শিরোনাম
kkkk
আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস
া
কুমারখালীতে নদীতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
46634248_764069590605463_6141007663602860032_n
কুমারখালীতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেল শহীদ গোলাম কিবরিয়া পরিবার
লীগ
কুষ্টিয়াতে আ’লীগের মনোনয়ন লড়াইয়ে চাচী-ভাতিজা
46436816_760370260975396_8562946945952251904_n
কুমারখালীতে ইট ভাটায় অভিযান
No image found
মীর মশাররফ হোসেন এর ১৭১তম জন্ম বার্ষিকী উদযাপন
45500430_2179110965697568_2753244503987978240_n
কুমারখালীতে গড়াই নদীর এলংগী আচার্য্য গ্রাম রক্ষা বাঁধে ধ্বস-ভাঙ্গন
kumarkhali pilot school
কুষ্টিয়ার কুমারখালীর শিক্ষা ব্যবস্থার একাল-সেকাল
kushtia arest teacher
কুমারখালীতে প্রধানমন্ত্রীকে কটুক্তির স্ট্যাটাস শেয়ার করায় প্রধান শিক্ষক আটক
lass uddhar
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে নিখোঁজের ৪ দিন পর অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের লাশ উদ্ধার

গুরুত্বপূর্ণ খবর

    আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,507 total views, 217 views today

    কুমারখালীতে নদীতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের বারাদী এলাকায় পদ্মা নদীতে ডুবে রিফাত (৩) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় নদী থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে এলাকাবাসী। মৃত শিশু রিফাত কয়া ইউনিয়নের বারাদী গ্রামের খালেক মাঝির ছেলে। কয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম স্বপন মৃতদের পরিবারের বরাত দিয়ে বলেন, বিকালের দিকে অসাবধানতাবশত বাড়ির বাইরে গেলে নদীতে পড়ে যায়। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করে পদ্মা নদী থেকে সন্ধ্যায় তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।া

    160 total views

    কুমারখালীতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেল শহীদ গোলাম কিবরিয়া পরিবার

    নিজেস্ব প্রতিনিধিঃ 46634248_764069590605463_6141007663602860032_nআসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ৭৮ কুষ্টিয়া -৪ কুমারখালী – খোকসা আসনে সমস্ত জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন শহীদ গোলাম কিবরিয়ার পৌত্র ব্যারিষ্টার সেলিম আলতাফ জর্জ।

    শহীদ গোলাম কিবরিয়া কুমারখালীর আওয়ামী লীগের গোড়া পত্তনকারী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের অত্যন্ত আস্থাভাজন সাবেক প্রাদেশিক পরিষদ, গণ পরিষদ ও জাতীয় সংসদ সদস্য ও কুমারখালী থানা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ গোলাম কিবরিয়া ১৯৭০ ও ১৯৭৩ সালে একই আসন হতে এমপি নির্বাচিত হন। গোলাম কিবরিয়া ১৯৭৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঈদগাহে ঈদের নামাজ রত অবস্থায় আততায়ীর গুলিতে নিহত হন। ১৯৭৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর শহীদ গোলাম কিবরিয়া আততায়ীর হাতে নিহত হবার পর তার বড় পুত্র আবুল হোসেন তরুন ১৯৭৫ সালে উপনির্বাচন ও ১৯৮৬ সালে সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আবুল হোসেন তরুন ১৯৯৭ সালের ৯ মার্চ ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হ্রদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। তার মৃত্যুর পর তার সহধর্মিণী বেগম সুলতানা তরুন ২০০৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৭৮, কুষ্টিয়া ৪ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘ সময় পর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারও কুমারখালীতে আওয়ামী লীগের গোড়াপত্তন কারী পরিবার শহীদ গোলাম কিবরিয়ার পৌত্র এবং মরহুম আলতাফ হোসেন কিরণের পুত্র সেলিম আলতাপ জর্জ মনোনয়ন পেলেন।

    23,576 total views

    কুষ্টিয়াতে আ’লীগের মনোনয়ন লড়াইয়ে চাচী-ভাতিজা

    কুমারখালী (কুষ্টিয়া) সংবাদদাতা : কুষ্টিয়া-৪ (খোকসা-কুমারখালী) আসনে মনোনয়ন লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছেন একই পরিবারের সদস্য চাচী ও ভাতিজা। গত শনিবার তারা আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। তারা হলেন বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর মহান মুক্তিযুদ্ধের আঞ্চলিক সংগঠক শহীদ গোলাম কিবরিয়ার পুত্রবধু সাবেক সংসদ সদস্য সুলতানা তরুণ ও ভাতিজা ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ।

    সুলতানা তরুণের স্বামী আবুল হোসেন তরুণ খোকসা ও কুমারখালী উপজেলার মানুষের মিয়াভাই খ্যাত জনপ্রিয় নেতা ও সংসদ সদস্য ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর ২০০১ সালে এই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান সুলতানা তরুণ। সে সময়ে এই আসনে বিএনপি’র প্রার্থী বিজয়ী হয়। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে পুনরায় সুলতানা তরণকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হলে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তাঁকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়নি। কিন্তু এবার তিনি দলীয় মনোনয়ন  পেতে অনেক আগে থেকেই মাঠে নামেন এবং মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সরকারের উন্নয়নের কথা বলে গণসংযোগ শুরু করেন। গত শনিবার তাঁর দেবর কুমারখালী পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো: সামছুজ্জামান অরুন দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

    অন্যদিকে শহীদ গোলাম কিবরিয়ার মেঝো ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ হোসেন কিরণের ছেলে ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। পেশাগত কারণে বেশিরভাগ সময় ঢাকায় থাকার কারণে খুব একটা মাঠে নামতে পারেন নাই তিনি। তবে শহর ও গ্রামাঞ্চলে তাঁর ছবি সম্বলিত ব্যানার ফেষ্টুন দেখাগেছে। ঐতিহ্যবাহী আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ শহীদ গোলাম কিবরিয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান। তিনি নিজেই এবার দলীয় মনোনয়ন চাইবেন। এ জন্য দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দিয়েছেন। উল্লেখ্য, ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জের মা মমতাজ বেগম বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ কুমারখালী শাখার সভানেত্রী ও পাবলিক লাইব্রেরীর সাধারণ সম্পাদক। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রীর এক আত্মীয়ের সাথে জর্জের বোনের বিয়ে হয়েছে।লীগ

    77 total views, 1 views today

    কুমারখালীতে ইট ভাটায় অভিযান

    লিপু খন্দকার ঃ 46436816_760370260975396_8562946945952251904_n
    উপজেলার (কয়া) বর্তমান চরসাদিপুর ইউনিয়নের ঘোষপুর ভৈরবপাড়াতে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে অবৈধভাবে কৃষকের ফসলি জমি দখল পূর্বক ইট ভাটা স্থাপনের সংবাদ প্রকাশিত হবার পরের দিন অর্থাৎ আজ ১৯ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীবুল ইসলাম খানের নির্দেশে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি নুর এ আলম সরেজমিন তদন্তে গিয়ে প্রকৃত অবস্থা অবলোকন করেন। এসময় স্হানীয় চেয়ারম্যান সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি সরজমিন তদন্ত পূর্বক দুপক্ষের উপস্থিতিতে অভিযোগকারী মোঃ রজব আলীর জমি হারেজ এন্ড ব্রিকস এর স্বত্বাধিকারী শহিদ প্রামানিক গং এর দখলে থাকা অংশ দ্রুত গতিতে দখলমুক্ত করার নির্দেশ প্রদান করেন।

    এদিকে শহিদ প্রামানিক সাংবাদিকদের জানান, রজব আলীর ক্রয়কৃত সম্পত্তি ভৈরবপাড়া মৌজার আর এস ৪২ নং দাগে ৫৯.৮০ শতক এবং আর এস ৪৩ নং দাগে ৬৬.০০ শতক চৌহদ্দি অনুযায়ী যেভাবে রেজিস্ট্রি করা আছে সরেজমিনে “আমি যেকোন সময় যেকোন ভাবে বুঝে দিতে প্রস্তুত আছি”।

    ১৪৪ ধারা ভঙ্গের বিষয়ে তিনি বলেন আমার ভাটার হয়তো কিছু অংশ তার মধ্যে থাকতে পারে সেটা এ্যাসিল্যান্ড সারের নির্দেশ অনুযায়ী সরিয়ে নিব কিন্তু স্থায়ী কোন স্থাপনা হারেজের জমির উপর করা হয়নি বা ১৪৪ ধার ভঙ্গ করা হয়নি সে জানায় আইনের প্রতি সে শ্রদ্ধাশীল। অবৈধ টিনের (ড্রাম) চিমনি কেন ব্যবহার করছেন এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন হাওয়া ভাটা করার জন্য প্রায় ৬ লাখ ইটের প্রয়োজন হয় সেকারনে টিনের চিমনি করে ইট তৈরী করছেন।

    224 total views

    মীর মশাররফ হোসেন এর ১৭১তম জন্ম বার্ষিকী উদযাপন

    0012

     

     

     

     

     

     

    স্টাফ রিপোর্টার:  অমর কথাসাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেন এঁর ১৭১তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন। অনুষ্ঠানটি মীর মশাররফ হোসেনের বাস্তুভিটা কুমারখা ীর লাহিনী পাড়ায় অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব এ,কে,এম জহিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ), কুষ্টিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব রাজিবুল ইসলাম খান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কুমারখালী।

    240 total views

    কুমারখালীতে গড়াই নদীর এলংগী আচার্য্য গ্রাম রক্ষা বাঁধে ধ্বস-ভাঙ্গন

    মাহমুদ শরীফ ঃ জেলার কুমারখালী উপজেলার শহরতলীর এলংগী আচার্য্য গ্রাম রক্ষা বাঁধে ধ্বস ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। গড়াই নদীর পানি হ্রাসের সাথে সাথে প্রায় প্রতিদিনই বাঁধের কিছু অংশ গড়াই গর্ভে ধ্বসে যাচ্ছে। ফলে বিলীন হওয়ার হুমকীর মুখে পড়েছে কুমারখালী শহর-বড়ুরিয়া গ্রাম সংযোগ সড়ক এবং এলংগী আচার্য্য সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বসতবাড়ী ও নানান স্থাপনা
    জানা যায়, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ২০০৩-২০০৪ অর্থ বছরে দুইটি পর45500430_2179110965697568_2753244503987978240_n্যায়ে আট কোটি টাকা ব্যয় করে ৫৫ মিটার এলংগী আচার্য্য গ্রাম রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করেছিল। গত দুই বছর যাবত উক্ত গ্রাম রক্ষা বাঁধে ধ্বস ভাঙ্গন পরিলক্ষিত হচ্ছে। এবছর নদীর পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে বাঁধে ভাঙ্গনের তীব্রতাও বেড়েছে। ফলে আতংকের মধ্যে দিনানিপাত করছে এলাকাবাসী।
    গতকাল শহরতলীর এলংগী আচার্য্য গ্রাম রক্ষা বাঁধ ধ্বস ভাঙ্গন সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে দেখা যায়, ৫৫ মিটার বাঁধের প্রায় ৪০মিটার ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। ব্লগগুলো খসে খসে নদীতে চলে যাচ্ছে। কোন কোন স্থানে দেবে যাচ্ছে ধীরে ধীরে। এই ধ্বস ভাঙ্গনের কারণ হিসেবে নন্দলালপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম এই প্রতিবেদককে জানান, গ্রামে গড়াই নদীর তীর এলাকায় বেশ কিছু পুকুর থাকায় নিচ দিয়ে গলন রয়েছে। সে জন্য ঝর্ণার ধারা পরিলক্ষিত হয়। তাছাড়া গড়াই নদী খনন অত্র গ্রাম রক্ষা বাঁধের নিকট দিয়ে করার কারনেও এই ধ্বস ভাঙ্গনের সৃষ্টি হতে পারে। তিনি আরো জানান, গ্রাম রক্ষা বাঁধের উপরে থাকা কুমারখালী শহর-বড়ুরিয়া গ্রাম সংযোগ সড়কটি এখনও ৩/৫টি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের প্রধান পথ। শহরের থেকে বের হয়ে নদীর তীর দিয়ে সড়কটি এলংগী, বড়–রিয়া, সোন্দাহ, বাঁশআড়া, কাশিমপুর হয়ে গড়াই সেতু পর্যন্ত পৌছেছে। এই সড়ক দিয়েই এক সময় বাউল সম্রাট লালন শাহ, উপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেন কুমারখালী শহরের কুন্ডুপাড়ায় গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কাঙ্গাল হরিনাথ মজুমদারের কাছে আসতেন বলে ইতিহাসে উল্লেখ রয়েছে, সে কারনে হুমকীর মুখে থাকা ঐ সড়কটিরও রয়েছে ঐতিহাসিক গুরুত্ব।
    এলংগী আচার্য্য গ্রাম রক্ষা বাঁধ ধ্বস ভাঙ্গনের ব্যাপারে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবি) কুষ্টিয়া অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী পিযুষ কুমার কুন্ডু জানান, ভাঙ্গনের বিষয়টি শুনেছি। পরিদর্শন পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। ভাঙ্গন কবলিত এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের জোর দাবী জানিয়েছেন।
    কুমারখালী (কুষ্টিয়া) ঃ শহরতলীর এলংগী আচার্য্য গ্রাম রক্ষা বাঁধে ধ্বস ভাঙ্গন … সম্পূর্ণ খবর …

    248 total views

    কুষ্টিয়ার কুমারখালীর শিক্ষা ব্যবস্থার একাল-সেকাল

    kumarkhali pilot schoolমাহমুদ শরীফ
    কুমারখালীর শিক্ষা বিস্তারের ক্ষেত্রে যাদের অবদান স্মরনীয় তাদের মধ্যে অন্যতম হলো- ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পূর্বে কুমারখালী উপজেলায় শিক্ষানুরাগী মথুরানাথ কুন্ডু (১৮১৮-১৮৮৫) কুমারখালী শহরের গড়াই নদীর তীরবর্তী নীলকুঠিবাড়ীতে ১৮৫৬ সালে তার নিজ নামে এম এন (মথুরানাথ) স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। মূলতঃ এটি ছিল একটি ইংরেজী বিদ্যালয়। তিনি এই স্কুল প্রতিষ্ঠালগ্নে লর্ড সাহেবের আগমন উপলক্ষে গড়াই নদীতে ব্যারিকেট দেন। … সম্পূর্ণ খবর …

    2,120 total views

    কুমারখালীতে প্রধানমন্ত্রীকে কটুক্তির স্ট্যাটাস শেয়ার করায় প্রধান শিক্ষক আটক

    kushtia arest teacherস্টাফ রিপোর্টার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটুক্তি করে দেয়া স্ট্যাটাস লাইক ও শেয়ার করার অভিযোগে কুষ্টিয়া কুমারখালীর জেএন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মকছেদ আলীকে আটক করেছে কুমারখালী থানা পুলিশ। সোমবার রাত সাড়ে ৮টায় কুমারখালী গণমোড়স্থ কাঁচা বাজার থেকে তাকে আটক করা হয়। … সম্পূর্ণ খবর …

    608 total views

    কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে নিখোঁজের ৪ দিন পর অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের লাশ উদ্ধার

    lass uddharস্টাফ রিপোর্টার : কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে নিখোঁজের চারদিন পর আব্দুল জব্বার (৭০) নামের এক অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের পুটিয়া গ্রামের একটি ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। তিনি একই এলাকার মৃত রমজান আলীর ছেলে। … সম্পূর্ণ খবর …

    912 total views

121,490 total views, 271 views today

প্রধান খবর

  • আজ ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদার মুক্ত দিবস

    কুমারখালি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কুমারখালীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং কুমারখালীকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত ভাবে কুমারখালীতে প্রবেশ করে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুন্ডুপাড়ার রাজাকারদের ক্যাম্প আক্রমণ করেন। রাজাকার কমান্ডার ফিরোজ বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়।

    এ খবর কুষ্টিয়া জেলা শহরে অবস্থানরত পাক-সেনাদের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত কুমারখালীতে এসে গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুরো শহর আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে। এবং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অkkkkপর্যাপ্ত অস্ত্র ও সংখ্যায় কম থাকায় শহর ত্যাগ করেন।

    এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ শুরু করে।৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিয়া শহীদ হন।
    পাকিস্তানী হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন মুক্তিকামী বীর বাঙালী সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কার সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

    পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর ক্যাম্পে (বর্তমানে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করেন।

    দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের কাছে টিকতে না পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । ৯ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়।

    এইদিন কুমারখালী শহর হানাদার মুক্ত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনতা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করেন।

    6,507 total views, 217 views today

আজকের খবর

জাতীয়

কুষ্টিয়ার খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : খালিদ হাসান সিপাই.

নির্বাহী সম্পাদক : মাজহারুল হক মমিন।

বড় জামে মসজিদ মার্কেট, এন এস রোড কুষ্টিয়া।

০১৭১৬২৬৮৮৫৮, E-mail: Kushtiardiganta@gmail.com .