শিরোনাম

শামীম ওসমানের নতুন চ্যালেঞ্জ

ঢাকা অফিস: নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেছেন, আমার আগের সকল এমপি মিলে যদি আমার কাজের পঞ্চাশ ভাগ করে থাকে, আমি ইলেকশন করবো না। তাদেরকে বলেন এক মঞ্চে এসে সে হিসেব দিক। মুখে বললে হবে না। খাতা কলমে বলতে হবে।তিনি বলেন, আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি, আমার কাজের ৫০ ভাগের এক ভাগ কাজ যদি আপনারা করে থাকেন, আমি কথা দিলাম ইলেকশন করবো না।

ডযযযযযযয

রবিবার দুপুরে কাশিপুর ইউনিয়ণের হালিম সিকদারের বাড়িতে অনুষ্ঠিত ওঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওই এসব কথা বলেন তিনি।

শামীম ওসমান আরো বলেন, আমি সব সময় স্পষ্ট কথা বলি। আপনারা নিজেরা শুনেছেন খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাগলায় এক অনুষ্ঠানে বলে গেছেন শামীম ওসমান অত্যন্ত স্পষ্ট কথা বলেন। এ জন্য আমাকে বিভিন্ন সময় ঝামেলায় পড়তে হয়। আসলেই সত্যি করে বলছি সত্য যত ভয়ংকর বা আমার জন্য ক্ষতিকর হোক আমি তা প্রকাশ করতে ভয় পাই না। কারণ আমি একজনকেই ভয় পাই সে আমার সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ। আমি কসম খেয়ে বলছি । আমি আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পাই নাই । আর যা কাজ করি সবার আগে আল্লাহকে খুশী করতে করি। 

তিনি বলেন, আপনারা আমার নেত্রীর দিকে তাকিয়ে দেখেন, নিজ পরিবারকে হারিয়ে কত যন্ত্রনা নিয়ে, কত কষ্ট নিয়ে, কত হামলার শিকার হয়ে বাবার দেখা স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছেন। আমার নেত্রী প্রতিদিন কোরআন শরীফ পড়েন, তাহাজ্জুদ পড়েন। এ জন্য আল্লাহ তার হাতে এত নেয়ামত দিয়েছেন। সেই নেয়ামতেই আজ বাংলাদেশের সর্বত্র উন্নয়নের মহা কর্মযজ্ঞ চলছে। খোদ দেশ বরণ্যে আলেমরাও নেত্রীকে “কওমী জননী” আখ্যা দিয়েছেন।  ইতমধ্যে বর্হিবিশ্ব গত ১০ বছরে বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছে। এমন উন্নয়ন শুধু মহান পিতার কন্যা শেখ হাসিনার দ্বারাই সম্ভব। দেশের প্রত্যেকটি জেলাকে তিনি নিজের জেলা মনে করেন। ডিএনডি এলাকার মানুষের দুর্দশরা কথা শুনে এজেন্ডা না থাকা সত্ত্বেও নেত্রী ডিএনডি মানুষের জলাবদ্ধতা লাঘবে প্রায় ৫৬৭ কোটি টাকা বাজেট পাস করিয়ে দিয়েছেন। এ বাজেট লাগলে আরো বাড়বে।
তিনি অনুরোধ করে বলেন, আপনাদের কাছে আমার একটাই অনুরোধ। যে মানুষটি আপনার,  আমার এ দেশের মানুষের জন্য এত ত্যাগ স্বীকার করে কাজ করে যাচ্ছেন দোয়া তো তার প্রাপ্য।  আমি দোয়া ভিক্ষা চাই আমার নেত্রীর জন্য । তিনি যেন আপানদের দোয়ার আল্লাহ রসুলের দোয়ায় এবার ফের সরকার গঠন করে এ দেশকে স্বপ্নের দেশে পরিণত করতে পারেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইফউল্লাহ বাদল, সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী, জেলা আওয়ামী লীগের সহ দপ্তর সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, প্যানেল চেয়ারম্যান ও কাশিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আইয়ূব আলী, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোমেন শিকদার, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাফায়েত আলম সানি, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা এম ছাত্তার, যুবলীগ নেতা মো. শ্যামল প্রমুখ।

34 total views, 2 views today

121,819 total views, 600 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,812 total views, 522 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .