শিরোনাম

ন্যাড়া মাথার নায়িকা!

বিনোদন ডেস্ক্র: চরিত্রের প্রয়োজনে অভিনয়শিল্পীদের নাকি অনেক কিছু করতে হয়। তাই বলে নায়িকাকেও মাথা ন্যাড়া করতে হবে! ন্যাড়া মাথার নায়িকা কী করবেন? সম্প্রতি চরিত্রের প্রয়োজনে মাথা ন্যাড়া করেছেন হলিউডের জয়ি কিং। আর এ অবস্থায় চলাফেরা করতে গিয়ে নানা বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে তাঁকে।

গত রোববার জয়ি টুইটারে লিখেছেন তাঁর বিমানযাত্রার অভিজ্ঞতা। বিমানে উঠে বসার পর সহযাত্রী তাঁকে দেখে অস্বস্তি বোধ করেছেন। ভেবেছেন, মেয়েটা বুঝি ক্যানসার-আক্রান্ত। সে জন্য তাঁর সব চুল পড়ে গেছে। তাঁর পাশে বসলে যে কারও ক্যানসার হতে পারে! ঘটনা ভাগাভাগি করে জয়ি লিখেছেন, ‘বিমানে উঠে নিজের আসনে বসতেই লোকটা আমার দিকে ফিরে মোবাইল দিয়ে ছবি তুলল। তারপর সেটা পাঠিয়ে দিল তার স্ত্রীকে। সেখানে লিখেছে, “দেখো, এক ক্যানসারের রোগীর পাশে সিট পড়েছে।” কত বড় বোকা!’5823c8c04241506b48e088a3bd5350a9-5bf406b42e5fd

জয়ি জানিয়েছেন, চুলের প্রতি তাঁর কোনো প্রেম নেই। চুল না থাকলে কী হবে, সেসব নিয়ে এতটুকুও মাথাব্যথা নেই তাঁর। তিনি লিখেছেন, ‘অনেকেই জিজ্ঞেস করছে, তোমার ভয় লাগেনি? নার্ভাস লাগছে না? কিংবা তোমার সাহস আছে! আমি বলি, আরে ভাই সাহসের কী আছে! আমি তো কেবল চুল কেটেছি।’

এ বছরই মুক্তি পেয়েছে জয়ি কিং অভিনীত ছবি ‘দ্য কিসিং বুথ’। এর আগে তিনি অভিনয় করেছিলেন ‘দ্য কনজুরিং’, ‘স্লেন্ডার ম্যান’সহ আরও কয়েকটি ছবিতে। মার্কিন বিনোদন চ্যানেল হুলুর জন্য একটি অপরাধমূলক সিরিজের প্রয়োজনে মাথা ন্যাড়া করতে হয়েছে জয়িকে। ফক্স নিউজ

24 total views, 2 views today

121,808 total views, 589 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,801 total views, 511 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .