শিরোনাম

সড়ক দুর্ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানার এসআই নিহত

দিগন্ত ডেস্ক্রঃ 22-2সড়ক দুর্ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানার এসআই নিহত হয়েছেন।  রবিবার দুপুরে জেলার ইবি থানাধীন ভাদালিয়া বাজারের দিকে এই দূর্ঘটনা ঘটে । এই দুর্ঘটনায় আরো কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন।

নিহত এসআই মাসুদের বাড়ি ফরিদপুর জেলায়। তিনি কুষ্টিয়াসহ আশেপাশের জেলায় দীর্ঘদিন কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ জানায়, রবিবার দুপুর সোয়া ৪ টার দিকে কুষ্টিয়া মডেল থানার এসআই মাসুদ মোটরসাইকেলযোগে কুষ্টিয়ার অভিমুখে যাচ্ছিলেন। এ সময় সদর উপজেলার অন্তর্গত ভাদালিয়া বাজারের সন্নিকটে আকিজ গোডাউনের কাছে মালবোঝাই ট্রাকের (কুষ্টিয়া চ-০২-০০৯৪) চাকায় পিষ্ট হয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। ঘটনার পর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার পুলিশ ঘাতক ট্রাকসহ চালক খাইরুল ইসলাম ও সহকারী আলমগীর হোসেনকে আটক করে।

দুর্ঘটনায় এসআই মাসুদ নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ওসি রতন শেখ।

 

29 total views, 2 views today

121,816 total views, 597 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,809 total views, 519 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .