শিরোনাম

গোলাম মহসিন কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনে জাসদের প্রার্থী

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসন-৭৭, কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনে জাসদের নমিনেশন সংগ্রহ করেছেন গোলাম মহসিন। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, কুষ্টিয়া ইসলামীয়া কলেজের জনপ্রিয় ভিপি, ৯০ এর দশকে স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দানকারী কৃুবগজেলার অন্যতম এই ছাত্র নেতা বর্তমান জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ কুষ্টিয়া জেলার সভাপতির দায়িত্বে দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। গোলাম মহসিন তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, মহাজোট সরকারের নেতৃত্বে ক্রম অগ্রসরমান সমৃদ্ধির পথে ধাবিত বাংলাদেশের উন্নয়নকে অব্যহত রাখতে এই সরকারের বিকল্প নেই যা আজ ঐতিহাসিক ভাবেই প্রমানিত। দেশ এগিয়ে যাওয়ার এই ধারাকে টেকসই করতে সন্ত্রাস ও দূর্নীতি, সাম্প্রদায়িক জঙ্গী মুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন লালিত একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে কাফেলায় শরীক হতে চাই।  সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

62 total views, 2 views today

121,818 total views, 599 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,811 total views, 521 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .