শিরোনাম

গুলশান কার্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্নের অভিযোগ

ঢাকা অফিসঃ বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশানস্থ কার্যালয়ে ইন্টারনেট ভিত্তিক সকল যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ হয়ে গেছে। আবার টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) স্কাইপি বন্ধ করে দেয়ার খবর পাওয়া গোছে। সরকার নিয়ন্ত্রিত বিটিআরসি ইন্টারভিত্তিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্কাইপির সেবা বন্ধ করে দিয়ে এক ঘৃন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন মন্তব্য করনে।366117_145

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশানস্থ কার্যালয়ে ইন্টারনেট ভিত্তিক সকল যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ হয়ে গেছে। এদিকে নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দিন সাহেব বলেছেন-বিএনপি’র মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কিছু করার নেই। তার এই বক্তব্যের পরপরই সরকার নিয়ন্ত্রিত বিটিআরসি কর্তৃক স্কাইপি বন্ধ করে দেয়াতে আবারও প্রমানিত হলো-নির্বাচনী মাঠ আওয়ামী জোটের একচেটিয়া দখলে থাকবে’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।

তিনি বলেন, টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) স্কাইপি বন্ধ করে দেয়ার খবর পাওয়া গোছে। সরকার নিয়ন্ত্রিত বিটিআরসি ইন্টারভিত্তিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্কাইপির সেবা বন্ধ করে দিয়ে এক ঘৃন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো।

ইতোমধ্যে বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশানস্থ কার্যালয়ে ইন্টারনেট ভিত্তিক সকল যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ হয়ে গেছে। এদিকে নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দিন সাহেব বলেছেন-বিএনপি’র মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কিছু করার নেই। তার এই বক্তব্যের পরপরই সরকার নিয়ন্ত্রিত বিটিআরসি কর্তৃক স্কাইপি বন্ধ করে দেয়াতে আবারও প্রমানিত হলো-নির্বাচনী মাঠ আওয়ামী জোটের একচেটিয়া দখলে থাকবে।

বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নমিনেশন প্রত্যাশীদের সাথে স্কাইপিতে কথা বলা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন নয়। কমিশন সচিব এ বিষয়টি নিশ্চিত করার পরও তড়িঘড়ি করে বিটিআরসি-কে দিয়ে স্কাইপি বন্ধ করে দেয়া সরকারের নিম্ন রুচির পরিচায়ক। সরকার আগামী জাতীয় নির্বাচনকে নিজেদের অনুকুলে নেয়ার জন্য ক্লান্তিহীনভাবে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করছে। বিএনপি’র নির্বাচনী প্রক্রিয়ার তৎপরতাকে বাধা প্রদান করার জন্য সরকার সবধরনের শক্তি প্রয়োগ করছে।

তিনি আরো বলেন, গুলশানস্থ বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে ইন্টার ভিত্তিক সকল যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ করতেই স্কাইপি বন্ধ করা হয়েছে। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের আওয়াজ ভেসে উঠলেই সরকার মূর্ছা যায়, আর সেজন্যই দুর থেকে ভেসে আসা শব্দকেও আটকানোর জন্য উঠেপড়ে লাগে। আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী সংকীর্ণ রাজনীতির বলয় থেকে কোনদিন বেরিয়ে আসতে পারবে না।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, সরকার ও সরকার প্রধান ভিন্ন মত, বিরোধী দল, বিরোধী কন্ঠস্বর নীরব করার জন্য সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। জনগনের নিরাভিমান আনুগত্যই শেখ হাসিনার কাম্য। যতদিন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকবে ততদিন গণতন্ত্রের ফাঁড়া কাটবে না এবং দেশ থেকে বিপদ দুর হবে না। সরকার কর্তৃক জনাব তারেক রহমানের কন্ঠের আওয়াজকে বাধা দেয়ার অর্থই হচ্ছে গণতন্ত্রের গলা টিপে ধরা। আর এজন্য স্কাইপি বন্ধ করা হয়েছে। আসলে সরকার বলপ্রয়োগ করেই ক্ষমতায় থাকতে চাচ্ছে, জনগণের সমর্থন নিয়ে নয়।

তথ্য সূত্র: নয়াদিগন্ত

20 total views, 2 views today

121,864 total views, 645 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,857 total views, 567 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .