শিরোনাম

কুষ্টিয়াতে আ’লীগের মনোনয়ন লড়াইয়ে চাচী-ভাতিজা

কুমারখালী (কুষ্টিয়া) সংবাদদাতা : কুষ্টিয়া-৪ (খোকসা-কুমারখালী) আসনে মনোনয়ন লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছেন একই পরিবারের সদস্য চাচী ও ভাতিজা। গত শনিবার তারা আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। তারা হলেন বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর মহান মুক্তিযুদ্ধের আঞ্চলিক সংগঠক শহীদ গোলাম কিবরিয়ার পুত্রবধু সাবেক সংসদ সদস্য সুলতানা তরুণ ও ভাতিজা ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ।

সুলতানা তরুণের স্বামী আবুল হোসেন তরুণ খোকসা ও কুমারখালী উপজেলার মানুষের মিয়াভাই খ্যাত জনপ্রিয় নেতা ও সংসদ সদস্য ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর ২০০১ সালে এই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান সুলতানা তরুণ। সে সময়ে এই আসনে বিএনপি’র প্রার্থী বিজয়ী হয়। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে পুনরায় সুলতানা তরণকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হলে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তাঁকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়নি। কিন্তু এবার তিনি দলীয় মনোনয়ন  পেতে অনেক আগে থেকেই মাঠে নামেন এবং মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সরকারের উন্নয়নের কথা বলে গণসংযোগ শুরু করেন। গত শনিবার তাঁর দেবর কুমারখালী পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো: সামছুজ্জামান অরুন দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে শহীদ গোলাম কিবরিয়ার মেঝো ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ হোসেন কিরণের ছেলে ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। পেশাগত কারণে বেশিরভাগ সময় ঢাকায় থাকার কারণে খুব একটা মাঠে নামতে পারেন নাই তিনি। তবে শহর ও গ্রামাঞ্চলে তাঁর ছবি সম্বলিত ব্যানার ফেষ্টুন দেখাগেছে। ঐতিহ্যবাহী আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ শহীদ গোলাম কিবরিয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান। তিনি নিজেই এবার দলীয় মনোনয়ন চাইবেন। এ জন্য দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দিয়েছেন। উল্লেখ্য, ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জের মা মমতাজ বেগম বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ কুমারখালী শাখার সভানেত্রী ও পাবলিক লাইব্রেরীর সাধারণ সম্পাদক। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রীর এক আত্মীয়ের সাথে জর্জের বোনের বিয়ে হয়েছে।লীগ

77 total views, 1 views today

121,472 total views, 253 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,497 total views, 207 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .