শিরোনাম

আওয়ামীলীগ নেতাআতাউর রহমান আতার দূর্ভোগ সম্বলতি এলাকা পরর্দিশন

kushtia ataur rahman ata8_nস্টাফ রপর্িোটার : কুষ্টযি়ার উন্নয়নরে রূপকার ও কুষ্টযি়া সদর আসনরে এমপি মাহবুব-উল-আলম হানফি এর  ভাই ও কুষ্টযি়া শহর আওয়ামী লীগরে সাধারণ সম্পাদক মোঃ আতাউর রহমান আতা বভিন্নি উন্নয়নমূলক র্কমকান্ডে অবদান রখেে চলছে।ে  মাহবুব-উল-আলম হানফি এর নর্দিশেে কুষ্টয়িা সদর আসনরে বভিন্নি এলাকার বভিন্নি সমস্যা নয়িে গণমানুষরে সাথে যোগাযোগ করনে। প্রতদিনিই মানুষরে সাথে মতবনিমিয় করনে। মানুষরে সমস্যার কথা শোননে। সমস্যার সমাধানরে চষ্টো করনে। প্রয়োজনে এমপরি সহযোগতিায় সবকছিু নষ্পিত্তরি চষ্টো করনে। এমনই একটি রাস্তার সমস্যা নয়িে সোমবার খুব ভোরে ছুটে যান কুষ্টয়িা সদর উপজলোর বড় আইলচারা গ্রাম।ে বড় আইলচারা বাক্সব্রীজ মোড় থকেে শুরু করে ডোমসাগাড়ী কাচা রাস্তার উপর দয়িে হটেে চলনে। রাস্তার অবস্থা দখেে হতবাক হন। এলাকাবাসীর দুর্ভোগ দূরীকরণে তনিি র্কতৃপক্ষরে সাথে আলাপ করে রাস্তাটি পাকা করার আশ্বাস দনে। এছাড়া তনিি এলাকার স্কুল, মসজদিরে বভিন্নি সমস্যার কথা শোননে এবং সমাধানরে আশ্বাস দনে। এ সময় উপস্থতি ছলিনে আইলচারা ইউনয়িন আ’লীগরে সভাপতি সাবকে ইউপি চয়োরম্যান মোতালবে হোসনে,ে সক্রেটোরী খাকছার আলী জোর্য়াদ্দার, ছামছদ্দীন মম্বের, আব্দুল আলীম মাষ্টার, হামজারুল ইসলাম, খালদি হাসান সপিাইসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তর্বিগ।

735 total views, 2 views today

121,933 total views, 714 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,924 total views, 634 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .