শিরোনাম
365942_166
বিএনপি জোটের মনোনয়ন পেলেন জামায়াতের যে নেতারা
22222222
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড প্রধান মি টু’ অভিযোগ থেকে মুক্তি পেলেন
93e52d8d6f7a4bdd5e19bc4450aeaea1-5bf44a319f2fe
তিমির পেটে কাপ, বোতল ও ব্যাগ
365942_166
প্রার্থীতা ঘোষণার পরই জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার শুরু
ডি
খালেদা জিয়া নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন: মির্জা ফখরুল
াাাাাাাাা
তারেকের আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, ইসিতে আ“লীগ
us-air-force
‘চীনের চারপাশে ঘাঁটি বানিয়ে অপরাধ করছে আমেরিকা’
biman acsi
সুমাত্রায় ১৮৯ যাত্রী নিয়ে বিমান বিধ্বস্ত,জাকার্তা বিমানবন্দরে স্বজনদের আহাজারি
No image found
ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
oooo
কিডনি বিক্রি করে বন্ধুর স্ত্রীকে বাঁচালেন এই খুনি

গুরুত্বপূর্ণ খবর

    বিএনপি জোটের মনোনয়ন পেলেন জামায়াতের যে নেতারা

    ঢাকা অফিসঃ ৩০ ডিসেম্বর আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ২০ দলীয় জোটের শরিক জামায়াতে ইসলামীকে ২৫টি আসন দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে ২০ দলীয় জোট সূত্রে এই খবর জানা গেছে।

    মনোনয়নপ্রাপ্তরা হলেন:

    ঠাকুরগাঁও-২ আসনে আব্দুল হাকিম, দিনাজপুর-১ আসনে মোহাম্মদ হানিফ, দিনাজপুর-৬ আসনে আনোয়ারুল ইসলাম, নীলফামারী-২ আসনে মনিরুজ্জামান মন্টু, নীলফামারী-৩ আসনে আজিজুল ইসলাম, রংপুর-৫ আসনে গোলাম রব্বানী, গাইবান্ধা-১ আসনে মাজেদুর রহমান সরকার, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে রফিকুল ইসলাম খান, পাবনা-৫ আসনে ইকবাল হুসাইন, ঝিনাইদহ-৩ আসনে মতিউর রহমান, কুমিল্লা-১১ আসনে সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের, কক্সবাজার-২ আসনে হামিদুর রহমান আজাদ, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে শামসুল ইসলাম।

    যশোর-২ আসনে আবু সাঈদ মুহাম্মদ শাহাদত হোসাইন, বাগেরহাট-৩ আসনে আব্দুল ওয়াদুদ, বাগেরহাট-৪ আস365942_166নে আবদুল আলিম, খুলনা-৫ আসনে মিয়া গোলাম পরওয়ার, খুলনা-৬ আসনে আবুল কালাম আযাদ, সাতক্ষীরা-৩ আসনে রবিউল বাশার, সাতক্ষীরা-২ আসনে আব্দুল খালেক, সাতক্ষীরা-৪ আসনে গাজী নজরুল ইসলাম, পিরোজপুর-১ আসনে শামীম সাঈদী, সিলেট-৫ আসনে ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, সিলেট-৬ আসনে হাবিবুর রহমান ও ঢাকা-১৫ আসনে শফিকুর রহমান।

    ২০১৩ সালের ১ আগস্ট জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল ও অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন হাইকোর্ট। গত ২৮ অক্টোবর জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তাই দল হিসেবে নির্বাচন করার সুযোগ নেই জামায়াতের। তবে জামায়াত নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কিংবা নিবন্ধিত অন্য কোনো দলের প্রার্থী হয়ে সেই দলের প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে পারবেন। এ বিষয়ে ৯ নভেম্বর ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, অনিবন্ধিত কোনো দল নিবন্ধিত কোনো দলের সঙ্গে জোটগতভাবে নির্বাচন করতে চাইলে ইসির কিছু করার থাকবে না। এই বিষয়ে আইনে কোনো ব্যাখ্যা নেই।

    তথ্যসূত্র- প্রথম আলো।

    576 total views

    ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড প্রধান মি টু’ অভিযোগ থেকে মুক্তি পেলেন

    নিজেস্ব প্রতিনিধিঃ হ্যাশট্যাগ মি টু দারুণ ধাক্কা দিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেটে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) প্রধান নির্বাহী রাহুল জোহরির বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছিলেন সাবেক এক সহকর্মী, যার রেশ ধরে টালমাটাল অবস্থায় পড়ে গিয়েছিলেন জোহরি। এমনকি আইসিসি সভাতেও যোগ দেওয়া হয়নি তাঁর। আজ সেই অভিযোগ থেকে মুক্তি পেয়েছেন বোর্ডপ্রধান।

    বিসিসিআইয়ের প্রধান নির্বাহী22222222র বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠার পর তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটিই যাচাইবাছাই ও পর্যবেক্ষণ শেষে আজ রায় দিয়েছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট জানাতে গিয়ে বিচারক রাকেশ শর্মা জোহরির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ বলে অভিহিত করেন। কমিটির সদস্য বারখা সিংও এই অভিযোগকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বানোয়াট’ বলেন। এর ফলে বিসিসিআইয়ের প্রশাসনে দায়িত্ব চালিয়ে যেতে আর বাধা রইল না জোহরির।

    এর আগে একজন ভুক্তভোগী দাবি করেছিলেন, চাকরির কথা বলে বাসায় ডেকে তাঁকে হেনস্তা করেছেন জোহরি। জোহরি তখন এখন শীর্ষ স্যাটেলাইট চ্যানেলের বিক্রয় বিভাগের প্রধান ছিলেন। টুইটারে লেখা সে অভিযোগে বলা হয়েছিল, ‘রাহুল জোহরি: বিসিসিআইয়ের বর্তমান প্রধান নির্বাহী, ডিসকভারি চ্যানেলের সাবেক কর্মকর্তা। রাহুল সাবেক সহকর্মী ছিলেন। রাজের বাসায় পার্টিতে, মিডিয়াতে সফল ব্যবসা গড়ার সময় এবং বিভিন্ন চ্যানেলে কাজ করার পুরো সময়টায় আমার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল।’

    মেসেজে দাবি করা হয়েছিল, একবার একটি চাকরি নিয়ে আলোচনার সময় জোহরি তাঁকে বাসায় যাওয়ার প্রস্তাব দেন। অভিযোগ দেওয়া নারীর দাবি, জোহরির স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর পরিচয় ছিল। এর আগে দেখা করেছেন, দুজনকে বাসায় দাওয়াত করে খাইয়েছেন।

    দুজনে যখন বাসার কাছে পৌঁছালেন, তখন জোহরি পকেট থেকে চাবি বের করতেই সন্দেহ হয়েছিল তাঁর। জিজ্ঞাসা করেছিলেন, স্ত্রী বাসায় নেই এটা কেন জানাননি জোহরি। জবাবে বর্তমান ক্রিকেট বোর্ড কর্মকর্তা বলেছিলেন, এটা জানানোর মতো কিছু না। বাসায় ঢুকে পানি চাইলে প্যান্ট নামিয়ে জোহরি এগিয়ে আসেন এবং হয়রানি করেন।

    কয়েক দিনের ব্যবধানে আজ এই সব অভিযোগ থেকে মুক্তি পেলেন জোহরি।

    184 total views

    তিমির পেটে কাপ, বোতল ও ব্যাগ

    আর্ন্তজাতিক ডেস্ক্র: ইন্দোনেশিয়ার ন্যাশনাল পার্কের কাছের উপকূলে ভেসে আসা তিমির পেট থেকে ৬ কেজি প্লাস্টিক বর্জ্য উদ্ধার করা হয়েছে। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, উদ্ধার করা বর্জ্যের মধ্যে আছে কাপ, বোতল ও ব্যাগ।

    সোমবার রাতে ইন্দোনেশিয়ার উপকূলে ভেসে আসে ৩১ ফুট লম্বা একটি তিমি। ঢেউয়ে ভেসে আসা মৃত তিমির পেটে স্যান্ডেল, পানির কাপসহ প্লাস্টিকের বিশাল স্তূপ পাওয়া গেছে। ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ সুলাওয়েসির ওয়াকাতবি ন্যাশনাল পার্কের কাছ থেকে সাড়ে নয় মিটার লম্বা মৃত তিমিটি উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিয়ে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্লাস্টিক দূষণকারী দেশটির পরিবেশবিদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

    ইন্দোনেশিয়ার এক কর্মকর্তা বলেন, ‘তিমিটির মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও আমরা যা দেখলাম তা সত্যিই উদ্বেগজনক।’93e52d8d6f7a4bdd5e19bc4450aeaea1-5bf44a319f2fe

    পার্কটির প্রধান হেরি স্যানটোসো বলেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ গ্রুপ ডব্লিউডব্লিউএফ এবং পার্কের সংরক্ষণ অ্যাকাডেমি তিমিটির পেট থেকে পাঁচ দশমিক নয় কেজি প্লাস্টিকের বিভিন্ন জিনিস বের করে। এর মধ্যে ছিল ১১৫টি প্লাস্টিকের কাপ, চারটি প্লাস্টিকের বোতল, ২৫টি প্লাস্টিকের ব্যাগ, দুটি স্যান্ডেল, একটি নাইলনের ব্যাগ। এ ছাড়া হরেক রকম সহস্রাধিক প্লাস্টিকের টুকরাও পাওয়া যায়।

    ডব্লিউডব্লিউএফ-ইন্দোনেশিয়ার সমন্বয়ক দাউই সুপ্রাপ্তি বলেন, আমরা তিমিটির মৃত্যুর কারণ শনাক্ত করতে পারছি না। কিন্তু যে বিষয়টি দেখা গেছে, তা খুবই ভয়াবহ। যদি এর মৃত্যুর কারণ এই প্লাস্টিকই হয়, তাহলে কোনোভাবেই এটি উপেক্ষা করা যাবে না।

    এ বছরের জানুয়ারিতে সায়েন্স নামক এক জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৬ কোটি মানুষের দেশ ইন্দোনেশিয়া চীনের পর বিশ্বে দ্বিতীয় শীর্ষ প্লাস্টিক দূষণকারী দেশ। প্রতিবেদনে বলা হয়, অব্যবস্থাপনার কারণে প্রতি বছর দেশটিতে ৩২ লাখ টন প্লাস্টিক বর্জ্য জমা হয়, যার প্রায় ১৩ লাখ টনের শেষ জায়গা হয় সাগর।

    গত মাসে সুইজারল্যান্ডের বেসরকারি দাতব্য সংস্থা দ্য ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফান্ড ফর ন্যাচারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মানুষের ব্যবহৃত পণ্য ও বর্জ্য নিঃসরণের কারণে ভয়াবহ হুমকির মুখে রয়েছে প্রাণিজগৎ। বিজ্ঞানীদের দাবি ১৯৭০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত শুধু এই কারণেই ৬০ শতাংশ প্রাণী বিলুপ্ত হয়েছে।

    গত জুনেও থাইল্যান্ড উপকূলে ভেসে আসা মৃত একটি তিমিরর পেট থেকে ৮০টি প্লাস্টিক ব্যাগ উদ্ধার করা হয়েছিল।

    432 total views

    প্রার্থীতা ঘোষণার পরই জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার শুরু

    দিগন্ত ডেস্ক্র: 365942_166আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আসনে সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যক্ষ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী পুনরায় প্রার্থী হচ্ছেন। তাকে প্রার্থী করার ব্যপারে ২০ দলীয় জোটের গ্রীন সিগনাল পেয়ে নেতা-কর্মীরা মাঠে তৎপর হতে শুরু করেছেন।

    কিন্তু, পুলিশ নেতা-কর্মীদের হয়রানি করছে বলে জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। কানাইঘাট থানা পুলিশ নেতা-কর্মী ও সমথর্কদের গ্রেপ্তার করতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বাসা-বাড়ীতে অভিযান শুরু করায় আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। পুলিশী নির্যাতনের ভয়ে অনেকে বাসা-বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন।

     

    গত শনিবার পুলিশ শিবির নেতা শাকির আহমদ (২৬), জুলাই দাখিল মাদ্রাসার সুপার, জামায়াতের রাজনীতির সাথে জড়িত মোহাম্মদ আলী (৪৮) ও ব্যবসায়ী জামায়াত কর্মী আজমল শেখ (৪৮) এবং গত রোববার মাদ্রাসা শিক্ষক জামায়াত কর্মী শিব্বির আহমদ (৩৫), ফাযিল পরীক্ষার্থী শিবির কর্মী শাহাজাহান সাহেদ (২৫ ও জামায়াত কর্মী ছিদ্দিক আহমদ (৬৫) কে গ্রেপ্তার করে।

    থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ নুনু মিয়া জানান, গ্রেপ্তারকৃত জামায়াত শিবিরের ৬ নেতা-কর্মীকে বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলার আসামী দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে পুলিশ জেল হাজতে পাঠিয়েছে। তার অভিযোগ, গ্রেপ্তারকৃত জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত।

    অপরদিকে উপজেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে কোন ধরনের মামলা নেই। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরও পুলিশ প্রতিদিন জামায়াত-শিবির ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাসা বাড়ীতে গিয়ে হয়রানি এমনকি শিক্ষক ও পরীক্ষার্থীদের গ্রেফতার করছে।

    তাদের অভিযোগ, নির্বাচনী মাঠে আওয়ামীলীগকে একতরফা সুযোগ করে দিতে পুলিশ উদ্দেশ্যেমূলকভাবে ইসির নির্দেশকে উপেক্ষা করে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার, হয়রানী ও নির্যাতন করে যাচ্ছে। এব্যাপারে তারা নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে

    272 total views

    খালেদা জিয়া নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন: মির্জা ফখরুল

    ঢাকা অফিসঃ ডিবিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    আজ সোমবার দুপুরে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণের বিরতিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন।

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতারা কে কী বললেন, তার ওপর খুব বেশি কিছু নির্ভর করে না। তিনি এখন পর্যন্ত নির্বাচন করার যোগ্য আছেন। খালেদা জিয়া নির্বাচন করতে পারবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।’

    বিএনপির এই নেতা বলেন, নির্বাচন কমিশন এখনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে পারেনি। তফসিল ঘোষণার পরেও বিএনপির নেতা–কর্মীদের গ্রেপ্তার অব্যাহত রয়েছে। সরকার একটি নেতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এভাবে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয় না।

    আজ গুলশান কার্যালয়ে বরিশাল ও খুলনা বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার চলছে। সকাল থেকে বরিশাল বিভাগের ১৮৩ জন মনোনয়নপ্রত্যাশী সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। দুপুরে বিরতির পর খুলনা বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শুরু হবে।

    288 total views

    তারেকের আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, ইসিতে আ“লীগ

    ঢাকা অফিসঃ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে আওয়ামী লীগ। আজ রোববার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের কাছে অভিযোগ জানায়।

    নির্বাচন কমিশন সচিবের কাাাাাাাাাাছে অভিযোগ দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ফারুক খান সাংবাদিকের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। এক প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘গত দুই দিনে দেশের জনগণের মতো আওয়ামী লীগও লক্ষ করছে, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘিত হচ্ছে। আজকে আমরাও দেখেছি, আপনারাও দেখেছেন, দেশের একজন পলাতক, দণ্ডিত আসামি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে স্কাইপে বা টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে কথা বলেছে। এটি সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন, এটি আদালত অবমাননার শামিল।’ তিনি আরও বলেন, কিছুদিন আগে নির্বাচন কমিশন বলেছে, গঠনতন্ত্র পরিবর্তন করে তারেক রহমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতে পারেন না। এটি নির্বাচনী ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে, নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    সাবেক মন্ত্রী ফারুক খান বলেন, ‘আমরা গতকাল শনিবার খুবই উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করেছি, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট যে নামেই হোক, বিএনপি-জামায়াত, তারা দিনব্যাপী সুপ্রিম কোর্টের মতো একটি আদালত প্রাঙ্গণে বসে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেছে। সেখানে এমন এমন কথা বলা হয়েছে, যেগুলো সম্পূর্ণভাবে নির্বাচন–পূর্ববর্তী আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এই লঙ্ঘনের মাধ্যমে ইতিমধ্যে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার একটা প্রয়াস হচ্ছে। এগুলো যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে নির্বাচন আরও প্রশ্নবিদ্ধ হবে।’ নির্বাচন কমিশন দ্রুত শক্ত পদক্ষেপ নেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর নির্মিত ডকুড্রামার বিষয়ে ফারুক খান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ওপর নির্মিত বিষয়টি বিনোদন মাধ্যমে দেখানো হচ্ছে। মানুষ টাকা খরচ করে এটি দেখছে, এখানে নির্বাচনী কোনো বিষয় নেই।

    এ সময় সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুসারে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কোনো বক্তব্য টেলিভিশন বা কোনো মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার বা টেলিকনফারেন্সিং করা যাবে না। এটি করে তারেক রহমান আদালতের আদেশ ভঙ্গ করার মাধ্যমে নির্বাচনী আচরণবিধিও ভঙ্গ করছেন। কারণ, নির্বাচনী আচরণবিধিতে আছে, দেশে বিদ্যমান সব আইন মেনে চলতে হবে। মহিবুল হাসান চৌধুরী আরও বলেন, বিএনপি যে কাজটি করছে, একজন দণ্ডিত আসামির দ্বারা সাক্ষাৎকার শুধু অবৈধ নয়, অনৈতিকও বটে।

    গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ করে মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, আদালত যেহেতু এই পলাতক ব্যক্তির বক্তব্য প্রচার না করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন, সে জন্য গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ রইল আদালতের আদেশ মেনে চলতে।

    আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    বিএনপির প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান প্রথম আলোকে জানান, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার আজ রোববার সকালে শুরু হয়। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেন লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সকাল নয়টার দিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

    গতকাল শনিবার বিকেলে জাতীয় আইনজীবী ঐক্যফ্রন্টের আয়োজনে আইনজীবীদের মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে। মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, একবার নির্বাচন বর্জন করে ভুগতে হয়েছে। তাই কোনো অবস্থাতেই এবার নির্বাচন বর্জন করবে না জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

    1,680 total views

    ‘চীনের চারপাশে ঘাঁটি বানিয়ে অপরাধ করছে আমেরিকা’

    দিগন্তus-air-force অনলাইন ডেস্ক:

    চীনের চারপাশ ঘিরে ঘাঁটি তৈরি করে অপরাধ সংঘটিত করছে আমেরিকা। কিন্তু সেই আমেরিকা আবার চীনকে ওই অঞ্চলে সামরিকীকরণের জন্য অভিযেুক্ত করছে। ইরানের প্রেস টিভিকে গতকাল (শনিবার) দেয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন মার্কিন খ্যাতনামা লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক জেমস পেত্রাস।

    এর আগের দিন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছেন, দক্ষিণ চীন সাগরকে চীন সামরিকীকরণ করছে এবং বেইজিংয়ের উচিত এ ধরনের তৎপরতা বন্ধ করা। পম্পেওর এ বক্তব্য সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে জেমস পেত্রাস বলেন, “ওই এলাকা দিয়ে চীনের বাণিজ্য পথ রয়েছে কিন্তু চীনের আশপাশে আমেরিকার বহুসংখ্যক সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। এর মাধ্যমে আমেরিকাই সেখানে সামরিকীকরণ করেছে। কিন্তু এমন কোনো ঘটনা নেই যেখানে আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার আশপাশে চীন ঘাঁটি তৈরি করেছে। আমি মনে করি এটা একটা ষড়যন্ত্র, চীনকে অভিযুক্ত করে নিজেদের অপরাধ বেজইংয়ের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে।”

    জেমস পেত্রাস আরো বলেন, “আমার মনে হয় অভিযোগ না করে বরং পম্পেও চীনে যেতে পারেন এবং তিনি চিহ্নত করতে পারেন কোথায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পথ আর চীন কোথায় সামরিকীকরণ করছে। আমেরিকা যে অভিযোগ করছে তার কোনো বাস্তবতা নেই।” চীন, উত্তর কোরিয়া ও আরো কয়েকটি দেশকে নিয়ে আমেরিকা আগ্রাসী নীতি নিয়েছে যারা আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যার সমাধান করতে আগ্রাহী।-পার্স টুডে

    312 total views

    সুমাত্রায় ১৮৯ যাত্রী নিয়ে বিমান বিধ্বস্ত,জাকার্তা বিমানবন্দরে স্বজনদের আহাজারি

    biman acsiআন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রায় ১৮৯জন যাত্রী নিয়ে লায়ন এয়ারের একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। জাকার্তা থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরেই যাত্রীবাহী বিমানটি বিধ্বস্ত হয় বলে জানিয়েছেন বিমান কর্তৃপক্ষ। এতে … সম্পূর্ণ খবর …

    1,112 total views

    ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

    ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

    ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

    *বিশ্বব্যাংকের ২০১৮ সালের মানবসম্পদ সূচক প্রকাশ
    *সূচকে ১৫৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১০৬ তম
    *ভারত ও পাকিস্তান যথাক্রমে ১১৫ ও ১৩৪ তম
    *মানবসম্পদ উন্নয়নে বাংলাদেশ ভালো করেছে
    *বাংলাদেশের আরও ভালো করার সুযোগ আছে

    ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার বিদ্যমান মান বিবেচনা করলে বাংলাদেশের শিশুরা ভারত ও পাকিস্তানের শিশুদের চেয়ে বেশি উৎপাদনশীল হবে। বিশ্বব্যাংকের ২০১৮ সালের মানবসম্পদ সূচকে এই চিত্র পাওয়া গেছে। এই সূচক অনুযায়ী, ১৫৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১০৬ তম। ভারত ও পাকিস্তান যথাক্রমে ১১৫ ও ১৩৪তম।

    ইন্দোনেশিয়ার বালিতে চলমান বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) যৌথ বার্ষিক সভায় গতকাল বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাংক এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। বিশ্বব্যাংক বলেছে, মানবসম্পদ উন্নয়নে বাংলাদেশ ভালো করেছে। আরও ভালো করার সুযোগ আছে। কেননা, প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় এগিয়ে থাকলেও অন্য দেশগুলো আরও অনেক ভালো করছে।

    পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুমৃত্যুর হার, শিশুদের স্কুলে পাঠ গ্রহণের সময়কাল, শিক্ষার মান, প্রাপ্তবয়স্কদের অন্তত ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে থাকা এবং শিশুদের সঠিক আকারে বেড়ে ওঠাসহ বেশ কয়েকটি সূচক দিয়ে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। আদর্শ শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসুবিধা পেলে একটি শিশু প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে শতভাগ উৎপাদনশীলতা দেখাতে পারে। কিন্তু নিজ নিজ দেশে ভিন্ন ভিন্ন মানের সুযোগ-সুবিধা অনুযায়ী বেড়ে ওঠে শিশুরা। তাই সবাই সমানভাবে শতভাগ উৎপাদনশীলতা দেখাতে পারে না।

    বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের একজন শিশু বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা পেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে গড়ে ৪৮ শতাংশ উৎপাদনশীলতা দেখাতে পারবে। আদর্শ শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসুবিধা পেলে তারা শতভাগ কর্মদক্ষতা দেখাতে পারত, সেখানে তারা অর্ধেকের কম দেখাতে পারবে। অন্যদিকে ভারত ও পাকিস্তান এ ক্ষেত্রে আরও পিছিয়ে। ভারতের শিশুরা ৪৪ শতাংশ ও পাকিস্তানের শিশুরা ৩৯ শতাংশ কর্মদক্ষতা দেখাতে পারবে।

    পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সদস্য শামসুল আলম গতকাল রাতে প্রথম আলোকে বলেন, এক দশক ধরেই সরকার মানবসম্পদ উন্নয়নে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। প্রতিবছর শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকার বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। এ জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে, যা মেধাসম্পদ তৈরি করছে। এর প্রতিফলন দেখা গেছে বিশ্বব্যাংকের এই প্রতিবেদনে। তিনি জানান, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য একটি কর্মপরিকল্পনা ঠিক করা হয়েছে। সেখানে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ থেকে ৪ শতাংশ শিক্ষা খাতে এবং ২ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে খরচ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। সেই লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

    যেখানে এগিয়ে বাংলাদেশ
    স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে শিশুদের সুরক্ষার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ এগিয়ে। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে যত শিশু জন্ম নেয় এবং পাঁচ বছর বয়স হওয়ার পর ৯৭ শতাংশ শিশুই বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বা উপযোগী থাকে। নবজাতক ও শিশুমৃত্যুর হার কমাতে বেশ সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে ভারতে এমন প্রতি ১০০ শিশুর মধ্যে ৯৬ শিশু বেঁচে থাকে। পাকিস্তানে এই হার ৯৩ শতাংশ।

    বাংলাদেশের একটি শিশু ৪ বছর বয়সে পড়াশোনা শুরু করে ১৮ বছর পার হওয়ার আগে গড়ে ১১ বছর শিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় থাকে। অন্যদিকে ভারতের শিশু ১০ দশমিক ২ বছর ও পাকিস্তানের শিশু ৮ দশমিক ৮ বছর স্কুলশিক্ষা পায়।

    বাংলাদেশের ১৫ বছরের বেশি বয়সী শিশু-কিশোরদের মধ্যে গড়ে ৮৭ শতাংশ কমপক্ষে ৬০ বছর বেঁচে থাকবে। ভারতের ৮৩ শতাংশ শিশু-কিশোর কমপক্ষে ৬০ বছর বেঁচে থাকবে। আর পাকিস্তানের ৮৪ শতাংশ শিশু-কিশোরেরা এই বয়সসীমা পার করবে।

    ১০০ বাংলাদেশি শিশুর মধ্যে ৬৪ জন যথাযথ উচ্চতা নিয়ে বেড়ে ওঠে। প্রতি ১০০ জনে ভারতে তা ৬২ জন ও পাকিস্তানে ৫৫ জন। বিশ্বব্যাংক বলছে, এই ধরনের খর্বাকৃতি জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত বয়ে বেড়াতে হয়।

    বিশ্বব্যাংক তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ মানবসম্পদ উন্নয়নে বেশ ভালো করছে। বিশ্বব্যাংক মনে করে, খর্বাকৃতি ও মানসম্পন্ন শিক্ষার অভাবই বাংলাদেশের শিশুদের ভবিষ্যৎ গড়তে বড় বাধা হিসেবে কাজ করে। কোনো দেশের শিশুরা যদি ভবিষ্যতে অর্ধেক উৎপাদনশীলতা দেখাতে পারে, তাহলে ওই দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সম্ভাবনা অর্ধেকই হারিয়ে যায়।

    অন্যরা আরও ভালো
    বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে ১৫৭টি দেশের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এই তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার ছয়টি দেশ আছে। বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। দক্ষিণ এশিয়ার শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলায় সবচেয়ে এগিয়ে আছে শ্রীলঙ্কা। দেশটি ৭৪ তম স্থানে। শ্রীলঙ্কায় শিশুদের উৎপাদনশীলতা হবে ৫৮ শতাংশ। এরপর নেপালের অবস্থান ১০২ তম। নেপালের শিশুদের উৎপাদনশীলতা ৪৯ শতাংশ। আর ১৩৩ তম স্থানে থাকা আফগানিস্তানের শিশুদের উৎপাদনশীলতার হার ৩৯ শতাংশ।

    বিশ্বব্যাংকের সূচকে শীর্ষ তিনটি স্থানেই এশিয়ার তিনটি দেশ। প্রথম স্থানে থাকা সিঙ্গাপুরের শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসুবিধা এমন যে তারা ভবিষ্যতে ৮৮ শতাংশ উৎপাদনশীলতা দেখাতে পারবে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে আছে যথাক্রমে কোরিয়া ও জাপান। ওই দেশেরই শিশুদের উৎপাদনশীলতা ৮৪ শতাংশ। বিশ্বব্যাংকের সূচকে সবচেয়ে খারাপ, মানে ১৫৭ তম স্থানে আছে আফ্রিকার দেশ শাদ। দেশটির শিশুরা ভবিষ্যতে মাত্র ২৯ শতাংশ কর্মদক্ষতা দেখাতে পারবে।

    বিশ্বব্যাংক বলছে, এখন সারা বিশ্বে যত শিশু জন্ম নেবে, এর ৫৬ শতাংশই তাদের অর্ধেক উৎপাদনশীলতা হারিয়ে ফেলবে। কেননা ওই সব দেশের সরকার নিজ নিজ দেশের ভবিষ্যৎ মানবসম্পদ গড়ে তোলার জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য খাতে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ করতে পারছে না।

     

     

     

     

    *বিশ্বব্যাংকের ২০১৮ সালের মানবসম্পদ সূচক প্রকাশ
    *সূচকে ১৫৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১০৬ তম
    *ভারত ও পাকিস্তান যথাক্রমে ১১৫ ও ১৩৪ তম
    *মানবসম্পদ উন্নয়নে বাংলাদেশ ভালো করেছে
    *বাংলাদেশের আরও ভালো করার সুযোগ আছে

    ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার বিদ্যমান মান বিবেচনা করলে বাংলাদেশের শিশুরা ভারত ও পাকিস্তানের শিশুদের চেয়ে বেশি উৎপাদনশীল হবে। বিশ্বব্যাংকের ২০১৮ সালের মানবসম্পদ সূচকে এই চিত্র পাওয়া গেছে। এই সূচক অনুযায়ী, ১৫৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১০৬ তম। ভারত ও পাকিস্তান যথাক্রমে ১১৫ ও ১৩৪তম।

    ইন্দোনেশিয়ার বালিতে চলমান বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) যৌথ বার্ষিক সভায় গতকাল বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাংক এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। বিশ্বব্যাংক বলেছে, মানবসম্পদ উন্নয়নে বাংলাদেশ ভালো করেছে। আরও ভালো করার সুযোগ আছে। কেননা, প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় এগিয়ে থাকলেও অন্য দেশগুলো আরও অনেক ভালো করছে।

    পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুমৃত্যুর হার, শিশুদের স্কুলে পাঠ গ্রহণের সময়কাল, শিক্ষার মান, প্রাপ্তবয়স্কদের অন্তত ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে থাকা এবং শিশুদের সঠিক আকারে বেড়ে ওঠাসহ বেশ কয়েকটি সূচক দিয়ে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। আদর্শ শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসুবিধা পেলে একটি শিশু প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে শতভাগ উৎপাদনশীলতা দেখাতে পারে। কিন্তু নিজ নিজ দেশে ভিন্ন ভিন্ন মানের সুযোগ-সুবিধা অনুযায়ী বেড়ে ওঠে শিশুরা। তাই সবাই সমানভাবে শতভাগ উৎপাদনশীলতা দেখাতে পারে না।

    বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের একজন শিশু বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা পেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে গড়ে ৪৮ শতাংশ উৎপাদনশীলতা দেখাতে পারবে। আদর্শ শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসুবিধা পেলে তারা শতভাগ কর্মদক্ষতা দেখাতে পারত, সেখানে তারা অর্ধেকের কম দেখাতে পারবে। অন্যদিকে ভারত ও পাকিস্তান এ ক্ষেত্রে আরও পিছিয়ে। ভারতের শিশুরা ৪৪ শতাংশ ও পাকিস্তানের শিশুরা ৩৯ শতাংশ কর্মদক্ষতা দেখাতে পারবে।

    পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সদস্য শামসুল আলম গতকাল রাতে প্রথম আলোকে বলেন, এক দশক ধরেই সরকার মানবসম্পদ উন্নয়নে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। প্রতিবছর শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকার বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। এ জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে, যা মেধাসম্পদ তৈরি করছে। এর প্রতিফলন দেখা গেছে বিশ্বব্যাংকের এই প্রতিবেদনে। তিনি জানান, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য একটি কর্মপরিকল্পনা ঠিক করা হয়েছে। সেখানে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ থেকে ৪ শতাংশ শিক্ষা খাতে এবং ২ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে খরচ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। সেই লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

    যেখানে এগিয়ে বাংলাদেশ
    স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে শিশুদের সুরক্ষার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ এগিয়ে। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে যত শিশু জন্ম নেয় এবং পাঁচ বছর বয়স হওয়ার পর ৯৭ শতাংশ শিশুই বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বা উপযোগী থাকে। নবজাতক ও শিশুমৃত্যুর হার কমাতে বেশ সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে ভারতে এমন প্রতি ১০০ শিশুর মধ্যে ৯৬ শিশু বেঁচে থাকে। পাকিস্তানে এই হার ৯৩ শতাংশ।

    বাংলাদেশের একটি শিশু ৪ বছর বয়সে পড়াশোনা শুরু করে ১৮ বছর পার হওয়ার আগে গড়ে ১১ বছর শিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় থাকে। অন্যদিকে ভারতের শিশু ১০ দশমিক ২ বছর ও পাকিস্তানের শিশু ৮ দশমিক ৮ বছর স্কুলশিক্ষা পায়।

    বাংলাদেশের ১৫ বছরের বেশি বয়সী শিশু-কিশোরদের মধ্যে গড়ে ৮৭ শতাংশ কমপক্ষে ৬০ বছর বেঁচে থাকবে। ভারতের ৮৩ শতাংশ শিশু-কিশোর কমপক্ষে ৬০ বছর বেঁচে থাকবে। আর পাকিস্তানের ৮৪ শতাংশ শিশু-কিশোরেরা এই বয়সসীমা পার করবে।

    ১০০ বাংলাদেশি শিশুর মধ্যে ৬৪ জন যথাযথ উচ্চতা নিয়ে বেড়ে ওঠে। প্রতি ১০০ জনে ভারতে তা ৬২ জন ও পাকিস্তানে ৫৫ জন। বিশ্বব্যাংক বলছে, এই ধরনের খর্বাকৃতি জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত বয়ে বেড়াতে হয়।

    বিশ্বব্যাংক তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ মানবসম্পদ উন্নয়নে বেশ ভালো করছে। বিশ্বব্যাংক মনে করে, খর্বাকৃতি ও মানসম্পন্ন শিক্ষার অভাবই বাংলাদেশের শিশুদের ভবিষ্যৎ গড়তে বড় বাধা হিসেবে কাজ করে। কোনো দেশের শিশুরা যদি ভবিষ্যতে অর্ধেক উৎপাদনশীলতা দেখাতে পারে, তাহলে ওই দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সম্ভাবনা অর্ধেকই হারিয়ে যায়।

    অন্যরা আরও ভালো
    বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে ১৫৭টি দেশের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এই তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার ছয়টি দেশ আছে। বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। দক্ষিণ এশিয়ার শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলায় সবচেয়ে এগিয়ে আছে শ্রীলঙ্কা। দেশটি ৭৪ তম স্থানে। শ্রীলঙ্কায় শিশুদের উৎপাদনশীলতা হবে ৫৮ শতাংশ। এরপর নেপালের অবস্থান ১০২ তম। নেপালের শিশুদের উৎপাদনশীলতা ৪৯ শতাংশ। আর ১৩৩ তম স্থানে থাকা আফগানিস্তানের শিশুদের উৎপাদনশীলতার হার ৩৯ শতাংশ।

    বিশ্বব্যাংকের সূচকে শীর্ষ তিনটি স্থানেই এশিয়ার তিনটি দেশ। প্রথম স্থানে থাকা সিঙ্গাপুরের শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসুবিধা এমন যে তারা ভবিষ্যতে ৮৮ শতাংশ উৎপাদনশীলতা দেখাতে পারবে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে আছে যথাক্রমে কোরিয়া ও জাপান। ওই দেশেরই শিশুদের উৎপাদনশীলতা ৮৪ শতাংশ। বিশ্বব্যাংকের সূচকে সবচেয়ে খারাপ, মানে ১৫৭ তম স্থানে আছে আফ্রিকার দেশ শাদ। দেশটির শিশুরা ভবিষ্যতে মাত্র ২৯ শতাংশ কর্মদক্ষতা দেখাতে পারবে।

    বিশ্বব্যাংক বলছে, এখন সারা বিশ্বে যত শিশু জন্ম নেবে, এর ৫৬ শতাংশই তাদের অর্ধেক উৎপাদনশীলতা হারিয়ে ফেলবে। কেননা ওই সব দেশের সরকার নিজ নিজ দেশের ভবিষ্যৎ মানবসম্পদ গড়ে তোলার জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য খাতে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ করতে পারছে না।

     

    336 total views

    কিডনি বিক্রি করে বন্ধুর স্ত্রীকে বাঁচালেন এই খুনি

    নিউজ ডেস্ক্র:২০০৭ সালের দিকে মোবাইলের টাওয়ার বসানোকে কেন্দ্র করে রাগের মাথায় নিজের চাচাকে খুন করেন সুকুমারন নামের এক ব্যক্তি। এ ঘটনায় অনুতপ্ত হয়ে নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। যাবজ্জীবন সাজা হয় তার। আর এবার নিজের কিডনি বিক্রি করে সে টাকা দিয়ে বন্ধুর স্ত্রীর চিকিৎসা করালেন যাবজ্জীবন সাজা ভোগ করা এই কয়েদি। জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের মতো পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতেই নাকি এ কাজটি করেছেন তিনি।

    ooooএ ব্যাপারে সুকুমার জানান, প্রতিনিয়ত তিনি ভাবতেন কি করলে কৃতকর্মের প্রায়শ্চিত্ত করা যাবে। হঠাৎ একদিন খবরের কাগজে এক দম্পতির কিডনি দানের কথা পড়ে নিজের একটি কিডনি দান করে পাপের প্রায়শ্চিত্ত করবেন বলে মন স্থির করেন সুকুমারন। সে ইচ্ছার কথা জানিয়ে জেল কর্তৃপক্ষতে চিঠি লেখেন তিনি। আইনগত কারণে কোনো বন্দি এভাবে কিডনী দান করতে পারে না জানিয়ে প্রত্যুত্তর পাঠান জেল কর্তৃপক্ষ।

    পরে তৎকালীন কেরালার মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লেখেন সুকুমারন। তার এমন ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে ২০১৭ সালে জেল থেকে মুক্তি দেয়া হয় তাকে। ছাড়া পেয়েই সুকুমারন স্থানীয় ওই মেডিক্যাল ইনফরমেশন সেন্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করে কিডনির সমস্যায় ভোগা ২১ বছরের এক যুবককে নিজের কিডনি দেন। তবে এজন্যে তাকে মূল্য পরিশোধ করে ওই যুবক।

    সুকুমারণ জানান, জেলে থাকাকালীন এক বন্দির সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়েছিল তার। সে বন্ধুর খোঁজে গেলে তিনি জানতে পারেন বন্ধুটি মারা গেছেন এবং বন্ধুর স্ত্রী হাসপাতালে মুমূর্ষু অবস্থায় আছেন। অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না এ নারী। এসব জেনে সঙ্গেসঙ্গে নিজের কিডনি বিক্রির টাকায় সুকুমারণ বন্ধুর স্ত্রীর চিকিৎসা করান।

    এদিকে, এক সন্তানের জননী বন্ধুর সেই স্ত্রীকেই বিয়ে করতে যাচ্ছেন সুকুমারণ- এমনটাই জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম।

    1,192 total views

121,477 total views, 258 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,498 total views, 208 views today

আজকের খবর

জাতীয়

কুষ্টিয়ার খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .