শিরোনাম

কুমারখালীতে ইট ভাটায় অভিযান

লিপু খন্দকার ঃ 46436816_760370260975396_8562946945952251904_n
উপজেলার (কয়া) বর্তমান চরসাদিপুর ইউনিয়নের ঘোষপুর ভৈরবপাড়াতে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে অবৈধভাবে কৃষকের ফসলি জমি দখল পূর্বক ইট ভাটা স্থাপনের সংবাদ প্রকাশিত হবার পরের দিন অর্থাৎ আজ ১৯ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীবুল ইসলাম খানের নির্দেশে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি নুর এ আলম সরেজমিন তদন্তে গিয়ে প্রকৃত অবস্থা অবলোকন করেন। এসময় স্হানীয় চেয়ারম্যান সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি সরজমিন তদন্ত পূর্বক দুপক্ষের উপস্থিতিতে অভিযোগকারী মোঃ রজব আলীর জমি হারেজ এন্ড ব্রিকস এর স্বত্বাধিকারী শহিদ প্রামানিক গং এর দখলে থাকা অংশ দ্রুত গতিতে দখলমুক্ত করার নির্দেশ প্রদান করেন।

এদিকে শহিদ প্রামানিক সাংবাদিকদের জানান, রজব আলীর ক্রয়কৃত সম্পত্তি ভৈরবপাড়া মৌজার আর এস ৪২ নং দাগে ৫৯.৮০ শতক এবং আর এস ৪৩ নং দাগে ৬৬.০০ শতক চৌহদ্দি অনুযায়ী যেভাবে রেজিস্ট্রি করা আছে সরেজমিনে “আমি যেকোন সময় যেকোন ভাবে বুঝে দিতে প্রস্তুত আছি”।

১৪৪ ধারা ভঙ্গের বিষয়ে তিনি বলেন আমার ভাটার হয়তো কিছু অংশ তার মধ্যে থাকতে পারে সেটা এ্যাসিল্যান্ড সারের নির্দেশ অনুযায়ী সরিয়ে নিব কিন্তু স্থায়ী কোন স্থাপনা হারেজের জমির উপর করা হয়নি বা ১৪৪ ধার ভঙ্গ করা হয়নি সে জানায় আইনের প্রতি সে শ্রদ্ধাশীল। অবৈধ টিনের (ড্রাম) চিমনি কেন ব্যবহার করছেন এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন হাওয়া ভাটা করার জন্য প্রায় ৬ লাখ ইটের প্রয়োজন হয় সেকারনে টিনের চিমনি করে ইট তৈরী করছেন।

30 total views, 2 views today

121,846 total views, 627 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,839 total views, 549 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .