শিরোনাম

দেখুন মাশরাফির প্রতিদ্বন্দ্বী কারা

নিজেস্ব প্রতিনিধিঃ আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করেনি আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ অনেক দল। এসব দলের মনোনয়ন কেনার পর প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার ও যাচাই-বাছাই চলছে দলীয়ভাবে। তবে এ মুহূর্তে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে ক্রিকেট তারকা মাশরাফি বিন মর্তুজার মনোনয়নের বিষয়টি। সত্যিই কি নড়াইল-২ আসন থেকে মাশরাফি মনোনয়ন পাচ্ছেন, নাকি অন্য কোনো আসনে? বিশেষ করে কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও ফেসবুকে মাশরাফির প্রার্র্থিতা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের লেখা366130_166লেখি এবং মন্তব্য করায় সবার মাঝে এ বিষয়ে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে মাশরাফি বা তার পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এমনকি আওয়ামী লীগের জেলাপর্যায়ের কোনো নেতার বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। এখন সব কিছু ছাপিয়ে ক্রিকেট মাঠের ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’-এর চেয়ে আলোচনার তুঙ্গে আছেন ‘রাজনীতি মাঠে’র মাশরাফি বিন মর্তুজা। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাশরাফির প্রার্থিতার বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা না হলেও ইতোমধ্যে তার পক্ষে নড়াইলে নির্বাচনী কাজ শুরু করেছেন ভক্তসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।এ দিকে, নড়াইল-২ আসনে কে হচ্ছেন মাশরাফির প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী? এ নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা ও আলোচনা।

 

বিশেষ করে ২০ দলীয় জোট তথা ঐক্যফ্রন্টের মনোনীত প্রার্থী, না অন্য দলের কেউ মাশরাফির প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হচ্ছেন? এ নিয়ে নির্বাচনী মাঠে তুমুল আলোচনা চলছে। অপর দিকে, গত ১৬ নভেম্বর (শুক্রবার) বিকেলে নড়াইলের লোহাগড়ার একটি বিনোদনকেন্দ্রে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে ওয়ার্কার্স পার্টির সমাবেশের পর থেকে নড়াইল-২ আসনে আওয়ামী লীগ বা মহাজোটের চূড়ান্ত প্রার্থিতার বিষয়ে নানা গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে আওয়াজ তুলেছেন, এ আসনে ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য শেখ হাফিজুর রহমান আবারো মনোনয়ন পাচ্ছেন। তবে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ও গ্রহণযোগ্য কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, নড়াইল-২ আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র কিনেছেনÑ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সহসভাপতি তবিবুর রহমান মনু জমাদ্দার, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার রিজভী জর্জ, নড়াইল-২ আসনের সাবেক এমপি মরহুম শরীফ খসরুজ্জামানের ছেলে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্মসম্পাদক শরীফ কাসাফুদ্দোজা কাফী, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ খুলনার সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা: শেখ মোহাম্মাদ আখতার-উজ-জামান, জেলা বিএনপির যুগ্মসম্পাদক খন্দকার ইজাজুল হাসান বাবু ও শাহরিয়ার আলম। এ ছাড়া, জোটের শরিক ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান ডক্টর ফরিদুজ্জামান ফরহাদও এ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী।

এ ছাড়া, ইসলামী আন্দোলন নড়াইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এস এম নাসির উদ্দীন এবং এনপিপির (ছালু) জেলা সভাপতি মনিরুল ইসলাম নিজ দলের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানিয়েছেন। যদিও প্রথম দিকে এনপিপির একাংশের কেন্দ্রীয় সভাপতি শেখ ছালাউদ্দিন ছালু নিজে নড়াইল-২ আসনে নির্বাচন করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন।

জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার রিজভী জর্জ বলেন, দলীয় মনোনয়ন কিনেছি। তরুণ প্রার্থী হিসেবে নড়াইল-২ আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি।
বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী শরীফ কাসাফুদ্দোজা কাফী বলেন, দলীয় মনোনয়নের ব্যাপারে আশাবাদী। এ ব্যাপারে গতকাল সোমবার (১৯ নভেম্বর) সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়েছে। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। বিএনপি নেতা মনিরুল ইসলাম বলেন, এবারের নির্বাচনে জোট থেকে মনোনয়ন না দিয়ে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেয়ার প্রত্যাশা করছি।

নড়াইলে বিএনপি শক্তিশালী অবস্থানে থাকা সত্ত্বেও বিগত ২০০১ সালে জোট থেকে মনোনয়ন দেয়ায় আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আসন্ন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানান তিনি।

এ দিকে, নড়াইল-২ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজাসহ ১৭ প্রার্থী আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। এরা হলেনÑ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া উপকমিটির সদস্য শিল্পপতি শেখ আমিনুর রহমান হিমু, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস, সাধারণ সম্পাদক নিজামউদ্দিন খান নিলু, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শেখ নূরুজ্জামান, জেলা আ’লীগের সহসভাপতি সৈয়দ আইয়ূব আলী, এস এম আসিফুর রহমান বাপ্পি, সাবেক সংসদ সদস্য এস কে আবু বাকের, শিল্পপতি বাসুদেব ব্যানার্জি, লোহাগড়া আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা লে. কর্নেল সৈয়দ হাসান ইকবাল, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হাসানুজ্জামান, রাশিদুল বাসার ডলার, অ্যাডভোকেট শেখ তরিকুল ইসলাম, যুব মহিলা লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শারমিন সুলতানা শর্মী, ঢাকা সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ নেতা মুন্সী কামরুজ্জামান কাজল, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান তাপস ও সুজন রহমান।

মহাজোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সভাপতি বর্তমান সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শেখ হাফিজুর রহমান ও জেলা জাতীয় পার্টির (এরশাদ) সভাপতি অ্যাডভোকেট ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ দলীয় মনোনয়নপত্র কিনেছেন। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগ নেতা শেখ আমিনুর রহমান হিমু বলেন, দলীয় মনোনয়ন কিনেছি। তবে মনোনয়ন কাকে দেবেন বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীই ভালো জানেন। সামর্থ্য অনুযায়ী আমি নড়াইলবাসীর জন্য সব সময় কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ। শুধু এমপি হওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে আমি এলাকায় ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন ধরনের উন্নয়ন করিনি, সবার স্বার্থেই কাজ করেছি। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস বলেন, দল যাকে মনোনয়ন চূড়ান্ত করবে; তার পক্ষেই আমরা কাজ করব। স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শেখ নূরুজ্জামান বলেন, নড়াইল-২ আসনে মনোনয়ন কিনেছি। দলীয় প্রধান জননেত্রী শেখ হাসিনা যাকে মনোনয়ন চূড়ান্ত করবেন, তার জন্য নির্বাচনী মাঠে নামব। জাপা নেতা ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ বলেন, রাজনীতির মাঠে নির্বাচনী প্রস্তুতি রয়েছে আমার। নড়াইল-২ আসনে রাজনৈতিক নেতারাই দলীয় মনোনয়ন পাবেনÑ এমনটি প্রত্যাশা করছি।

এ দিকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন কেনার পর মাশরাফিভক্তসহ দলীয় নেতাকর্মীরা তার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও যুব মহিলা লীগের আয়োজনে গত শনিবার বিকেলে নড়াইল সদর উপজেলার বেনাহাটি গ্রামে মাশরাফির জন্য ভোট চেয়ে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বক্তারা বলেন, মাশরাফি দলীয় মনোনয়ন কিনেছেন। আশা করছি, প্রধানমন্ত্রী মাশরাফিকেই নড়াইল-২ আসনে আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেবেন। এর আগে গত ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় নড়াইল শহরের চৌরাস্তা থেকে মাশরাফি বিন মর্তুজার জন্য মিছিল বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ ছাড়া, ১২ নভেম্বর বিকেলে নড়াইল সদর উপজেলার মাইজপাড়া বাজার এলাকায় ইউনিয়ন যুবলীগের আয়োজনে মাশরাফির পক্ষে নির্বাচনী প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। দলীয় নেতাকর্মীরা বলেন, আগামী ৩০ ডিসেম্বর সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মাইজপাড়া ইউনিয়নের কৃতী সন্তান হিসেবে মাশরাফি বিন মর্তুজার জন্য সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যাপারে আ’লীগ ও বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের একাধিক নেতাকর্মী বলেন, সৎ, ত্যাগী, উন্নয়নকামী ও তৃণমূলের সাথে নিয়মিত সম্পর্ক রাখেনÑ এমন নেতাকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার জন্য আমরা দলের কাছে দাবি জানাচ্ছি। এতে এলাকার উন্নয়ন হবে। নির্বাচিত সংসদ সদস্যের সাথে এলাকাবাসীর সম্পর্ক বজায় থাকবে।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নড়াইল-২ আসনে ভোটার সংখ্যা তিন লাখ ১৭ হাজার ৫১১ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার এক লাখ ৬০ হাজার ৬২৪ এবং পুরুষ ভোটার এক লাখ ৫৬ হাজার ৮৮৭ জন। নড়াইল ও লোহাগড়া পৌরসভাসহ এ আসনের অধীনে সদর উপজেলায় আটটি ইউনিয়ন এবং লোহাগড়ার ১২টি ইউনিয়ন রয়েছে। এ আসনে পাঁচবার আ’লীগ, দুইবার বিএনপি ও জাতীয় পার্টি এবং একবার মহাজোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী বিজয়ী হন। এবার একাদশ সংসদ নির্বাচনে কোন দলের প্রার্থী বিজয়ী হবেনÑ এটাই দেখার অপেক্ষায় আছেন নড়াইল-২ আসনের ভোটারসহ জনসাধারণ।

59 total views, 2 views today

121,879 total views, 660 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,871 total views, 581 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .