শিরোনাম

কুষ্টিয়া-২ আসনে মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করলেন আব্দুল গফুর

46508288_2081450105503048_1302671255983357952_nস্টাফ রিপোর্টার : আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করেছেন কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যন ও উপজেলা জামায়াতের আমীর আব্দুল গফুর। রবিবার (১৮ নভেম্বর) মিরপুর উপজেলা সহকারী রিটানিং অফিসারের কার্যলয় থেকে মনোনয়ন পত্র উত্তোলন করেন। দীর্ঘদিন ধরে কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনের জনগণের চাওয়ার ভিত্তিতে তিনি মনোনয়ন ফরম তোলেন বলে জানান। সুষ্ঠুভাবে ভোট সম্পাদনের মাধ্যমে জনগণের চাওয়া পাওয়া পূরণ হবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ইতিমধ্যেই তিনি কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনের বিভিন্ন ইউনিয়নে বৈঠক ও গনসংযোগ করেছেন।
প্রসঙ্গত, কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যন ও উপজেলা জামায়াতের আমীর আব্দুল গফুর এর আগে উপজেলার আমলা ইউনিয়ন পরিষদে পরপর দুইবার ইউপি মেম্বর ও তিনবার চেয়ারম্যন নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি একবার মিরপুর উপজেলা পরিষদেরও চেয়ারম্যন নির্বাচিত হন।

এলাকার উন্নয়নে নিজের অবদানের কথা উল্লেখ করে বলেন, আমি আমলা ইউপি চেয়ারম্যান ও মিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। মসজিদ-মাদ্রাসার কাজ করেছি। আমার নির্বাচনী এলাকায় শিক্ষাবৃত্তির ব্যবস্থা করেছি। জনগণ যদি আমাকে নির্বাচিত করেন তাহলে জনগণের আমানত রক্ষার্থে সব্বোচ্চ চেষ্টা করবো।
এলাকার প্রতি আমার অবদান, ভালোবাসা দেখে এবার আমাকে এমপি হিসেবে দেখতে চায়। আমাকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করলে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে আনতে পারব বলে বিশ্বাস করি।
অধ্যাপক জোমারত আলী জানান, আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যদি অবাধ এবং সুষ্ঠ হয় তবে আব্দুল গফুর বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন বলে আমরা আশা করি।

159 total views, 2 views today

121,860 total views, 641 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,853 total views, 563 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .