শিরোনাম

বিএনপি কীভাবে সাক্ষাৎকার নেবে, সেটি দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়: ফখরুল

দিগন্ত রিপোর্ট: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার কীভাবে নেয়া হবে, সেটি দলের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (১৮ নভেম্বর) বিএনপির মনোFakhrul9-নয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণকালে ভিডিও করফারেন্সের মাধ্যমে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এতে অংশ নেওয়ায় নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

এ বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘একজন দণ্ডিত, সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি দলীয় ফোরামে এ ধরনের বক্তব্য দিতে পারে কি না, সেটা আমি জাতির কাছে বলব। জাতির কাছে এর বিচার চাইছি। আর এ বিষয়ে ইলেকশন কমিশনেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

ওবায়দুল কাদের কথার পরিপ্রেক্ষিতে রোববার সন্ধ্যায় বিএনপির মহাসচিবের কাছ থেকে এ ধরনের মন্তব্য এলো।

রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রথম দিন রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিয়েছে দলটি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘ইসি নিজেরাই আচরণ ভঙ্গ করছেন। আমাদের দলের সাক্ষাৎকার কীভাবে নেব, এটা আমাদের সিদ্ধান্ত।’

মনোনয়নপ্রত্যাশীদের আপনারা কী নির্দেশনা দিচ্ছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে যেভাবে প্রস্তুতি দরকার সেভাবে প্রস্তুতি নিন। কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। সজাগ থাকতে হবে। একতরফা নির্বাচনের জন্য যেন কেন্দ্র দখলে নিতে না পারে।’

তিনি জানান, ‘প্রথম দিনে রংপুর বিভাগে ৩৩ আসনে ১৫৮ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে। রাজশাহী বিভাগে ৪১ আসনে ৩৬৮ জনের সাক্ষাৎকার চলছে।’

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও খালেদা জিয়ার মুক্তির অংশ হিসেবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে গেছে, জানিয়ে জোটটির মুখপাত্র মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সেই জন্য দলের আনুষ্ঠানিকতার কাজগুলো করছি। আজ আমাদের দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষৎকার গ্রহণ শুরু হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করছি না, অবাধ সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, যে নির্বাচনের জন্য আমরা দীর্ঘকাল আন্দোলন সংগ্রাম করছি। সরকার একতরফা, একদলীয় নির্বাচন করার পাঁয়তারা করে যাচ্ছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সমতল ক্ষেত্র এখনো তৈরি হয়নি। সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়নি। মিডিয়া নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে না। বিটিভি, সংবাদ সংস্থা, বেসরকারি গণমাধ্যমগুলো সরকারের তথাকথিত উন্নয়নগুলো প্রচার করছে। নিরপেক্ষতা বজায় রাখছে না। গ্রেপ্তার বন্ধ হয়নি। বার বার বলার পরও গ্রেপ্তার চলছে। দুর্ভাগ্য যে, এগুলো সুষ্ঠু নির্বাচনের ক্ষেত্রে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে।’

19 total views, 2 views today

121,835 total views, 616 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,828 total views, 538 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .