-45064131_355885678497780_5462692058227539968_n

একজন নন্দিত জনপ্রিয় কন্ঠ শিল্পী মনির খান এই উপমহাদেশে একজনই। আমার দৃষ্টিতে তিনি অত্যন্ত মেধাবী ও বিচক্ষণ। ভালো গান নির্বাচনে তিনি সবার সেরা ও অতুলনীয়। অনেকেই বলে থাকেন অমুক তাকে এই করেছেন তমুক তাকে এই করেছেন আর আমার একান্ত নিজস্ব বোধ থেকে বলছি তিনি তার যোগ্যতা দিয়েই আজ এ পর্যন্ত এসেছেন এবং তিনি আরো ভালো কিছু করবেন। বিধি আমার এ চোখ অন্ধ করে দাও , তুমি চক্ষু দিলা সর দেখিতে, তুমি আর বাজাইওন, পাথরে ঘষলে পাথর , আমিতো মরেও ভালবাসব, ও মেঘ তুমি বৃষ্টি দাও , তুমি কার লাগিয়া গাঁথরে সখি বকুল ফুলের মালা , কেন তুমি এতোটা পাষাণ , তারে ভালবাসিয়াছি, আমার ভালবাসা ফিরিয়ে দাও ইত্যাদি। আমার লেখা এরকম অসংখ্য জনপ্রিয় গান তিনি গেয়েছেন খুব সাবলীল ভাবে। এমন দরদ আর এমন আবেগ মিশানো গায়কি ভবিষ্যতে আর জন্মাবে কিনা সন্দেহ আছে। আমি তার সর্বাঙ্গিন মঙ্গল কামনা করি। চলবে —————গীতিকার লিয়াকত আলী বিশ্বাস

144 total views, 2 views today

121,795 total views, 576 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,788 total views, 498 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .