শিরোনাম

কুমারখালীতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেল শহীদ গোলাম কিবরিয়া পরিবার

নিজেস্ব প্রতিনিধিঃ 46634248_764069590605463_6141007663602860032_nআসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ৭৮ কুষ্টিয়া -৪ কুমারখালী – খোকসা আসনে সমস্ত জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন শহীদ গোলাম কিবরিয়ার পৌত্র ব্যারিষ্টার সেলিম আলতাফ জর্জ।

শহীদ গোলাম কিবরিয়া কুমারখালীর আওয়ামী লীগের গোড়া পত্তনকারী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের অত্যন্ত আস্থাভাজন সাবেক প্রাদেশিক পরিষদ, গণ পরিষদ ও জাতীয় সংসদ সদস্য ও কুমারখালী থানা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ গোলাম কিবরিয়া ১৯৭০ ও ১৯৭৩ সালে একই আসন হতে এমপি নির্বাচিত হন। গোলাম কিবরিয়া ১৯৭৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঈদগাহে ঈদের নামাজ রত অবস্থায় আততায়ীর গুলিতে নিহত হন। ১৯৭৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর শহীদ গোলাম কিবরিয়া আততায়ীর হাতে নিহত হবার পর তার বড় পুত্র আবুল হোসেন তরুন ১৯৭৫ সালে উপনির্বাচন ও ১৯৮৬ সালে সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আবুল হোসেন তরুন ১৯৯৭ সালের ৯ মার্চ ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হ্রদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। তার মৃত্যুর পর তার সহধর্মিণী বেগম সুলতানা তরুন ২০০৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৭৮, কুষ্টিয়া ৪ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘ সময় পর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারও কুমারখালীতে আওয়ামী লীগের গোড়াপত্তন কারী পরিবার শহীদ গোলাম কিবরিয়ার পৌত্র এবং মরহুম আলতাফ হোসেন কিরণের পুত্র সেলিম আলতাপ জর্জ মনোনয়ন পেলেন।

2,949 total views, 2 views today

121,925 total views, 706 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,916 total views, 626 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .