শিরোনাম

ছাত্রলীগের শিক্ষার্থী সংলাপ ও নির্বাচনী কর্মিসভা শুরু

ঢাকা অফিস: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ‘শিক্ষার্থী সংলাপ ও নির্বাচনী কর্মিসভা’ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নির্বাচন নিয়ে কী ভাবছেন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে তাঁরা কোন বিষয়গুলো দেখতে চান, সেগুলো বের করে আনতে দুই সপ্তাহ ধরে এই কর্মসূচি চালিয়ে যাবে ছাত্রলীগ।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে শিক্ষার্থী সংলাপের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে এসব bsl-2কথা বলা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, নির্বাচনে অংশ নেবেন এমন রাজনৈতিক দলের ইশতেহারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভাবনার প্রতিফলন ঘটাতে এ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে ছাত্রলীগ। বাংলাদেশের লড়াকু জনগণের সিদ্ধান্ত গ্রহণের নির্ধারকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার উদ্দেশ্যে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ইচ্ছার প্রতিফলন হিসেবে এ আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২১ থেকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন দুটি করে বিশ্ববিদ্যালয় হলে (বাকি ১৬ হল) এ কর্মসূচি পালন করবে ছাত্রলীগ। এরপর ২৯ নভেম্বর থেকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অনুষদ ও ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থী সংলাপ ও কর্মিসভা করবে সংগঠনটি।

সাদ্দাম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, কর্মসূচির শিক্ষার্থী সংলাপ অংশটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় ও আসন্ন নির্বাচন নিয়ে কী ভাবছেন এবং আসন্ন নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে তাঁরা কোনো বিষয়গুলো দেখতে চান, সেগুলো বের করে আনার জন্যই এই কর্মসূচি৷

32 total views, 2 views today

121,909 total views, 690 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,901 total views, 611 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .