শিরোনাম

বিএনপির ঢালাও অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া যায় না: ইসি সচিব

দিগন্তাাাাাাাাা অনলাইন ডেস্ক:

ভোটে সম্পৃক্ত প্রশাসন ও পুলিশ নিয়ে বিএনপির ‘ঢালাও অভিযোগ’ আমলে নেওয়া হবে না বলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

তবে বিএনপি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করলে তা খতিয়ে দেখা হবে, বলেছেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে ‘লেভেলে প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরির অন্তরায় হিসেবে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে মঙ্গলবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ইসিতে পাঁচটি চিঠি পাঠান।

বিএনপির অভিযোগ ইসি সচিব হেলালুদ্দীনের বিরুদ্ধেও ছিল।

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে হেলালুদ্দীন বলেন, “সচিব ইসির মুখপাত্র। ইসি সচিবের আলাদা সত্ত্বা নেই। কমিশনই সব সিদ্ধান্ত সিদ্ধান্ত নেয়; সচিব তা বাস্তবায়ন করে ও সাচিবিক দায়িত্ব পালন করে।”

এছাড়া ৪৫ জেলার ‘মেনটর’ নিয়োগ আদেশ বাতিল; নেতাকর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন বন্ধ; প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ব্রিফিং; সব বিভাগীয় কমিশনার ও ডিআইজিকে প্রত্যাহারের দাবি করে বিএনপি।

ইসি সচিব বলেন, “৪৫ জন মেনটর নিয়োগ সংক্রান্ত আদেশ ১৩ নভেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ স্থগিত করেছে।”

তিনি বলেন, জেলা প্রশাসনে মেনটর নিয়োগ পূর্ব প্রচলিত। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এটা রুটিন কাজ। এ আদেশটি কমিশন অবহিত নয়। ৮ নভেম্বর আদেশটি করেছিল, ১৩ নভেম্বর স্থগিত করেছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে ব্রিফিং করার বিষয়টি কমিশন ‘অবহিত নন’ বলে জানান ইসি সচিব।

জেলা প্রশাসক, ডিআইজিসহ মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তা নিয়ে অভিযোগ ও রদবদলের বিষয়টি ঢালাওভাবে আমলে নেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।

“ঢালাও রদবদল প্রস্তাব ইসি গ্রহণ করবে না। অভিযেগ স্পেসিফিক হতে হবে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”-বিডিনিউজ

27 total views, 2 views today

121,796 total views, 577 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,789 total views, 499 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .