শিরোনাম

গণভবনে ঢোকার চেষ্টা আটক এক।। বাবা বলছে ছেলে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন

ঢাকা অফিসঃ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে প্রবেশের চেষ্টার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ । গত বুধবার (১৪ নভেম্বর) রাতে গণভবনের দুই নম্বর ফটকের সামনে থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ বলছে, তাঁর নাম এস এম রায়হান কবির (৩৫)।

রায়হান কবিরকে গতকাল শনিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর (সিএমএম) হাকিম আদালতে হাজির করে পাঁচ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে শেরেবাংলা নগর থানা-পুলিশ। আদালত দুই দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুর রশিদ সরকার প্রথম আলোকে বলেন, তিনি থানা-হেফাজতে আছেন ।্‌্‌্‌্‌্

গত শুক্রবার এসপিবিএন-২ এর এসআই নয়ন মিয়া বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় রায়হানকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আসামি করে মামলা করেন। এজাহারে বলা হয়, রায়হান হিজবুত তাওহীদের নেতা।

এজাহারে বাদী বলেন, ১৪ নভেম্বর রাত ১১টা ২০ মিনিটের দিকে জনৈক ব্যক্তি মোটরসাইকেলে (জামালপুর-ল-১১-০৬৩৭) নিজের দুই শিশুকে নিয়ে কর্তব্যরত ফোর্সদের না বলে গণভবনে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাঁকে আটক করেন।

পুলিশের রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে রায়হান অসংলগ্ন কথাবার্তা বলেন। অবশ্য আসামির আইনজীবী আদালতকে বলেন, রায়হান মানসিক সমস্যায় ভুগছেন।

রায়হানের বাবা এস এম এমদাদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর ছেলে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের একজন চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রমতে ওষুধও খাচ্ছেন ।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।

43 total views, 2 views today

121,885 total views, 666 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,877 total views, 587 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .