শিরোনাম

প্রার্থীতা ঘোষণার পরই জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার শুরু

দিগন্ত ডেস্ক্র: 365942_166আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আসনে সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যক্ষ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী পুনরায় প্রার্থী হচ্ছেন। তাকে প্রার্থী করার ব্যপারে ২০ দলীয় জোটের গ্রীন সিগনাল পেয়ে নেতা-কর্মীরা মাঠে তৎপর হতে শুরু করেছেন।

কিন্তু, পুলিশ নেতা-কর্মীদের হয়রানি করছে বলে জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। কানাইঘাট থানা পুলিশ নেতা-কর্মী ও সমথর্কদের গ্রেপ্তার করতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বাসা-বাড়ীতে অভিযান শুরু করায় আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। পুলিশী নির্যাতনের ভয়ে অনেকে বাসা-বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন।

 

গত শনিবার পুলিশ শিবির নেতা শাকির আহমদ (২৬), জুলাই দাখিল মাদ্রাসার সুপার, জামায়াতের রাজনীতির সাথে জড়িত মোহাম্মদ আলী (৪৮) ও ব্যবসায়ী জামায়াত কর্মী আজমল শেখ (৪৮) এবং গত রোববার মাদ্রাসা শিক্ষক জামায়াত কর্মী শিব্বির আহমদ (৩৫), ফাযিল পরীক্ষার্থী শিবির কর্মী শাহাজাহান সাহেদ (২৫ ও জামায়াত কর্মী ছিদ্দিক আহমদ (৬৫) কে গ্রেপ্তার করে।

থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ নুনু মিয়া জানান, গ্রেপ্তারকৃত জামায়াত শিবিরের ৬ নেতা-কর্মীকে বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলার আসামী দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে পুলিশ জেল হাজতে পাঠিয়েছে। তার অভিযোগ, গ্রেপ্তারকৃত জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত।

অপরদিকে উপজেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে কোন ধরনের মামলা নেই। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরও পুলিশ প্রতিদিন জামায়াত-শিবির ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাসা বাড়ীতে গিয়ে হয়রানি এমনকি শিক্ষক ও পরীক্ষার্থীদের গ্রেফতার করছে।

তাদের অভিযোগ, নির্বাচনী মাঠে আওয়ামীলীগকে একতরফা সুযোগ করে দিতে পুলিশ উদ্দেশ্যেমূলকভাবে ইসির নির্দেশকে উপেক্ষা করে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার, হয়রানী ও নির্যাতন করে যাচ্ছে। এব্যাপারে তারা নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে

36 total views, 2 views today

121,910 total views, 691 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,902 total views, 612 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .