শিরোনাম

কুষ্টিয়ায় ড্রাম ট্রাকে অতিরিক্ত বালু সরবরাহ, সড়কের ক্ষতি

এস এম জামাল : কুষ্টিয়ায় ড্রাম ট্রাকে অতিরিক্ত বালু সরবরাহ করার ফলে সড়ক ভেঙ্গে জরাজীর্ন ও চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

প্রতিনিয়ত অবাধে অবৈধ ভারী ড্রাম ট্রাকে জেলা থেকে বিভিন্ন উপজেলা ও অন্যান্য জেলায় সরবরাহ হয়ে থাকে।


কিন্তু এসব ড্রাম ট্রাকের চালকেরা কোন কিছু তোয়াক্কা করে না। এছাড়াও অতিরিক্ত বালি ওভারলোড করার ফলে পথচারীদের সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে প্রকট।
জজজজজজজজ

কুষ্টিয়ার মঙ্গলবাড়ীয়া এলাকার জুগিয়া ভাটাপাড়া থেকে মন্ডলপাড়া, বারখাদা ত্রিমোহনী,চাড়ুরিয়অ তালবাড়ীয়া,ভাটাপাড়া থেকে কানাবিল সড়ক ভেঙ্গে জরাজীর্ণ ও খানাখন্দতে পরিণত হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।শুধু তাই নয় এসব সড়ক দিয়ে জ্বালানী কাঠ ভর্তি ট্রাক ওভার লোড হয়ে অবাধে চলাচলের ফলেও সড়ক ভেঙ্গে জরা জীর্ন ও খানা খন্দতে পরিণত হয়েছে।যা প্রশাসনের দেখভাল করার কথা থাকলেও অজ্ঞাত কারনে তা দেখা হয়না বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।সড়কে চলাচলকারীরা এসব ড্রাম ট্রাকের রাফ চালানোর কারনে জীবনের ঝুকি নিয়ে চলতে হয় প্রতিনিয়ত। এছাড়াও অতিরিক্ত বালি নেওয়ার ফলে উপরের ত্রিবল দিয়েও কোন কাজ হচ্ছে না। বালি চোখে পড়ে পথচারীসহ ছোটখাটো যানবাহন চালকেরা সড়ক দুর্ঘটনারও শিকার হচ্ছেন অনেকে।

তাই অনতিবিলম্বে এসব বিষয় খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি ভূক্তভোগী কুষ্টিয়াবাসীর।

38 total views, 2 views today

121,936 total views, 717 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,927 total views, 637 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .