শিরোনাম

‘চীনের চারপাশে ঘাঁটি বানিয়ে অপরাধ করছে আমেরিকা’

দিগন্তus-air-force অনলাইন ডেস্ক:

চীনের চারপাশ ঘিরে ঘাঁটি তৈরি করে অপরাধ সংঘটিত করছে আমেরিকা। কিন্তু সেই আমেরিকা আবার চীনকে ওই অঞ্চলে সামরিকীকরণের জন্য অভিযেুক্ত করছে। ইরানের প্রেস টিভিকে গতকাল (শনিবার) দেয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন মার্কিন খ্যাতনামা লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক জেমস পেত্রাস।

এর আগের দিন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছেন, দক্ষিণ চীন সাগরকে চীন সামরিকীকরণ করছে এবং বেইজিংয়ের উচিত এ ধরনের তৎপরতা বন্ধ করা। পম্পেওর এ বক্তব্য সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে জেমস পেত্রাস বলেন, “ওই এলাকা দিয়ে চীনের বাণিজ্য পথ রয়েছে কিন্তু চীনের আশপাশে আমেরিকার বহুসংখ্যক সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। এর মাধ্যমে আমেরিকাই সেখানে সামরিকীকরণ করেছে। কিন্তু এমন কোনো ঘটনা নেই যেখানে আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার আশপাশে চীন ঘাঁটি তৈরি করেছে। আমি মনে করি এটা একটা ষড়যন্ত্র, চীনকে অভিযুক্ত করে নিজেদের অপরাধ বেজইংয়ের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে।”

জেমস পেত্রাস আরো বলেন, “আমার মনে হয় অভিযোগ না করে বরং পম্পেও চীনে যেতে পারেন এবং তিনি চিহ্নত করতে পারেন কোথায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পথ আর চীন কোথায় সামরিকীকরণ করছে। আমেরিকা যে অভিযোগ করছে তার কোনো বাস্তবতা নেই।” চীন, উত্তর কোরিয়া ও আরো কয়েকটি দেশকে নিয়ে আমেরিকা আগ্রাসী নীতি নিয়েছে যারা আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যার সমাধান করতে আগ্রাহী।-পার্স টুডে

41 total views, 2 views today

121,810 total views, 591 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,803 total views, 513 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .