শিরোনাম

নির্বাচনী পোস্টারে থাকছে খালেদার ছবি

দিগন্ত অনলাইন ডেস্ক: অনেকের মাঝে ছিলো হাজারো ধোয়াসা, নির্বাচনের প্রচারনাতে থাকছে কি দলের প্রধান কর্তার ছবি!!!

দুর্নীতির অভিযোগে দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সে প্রশ্নের মীমাংসা এখনও হয়নি; তবে দলীয় প্রার্থীদের পোস্টারে তার ছবি থাকলে তাতে আপত্তির কিছু দেখছে না নির্বাচন কমিশন।

বাংলাদেশের নির্বাচনী আইনে সংসদ নির্বাচনের পোস্টারে প্রতীক, প্রার্থী ও দলীয় প্রধানের ছবি ছাড়া অন্য কারও ছবি রাখার সুযোগ নেই।

খালেদা জিয়া ফৌজদারি মামলায় দণ্ডিত হলেও বিএনপির প্রার্থীদের পোস্টারে তার ছবি ব্যবহারে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “যদি কোনো রাজনৈতিক দল মনে করে যে, দলীয় প্রধানের ছবি রাখবে, সেটা রাখতে পারেন। আইনে এটা কিন্তু সেভাবে বর্ণনা করা নাই।”

সংসদ নির্বাচনের আচরণ বিধিমালার ৭ এর ৩ উপবিধিতে বলা হয়েছে- প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারের পোস্টার হবে সাদা-কালো রঙের। আয়তন হবে অনধিক ৬০ সেন্টিমিটার বাই ৪৫ সেন্টিমিটার। ব্যানারও হতে হবে সাদা-কালো রঙের। আয়তন হবে অনধিক ৩ মিটার বাই ১ মিটার। পোস্টার বা ব্যানারে প্রার্থী তার প্রতীক ও নিজের ছবি ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তির ছবি বা প্রতীক ব্যবহার করতে পারবেন না।

উপবিধি ৪ এ বলা হয়েছে, উপবিধি ৩ এ যা কিছুই থাকুক না কেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত হলে সেক্ষেত্রে তিনি কেবল তার বর্তমান দলীয় প্রধানের ছবি পোস্টারে ছাপতে পারবেন।

ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, এই নিয়ম অনুযায়ী আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা দলীয় প্রধান হিসেবে শেখ হাসিনা এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ছবি পোস্টারে ব্যবহার করতে পারবেন।

আর কমিশনের হাতে থাকা তথ্য অনুযাisয়ী খালেদা জিয়া এখনও বিএনপির প্রধান। সেক্ষেত্রে দলীয় প্রধান হিসেবে অন্য কারো ছবি ব্যবহারের সুযোগ নেই বিএনপির প্রার্থীদের।

তবে জোটভুক্ত হয়ে ভোট করলে জোট প্রধানের ছবি ব্যবহারের সুযোগ নেই বলে ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ২৮ নভেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময়, বাছাই ২ ডিসেম্বর ও প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৯ ডিসেম্বর।

সেক্ষেত্রে ১০ ডিসেম্বরের আগে আনুষ্ঠানিক প্রচারের কোনো সুযোগ নেই। ১০ ডিসেম্বর থেকে পোস্টার, ব্যানারের মত প্রচার সামগ্রীসহ প্রচারের সুযোগ পাবেন প্রার্থীরা। এর আগে কোনো ধরনের পোস্টার ব্যবহারের সুযোগ নেই।

পোস্টারের ছবি হতে হবে ‘পোট্রেইট’, কোনো অনুষ্ঠান, মিছিলে নেতৃত্বদান, প্রার্থনারত অবস্থার ছবি কোনো অবস্থায় ছাপানো যাবে না। ছবির আয়তন হবে সর্বোচ্চ ৬০ সেন্টিমিটার বাই ৪৫ সেন্টিমিটার।

কোনো প্রার্থীর নির্বাচনী প্রতীক দৈর্ঘ্য, প্রস্থ বা উচ্চতায় তিন মিটারের বেশি হতে পারবে না।

কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কেউ মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা ও মুদ্রণের তারিখবিহীন কোনো পোস্টার লাগাতে পারবেন না।

-বিডিনিউজ24

7,271 total views, 2 views today

121,930 total views, 711 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,921 total views, 631 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .