শিরোনাম

কুষ্টিয়াতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ আটক ৬ ডাকাত

নিউজ ডেস্ক্রঃ কুষ্টিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ছয় ডাকাত সদস্যকে আটক করেছে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ। এসময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত অস্ত্র-গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৭ নভেম্বর) গভীর রাতে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের আলামপুর এলাকা থেকে ডাকাতদের আটক করা হয়।

কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ নাসির উদ্দিন াাাাাা জানান, সোমবার গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি যে, কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের আলামপুর বালিয়াপাড়া পশুহাটের পাশে একটি ডাকাতদল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এমন সংবাদের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে আমরা ডাকাতদলকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলি। এসময় তাদের ৬ জনকে আটক করতে সমর্থ হয়েছি।

অভিযানে একটি দেশীয় একনলা ওয়ান শুটার গান, ৫ রাউন্ড গুলি ও তিনটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা ডাকাতি, ছিনতাই ও মোটরসাইকেল চুরির সাথে জড়িত।

আটককৃতরা হলেন, ঝিনাইদহ জেলার গোয়ালবাড়িয়া এলাকার ইমদাদুল হকের ছেলে ঝন্টু মিয়া (৪০), মহেশপুর থানার গোপালপুর স্কুলপাড়া এলাকার আবুল কালামের ছেলে মিকাইল হসেন (৩৬), কোটচাঁদপুর থানার ইকবাল হোসেনের ছেলে মামুন আল হাসান (৩৫), কোটচাঁদপুর কলেজপাড়া এলাকার আবু তালেব কারিগরের ছেলে লাভলু (২৫)।

এছাড়া বাকি দুইজন চুয়াডাঙ্গা জেলার রাজাপুর এলাকার শওকত আলীর ছেলে আতিয়ার রহমান ওরফে আতিয়ার (৩২) ও আকন্দবাড়িয়া এলাকার আব্দুল লতিফ বিশ্বাসের ছেলে মিলন হসেন (৩০)।

আটককৃতদের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানায় পুলিশ।

41 total views, 2 views today

121,828 total views, 609 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,821 total views, 531 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .