শিরোনাম

কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলার রায়ে পিতা-মাতা ও পুত্রসহ তিনজনের যাবজ্জীবন

kushtia riস্টাফ রিপোর্টার :: কুষ্টিয়ার কুমারখালীর চরবানিয়াপাড়া গ্রামে ওসমান গণি তুহিনকে (২৫) হত্যা মামলার রায়ে পিতা-মাতা ও পুত্রসহ তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অরূপ কুমার গোস্বামী এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো, কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়া এলাকার মৃত রাকাত আলী সর্দারের ছেলে মেজবার রহমান (৫৫), তার স্ত্রী মোছাঃ রঞ্জনা খাতুন (৪৮) ও পুত্র রইচ উদ্দিন (২৫)। রায় ঘোষণার সময় আসামি রইচ উদ্দিন বাদে বাকি দুইজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, জমি-জমা বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ১ জুন দুপুরে কুমারখালীর চরবানিয়াপাড়া গ্রামে প্রতিপক্ষের লোকজন ওসমান গণি তুহিনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতের মাধ্যমে হত্যা করে। এ ঘটনায় তুহিনের পিতা শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে কুমারখারী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দীর্ঘ তদন্ত শেষে আসামি মেজবার রহমান তার স্ত্রী রঞ্জনা খাতুন ও পুত্র রইচ উদ্দিনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। মামলাটি আদালতে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক আসামিদের বিরুদ্ধে ওই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। সরকার পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন সরকারী কৌশুলী এ্যাডভোকেট অনুপ নন্দী।

48 total views, 2 views today

121,883 total views, 664 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,875 total views, 585 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .