শিরোনাম

বাংলাদেশ অটো মেজর এন্ড হাসকিং মিল মালিক সমিতি কুষ্টিয়া জেলা শাখার কমিটি গঠন

দিগন্ত অফিস: বাংলাদেশ অটো মেজর এন্ড হাসকিং মিল মালিক সমিতি কুষ্টিয়া জেলা শাখার কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন বছরের জন্য এই কমিটির অনুমোদর দেয় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি। কমিটির সভাপতি হাজী আব্দুস সামাদ (স্বর্ণা অটো রাইচ মিল), সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এফএম বজলুর রহমান (বাজুমারা রাইচ মিল), ও লিয়াকত আলী (হরিপুর রাইচ মিল), সাধারন সম্পাদক জয়নাল আবেদীন প্রধান (মিয়া ভাই রাইচ মিল),যুগ্ম সাধারন সম্পাদক শামসুল আরেফীন ও আলহাজ্ব মহসিন বিশ্বাস (বিশ্বাস অটো রাইচ মিল),সাংগঠনিক সম্পাদক নুর মোহাম্মদ (গ্রাম সরকার অটো রাইচ মিল), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মো: আলী জিন্নাহ (সুবর্ণা অটো রাইচ মিল), দপ্তর সম্পাদক আক্কাস আলী (আলামীন রাইচ মিল), ও কোষাধ্যক্ষ আলহাজ্ব আবুল হোসেন সর্দ্দার, (সর্দ্দার রাইচ মিল)।
আজ 46511087_1377956092340924_1678604709700567040_nবুধবার দুপুরে সংগঠনের কার্যালয়ে এ উপলক্ষ্যে নবগঠিত কমিটির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আব্দুর রশীদকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

16 total views, 2 views today

121,817 total views, 598 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,810 total views, 520 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .