শিরোনাম

বাংলাদেশ আজ জয় দিয়েই ওয়ানডে সিরিজ শুরু করতে চায়

ঢাকা অফিস: ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। এবার দলটির বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলেতে মাঠে নামবে টাইগাররা। আজ থেকে শুরু হওয়া তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে জয় দিয়েই শুরু করতে চায় বাংলাদেশ। অবশ্য মাঠে নামার আগে মানসিকভাবে এগিয়ে বাংলাদেশ দলই। কারণ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জয়ের সুখ স্মৃতি নিয়েই ওয়ানডে সিরিজ শুরু করবে টাইগাররা। আরো একটি কারণে এগিয়ে আছে টাইগাররা। টেস্টে না থাকলেও ওয়ানডে সিরিজে দলের হয়ে মাঠে নামবে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ও দেশের সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টায় শুরু হবে প্রথম ওয়ানডে।ddddd
তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই জয়ের টার্গেট বাংলাদেশের। ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আজ আত্মবিশ্বাসের সাথেই ওয়ানডে সিরিজ শুরু করবে টাইগাররা। ২০১২ সালে দেশের মাটিতে ও সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজ এবং চলতি সফরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ জয়ের সুখস্মৃতি রয়েছে টাইগারদের। তাই এমন সুখস্মৃতি নিয়ে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে নামবে মাশরাফির দল। ২০১২ সালে দেশের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিলো টাইগাররা। পাঁচ ম্যাচের ঐ সিরিজে ৩-২ ব্যবধানে জিতে নেয় বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজটি জিতেছে বাংলাদেশ। চলতি বছরের জুলাইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে তিন ম্যাচের সিরিজটি ২-১ ব্যবধানে জিতে মাশরাফির দল। এছাড়া  চলতি সফরে টেস্ট ফরম্যাটের দুই ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইওয়াশ করেছে সাকিব আল হাসানের দলটি। একচেটিয়া পারফরমেন্স করে দু’টি টেস্টই জিতে নেয় বাংলাদেশ। চট্টগ্রামে প্রথম টেস্টে ৬৪ রানে এবং ঢাকায় দ্বিতীয় ম্যাচে ইনিংস ও ১৮৪ রানে জয় পায় টাইগাররা। এই সিরিজ দিয়ে আবারো ওয়ানডেতে ফিরছেন দলের দুই সেরা তারকা সাকিব-তামিম। এশিয়া কাপ চলাকালীন ইনজুরিতে পড়েছিলেন তারা। তবে ইনজুরি থেকে সুস্থ হয়ে ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছেন সাকিব। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। ব্যাট-বল হাতে উজ্জল ছিলেন সাকিব। ব্যাট হাতে ১১৫ রান ও বল হাতে ৯ উইকেট শিকার করেন সাকিব। ফলে সিরিজ সেরাও হন তিনি। সাকিবের চিন্তা দূর হবার পর তামিমকে নিয়ে চিন্তিত ছিলো বাংলাদেশ। তবে বাংলাদেশের চিন্তা মুছে দেন তামিমও। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে ফিরে সেঞ্চুরি করেই নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেন। প্রস্তুতি ম্যাচে জয়ও পায় বাংলাদেশ। অপর দিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাংলাদেশ সফরটা মোটেও ভালো হয়নি। কারণ টেস্টে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে দলটি। এবার ওয়ানডে সিরিজ। ওয়ানডে সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে নেতৃত্ব দিবেন রোভম্যান পাওয়েল। নিয়মিত অধিনায়ক জেসন হোল্ডার ইনজুরির কারণে বাংলাদেশ সফরে আসেননি। তাই টেস্ট সিরিজে অনিয়মিত অধিনায়কের অধীনে খেলেছিলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টেস্ট ফরম্যাটে ক্যারিবীদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ওপেনার ক্রেইগ ব্রাফেট। টেস্টে হারলেও ওয়ানডে সিরিজে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া থাকবে দলটি। তাই জয়ের আত্মবিশ্বাসে থাকলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ নিয়ে সর্তক বাংলাদেশ। সিরিজটি বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে বলে মনে করেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা ও কোচ স্টিভ রোডস।
বাংলাদেশ দল : মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান (সহ-অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, সৌম্য সরকার, লিটন কুমার দাস, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, রুবেল হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান, মেহেদি হাসান মিরাজ, নাজমুল ইসলাম অপু, মোহাম্মদ মিথুন, সাইফ উদ্দিন, আবু হায়দার ও আরিফুল হক।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল : রোভম্যান পাওয়েল (অধিনায়ক), মারলন স্যামুয়েলস, ড্যারেন ব্রাাভো, রোস্টন চেজ, শাই হোপ, দেবেন্দ্র বিশু, চন্দরপল  হেমরাজ, শিমরন হেটমায়ার, কেমো পল, কাইরন পাওয়েল, ফ্যাবিয়ান অ্যালেন, কার্লোস ব্রাফেট, কেমার  রোচ, সুনীল অ্যামব্রিস ও ওশানে টমাস।

34 total views, 1 views today

149,842 total views, 488 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    29,191 total views, 468 views today

আজকের খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .