শিরোনাম

আরেকটি রেকর্ড গড়লেন ব্লাকষ্টার গেইল

দিগন্ত ক্রিকেট ডেস্ক্রঃ index ক্রিকেট দুনিয়ার সবার চেনামুখ ৩৯ বছর বয়সী ক্রিস গেইল এখন খেলছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এমজানসি সুপার লিগে (এমএসএল)।

সেখানে খেলতে নেমে আরেকটি রেকর্ডে নাম লিখান তিনি। বিশ্বের একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে ১০টি আলাদা টি-টোয়েন্টি লিগে খেলার কীর্তি গড়েন এই বাঁহাতি।

 

এখন পর্যন্ত গেইলের খেলা টি-টোয়েন্টি লিগগুলো হলো- আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগ (বালখ লিজেন্ডস),

এমজানসি সুপার লিগ (জজি স্টারস), ক্যারিবীয়ান প্রিমিয়ার লিগ

(জ্যামাইকা তালাওয়াহস, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টস),

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার রিগ (কলকাতা নাইট রাইডার্স,

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু এবং কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব

, পাকিস্তান সুপার লিগ (লাহোর কালান্দার্স এবং করাচি কিংস), বিগ ব্যাশ লিগ (সিডনি থান্ডার্স এবং মেলবোর্ন রেনেগেডাস), রাম স্ল্যাম টি-টোয়েন্টি (হাইভেল্ট লায়ন্স), ভাইটালিটি ব্লাস্ট (সমারসেট),

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বরিশাল বুলস, ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স

, চিটাগং ভাইকিংস এবং রংপুর রাইডার্স),

গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি কানাডা (ভ্যাঙ্কুভার নাইটস)

। টি- টোয়েন্টি ক্রিকেটে একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে ১০ হাজার করার কীর্তি গড়েছেন গেইল

। ৪০.২৫ গড় আর ১৪৮.২৩ স্ট্রাইরেটে ৩৫৪ ম্যাচে ১২ হাজার ৭৫ রান করেছেন তিনি।

সেঞ্চুরি আছে ২১টি! ইন্টারনেট।

22 total views, 2 views today

121,844 total views, 625 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,837 total views, 547 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .