শিরোনাম

বদি ও রানা মনোনয়ন পাচ্ছেন না : ওবায়দুল কাদের

ঢাকা অফিসঃ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমরা বিতর্ক এড়িয়ে যেতে চাই, বিতর্কের বাইরে যেতে চাই। যে দুইজন সংসদ সদস্যকে নিয়ে বিতর্ক আছে, কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে আবদুর রহমান বদি ও টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে আমানুর রহমান খান রানা তাদের মনোনয়ন দেয়া হয়নি।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরো বলেন, কক্সবাজারে বদিকে বাদ দিয়ে তার স্ত্রী শাহীনা আক্তার চৌধুরীকে এবং টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে রানার বাবা আতাউর রহমান খানকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। ঘরের সব কী অপরাধী? আপনি অপরাধী হলে আপনার মা-বাবা কে তার ভাগীদার? পরিবারের সবাই কী খারাপ লোক? বদির সম্পর্কে যে বিতর্ক আছে সে কী প্রমাণিত? আপনারা কেউ কী সেটা প্রমাণ করতে পেরেছেন?

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, সময়টা খুব সংবেদনশীল। রাজনৈতিক বিষয়ে আপনাদের সাথে আমার ভিন্নমত থাকতে পারে। কিন্তু তাই বলে কারও বক্তব্য ভিন্নভাবে প্রকাশ করবেন না। বক্তব্য বিকৃত করবেন না।366167_164

30 total views, 2 views today

121,900 total views, 681 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,892 total views, 602 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .