শিরোনাম

জনগনের পাশেই থাকতে চাই- মনির খান

মাহমুদ খানঃ

বিএনপির চেয়ারপার্সন  বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে খুলনা বিভাগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকারের আগ এবং পর মুহূর্তে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ঝিনাইদহ-৩ (মহেশপুর ও কোটচাঁদপুর) এর মনোনয়ন প্রত্যাশি কন্ঠশিল্পী মনির খান।

এসময় কুষ্টিয়ার দিগন্তকে মনির খান বলেন- আমি গানে গানে যেমন মানুষের মন জয় করেছি, তেমনিই সততার সাথে আগামী সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হয়ে মানুষের জন্য কাজ করতেন চাই । দেশে সুস্থ সাংস্কৃতি, শিক্ষা, বেকারত্ব দূরকরন নিয়ে কাজ করতে চান জনপ্রিয় এই কন্ঠশিল্পী।

অনেকেই মনে করছেন দেশে সুস্থ সাংস্কৃতির জন্য জন্য মনির খানকে অবশ্যই প্রয়োজন।

মনির খান বলেন দলথেকে আশা করছি আমিই মনোনয়ন পাবো এবং সুস্থ নির্বাচন হলে অবশ্যই আমি নির্বাচিত হবো ইনশাল্লাহ।

এবং নির্বাচিত হয়ে আমি জনগনের পাশেই থাকতে চাই।

সুস্থ সাংস্কৃতির পক্ষে স্লোগান নিয়ে এগিয়ে চলা সামাজিক সংগঠন  মনির খান সংঘের সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম নয়ন বলেন দলমত নয় দেশে সুস্থ এবং ক্লিন সাংস্কৃতির জন্য মনির খানকে অবশ্যই দেশের মানুষ সংসদে দেখতে চাই।

মহেশপুর এবং কোটচাদপুর ঘুড়ে দেখা গেছে সারা দেশের ন্যায় এখানেও মনির খানের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে ।

এসময় ঝিনাইদহের বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন ।46439263_2135215600035805_253926150236012544_n

78 total views, 2 views today

121,809 total views, 590 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,802 total views, 512 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .