শিরোনাম

যশোর-১ : জামায়াতের প্রার্থী আজীজুর রহমানের জয় সময়ের ব্যাপার

যশোর প্রতিনিধিঃ  যশোর-১ (শার্শা) নির্বাচনী এলাকার প্রার্থী হিসেবে জামায়াত নেতা মাওলানা আজীজুর রহমানের মনোনয়নপত্র সংগ্রহের পর এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। তার পক্ষে সৃষ্টি হয়েছে গণজোয়ার। এমন একজন ন্যায়নিষ্ঠ, সরলপ্রাণ আলেমের বিজয় দেখতে চান এলাকাবাসী।

মাওলানা আজীজুর রহমানের বাড়ি শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া গ্রামে। তার জন্ম ১৯৫১ সালে। সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার হামিদপুর আলীয়া মাদরাসা থেকে ১৯৬৬ সালে দাখিল, ১৯৬৮ সালে আলিম, ১৯৭০ সালে ফাজিল পাশ করেন এবং ১৯৭৩ সালে কুষ্টিয়া কুওয়াতুল ইসলাম আলীয়া মাদরাসা থেকে কামিল পাশ করেন।

১৯৭২ সালের ২ মে বাগআঁচড়া ইউ366144_196নাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক পদে যোগদানের মধ্য দিয়ে তার কর্মজীবন শুরু। খুব দ্রুতই একজন সুশিক্ষক হিসাবে এলাকার সর্বশ্রেণীর মানুষের কাছে তিনি পরিচিত হয়ে উঠেন। সুনামের সাথে ৩৯ বছর ওই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা শেষে ২০১১ সালে ৩০ এপ্রিল তিনি অবসর নেন।

কিশোর বয়স থেকেই তিনি সমাজসেবামূলক কাজে নিবেদিত ছিলেন। মানবকল্যাণই হয়ে উঠে তার জীবনের লক্ষ্য। একজন বিন¤্র আলিম, সুশিক্ষক ও সমাজসেবক হিসাবে শার্শা থানার জাতি-ধর্ম ও দল-মত নির্বিশেষে সকল মানুষের কাছে তিনি প্রিয় হয়ে ওঠেন।

১৯৭৯ সালে তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। থানা জামায়াতের দায়িত্ব আসে তার উপর এবং সাত বছর পর ১৯৮৬ সালে যশোর জেলার আমির নির্বাচিত হন। ২৬ বছর দায়িত্ব পালন শেষে ২০১১ সালে ডিসেম্বরে আমিরের দায়িত্ব থেকে তিনি অব্যাহতি নেন। জেলা সীমান্তের এক গ্রামে বাস ও শিক্ষকতা করেও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে জেলা শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত তিনি ইসলাম, মানবতা ও সংগঠনকে সমন্বিত ভাবে বিস্তৃতির কাজ করেন।

৮০ ও ৯০ দশকসহ পরবর্তী দুই দশকেও গণঅধিকার আন্দোলনে জামায়াত উজ্জ্বল ভূমিকা পালন করে। সকল নির্বাচনেও জামায়াতের ভূমিকা ও ফলাফল খুবই অর্থবহ। তার নিরলস চেষ্টা ও পরিশ্রমে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মসজিদ, শিক্ষা ও সমাজসেবা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।

২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-১ শার্শা আসন থেকে ১৮ দল সমর্থিত প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করে মাত্র সাড়ে পাঁচ হাজার ভোটে তিনি পরাজিত হন।

দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে তা অসংখ্য ছাত্র সারা দেশে ছড়িয়ে রয়েছে। অনেকেই সরকারি-বেসরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। সামাজিক কর্মকা-ের কারণে শার্শাতে রয়েছে তার বিপুলসংখ্যক ভক্ত ও অনুসারী। বিশেষ করে প্রতিবছর চিকিৎসাশিবির ও চক্ষুক্যাম্প স্থাপন করে মানুষের সেবা দিয়ে আসছে। এ সব মানুষ মাওলানা আজীজুর রহমানকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। সকলেই চান তার সাফল্য। এ বারের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি একজন প্রার্থী। তার জয়ের ব্যাপারে এলাকাবাসী আশাবাদী।

27 total views, 2 views today

121,815 total views, 596 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,808 total views, 518 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .