শিরোনাম

মুমিনুলের পর মুশির শতক

কুষ্টিয়ার দিগন্ত ডেস্ক্রmushfiq-mominul:  হকের পর ঢাকা টেস্টে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন মুশফিকুর রহিম।

সিলেটের প্রথম টেস্টে দলের পাশাপাশি নিজের বাজে পারফরমেন্সের পর রবিবার ঢাকা টেস্টে কথা বলছে মি ডিপেনডেবলখ্যাত মুশফিকের ব্যাট।

দলের বিপর্যয়ে হাল ধরার পাশাপাশি জিম্বাবুয়ের বোলারদের নাস্তানাবুদ করে ও ফিল্ডারদের সারা মাঠ দৌড়িয়ে চোখ ধাঁধানো সব শট খেলে সেঞ্চুরিতে পৌঁছান মুশফিক।

১০০তম বলে ৫০ ছোঁয়ার পর প্রায় অর্ধশত স্ট্রাইক রেটে সেঞ্চুরি পূরণ করেন মুশফিক। দিনের খেলা শেষে ১১১ রানে অপরাজিত মুশফিক।

এর আগে দলের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন মুমিনুল হক। দুঃসময়ের বৃত্ত ভেঙে দারুণভাবে ফেরা মুমিনুল দলকে শক্ত অবস্থানের পাশাপাশি তুলে নেন ক্যারিয়ারের সপ্তম টেস্ট শতক।

ঘাড়ের ওপর চেপে বসা জিম্বাবুয়ের বোলারদের বলের মতোই মাঠের চারদিকে ছড়িয়ে যেতে বাধ্য করেছেন। শেষে পর্যন্ত এই ব্যাটসম্যান ২৪৭ বলে ১৬১ রানে সাজঘরে ফেরেন।-ইউএনবি

29 total views, 2 views today

121,891 total views, 672 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,883 total views, 593 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .