শিরোনাম

জামায়াতের আমিরসহ ৬ নেতাকর্মী আটক

দিগন্ত ডেস্ক:  বাগেরহাটে জেলা জামায়াত ইসলামীর আমিরসহ ছয় নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

গত শনিবার সকালে বাগেরহাট সদর উপজেলার চিতলী বৈটপুর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটক জামায়াত নেতা হলেন- বাগেরহাট জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রেজাউল করিম, জামায়াতকর্মী এমাদ উদ্দিন, মিজানুর রহমান, মনিরুজ্জামান, ছগির উদ্দিন এবং বদরুজ্জামান।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায় জানান, চিতলী বৈটপুর রাস্তার পাশে কয়েক জন ব্যক্তি অবস্থান করছে এমন খবর পেয়ে টহলে থাকা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) এবং মডেল থানা পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়।

পরে পুলিশ সেখান থেকে ছয়জনকে আটক করে। এসময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি পেট্রলবোমা, দু’টি চাপাতি এবং দেশি তৈরি বেশকিছু ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করে।hhhhh-23

তিনি আরও জানান, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার জন্য জামায়াতের আটক ওই নেতাকর্মীরা এসব পেট্রলবোমা, চাপাতি এবং দেশি তৈরি ধারালো অস্ত্র মজুত করছে বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।

74 total views, 1 views today

149,846 total views, 492 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    29,195 total views, 472 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .