শিরোনাম

আমি এখনো মুক্ত নই : এরশাদ

ঢাকা অফিসঃ  ‘এই পার্টির জন্য আমার চেয়ে বেশি দুঃখ-কষ্ট কেউ সহ্য করে নাই। এখনো মামলা আছে আমার, একটা দিনও মুক্ত মানুষ ছিলাম না। এখনো নই।’ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনেই নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, ‘জাতীয় পার্টি জেগে উঠেছে।’

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত বলেন, ‘এবার জাতীয় পার্টির ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক মনোনয়ন বিক্রি হয়েছে। এটা আমার পার্টির জন্য, আমাদের সকলের জন্য সুখবর।’এইচ এম এরশাদ বলেন, ‘সবাইকে পার্টির স্বার্থে কাজ করতে হবে। ত্যাগ স্বীকারের মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে সবাইকে। জাতীয় পার্টি আবার জেগে উঠেছে। দলের স্বার্থে তিনি যাকে মনোনয়ন দেবেন, সে-ই মনোনয়ন পাবেন।’জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি তিনশ আসনে প্রার্থীদের যাচাই-বাছাই করেছি। এখানে আর কারো কোনো দায়িত্ব নেই। অন্যদের জবাবদিহি করতে হবে না। আমি দেখতে চাই, তিনশ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী রয়েছেন।’

এ সময় দশম জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ বলেন, ‘তরুণরাই পার্টিকে এগিয়ে নেবে।’ এদিকে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে, পরিকল্পনা অনুযায়ী সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান 366180_192জানান তিনি।

তথ্য সূত্রঃ নয়াদিগন্ত

18 total views, 2 views today

121,978 total views, 759 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,947 total views, 657 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .