শিরোনাম

ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত সামির পাশে কুষ্টিয়ার এসপি

এস এম জামাল : কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) এস এম তারভীর আরাফাত এবার এক অসহায় রোগীর পাশে দাঁড়ালেন।কুষ্টিয়া শহরের কালীশংকরপুর এলাকার বাসিন্দা ব্রেইন 46480504_1376843535785513_3323404453368823808_nটিউমারে আক্রান্ত ১০ বছরের শিশু রাফসান সামির উন্নত চিকিৎসার জন্য অর্থ সহায়তা প্রদান করেন তিনি।

সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম ফেসবুকের বিষয়টি জানতে পারেন পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা।

পরবর্তীতে খোঁজখবর নিয়ে তাকে সহযোগীতার হাত বাড়ান।

সোমবার সকালে পুলিশ লাইনে ডেকে রাফসান সামির পিতার মো: রাজু আহম্মদের হাতে এই অর্থ প্রদান করেন।

এসপি জানান, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেক্ই তার পাশে দাঁড়িয়েছি।

প্রসঙ্গত, কুষ্টিয়ার এই একনিষ্ঠ সাহসী পুলিশ কর্মকর্তা কুষ্টিয়ায় যোগদানের পর থেকেই আইনশৃঙ্খলায় রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে পুলিশের ভাবমুর্তি উজ্জল করেছেন।এতে করে সাধুবাধ জানিয়েছেন সর্বসাধারন।

28 total views, 2 views today

121,884 total views, 665 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,876 total views, 586 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .