ঢাকাFriday , 11 February 2022
  1. epaper
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও অপরাধ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইতিহাস ঐতিহ্য
  6. ইসলামি দিগন্ত
  7. কুষ্টিয়ার সংবাদ
  8. কৃষি দিগন্ত
  9. খেলাধুলা
  10. গণমাধ্যম
  11. জনদূর্ভোগ
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. তথ্য প্রযুক্তি
  15. দিগন্ত এক্সক্লুসিভ

চাল আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নেই

Link Copied!

 বেড়েই চলছে চালের দাম। আমদানি করলে বাজারে সরু চালের দাম কমতে পারে বলে ধারণা করছেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। তবে চাল আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সায় মেলেনি বলে জানিয়েছেন তিনি। সচিবালয়ে আজ বৃহস্পতিবার ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্টের কান্ট্রি ডিরেক্টর আর্নড হ্যামলার্সের সঙ্গে বৈঠকের পর এসব তথ্য জানান কৃষিমন্ত্রী।

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, চালের দাম বাড়ছে। মোটা চালের দাম বাড়ছে না, দু-এক টাকা কমেছে গত কয়েক দিনে। সরু চালের দাম বাড়ার দিকে। সরু চালের দিকে মানুষের ঝোঁক মারাত্মক। সবাই এখন সরু চাল খেতে চায়। মোটা চাল মানুষ বিক্রি করে দেয় গরুর খাবার, পশুর খাবারের জন্য। এটা একটা সমস্যা। প্রায় ২০ লাখ টন খাবার মজুত আছে, এবার উৎপাদনও ভালো হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘তখনই সিন্ডিকেট হয়, যখন সাপ্লাই (জোগান) কম হয়। গতকাল (বুধবার) নওগাঁ-কুষ্টিয়ার ফুড কন্ট্রোলারের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলছেন, মোটা চালের দাম বাড়ে নাই, কিন্তু সরু চালের ঘাটতি রয়েছে। আমরা সামনে প্রোগ্রাম নিচ্ছি হাইব্রিড আরও বাড়াব। চালের জন্য বিদেশের ওপর নির্ভরশীল তো আমরা হতে পারব না। সরু চালের উৎপাদন কম। এমন উৎপাদন করতে হবে, যাতে আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ থাকতে পারি।’

কিছু সরু চাল আমদানি করলে বাজার নিয়ন্ত্রণে আসবে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তো করতে দিচ্ছেন না। আমদানি করলে হয়তো দাম কিছুটা কমবে। কিন্তু উনি (প্রধানমন্ত্রী) বলছেন, আমি তো অতি দরিদ্রদের জন্য ১০ টাকা দরে চাল দিচ্ছি। ভিজিএফ, ওএমএসে চাল দিচ্ছি। গরিব মানুষের তো কোনো সমস্যা নাই।’

চাল ছাড়াও এখন অন্যান্য কৃষিপণ্যের দাম বেশি। সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ কি না—এই প্রশ্নে কৃষিমন্ত্রী বলেন, করোনার কারণে অর্থনীতির ওপর বিরাট প্রভাব পড়েছে। সারে এখন ২৮ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে। গমের দামও অনেক বেড়ে গেছে। পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক আছে, আলুর দাম বেশ কম। শাক-সবজির দাম বেশি। বেশি দামে বিক্রি করে চাষিরা খুশি।

উপকূলীয় এলাকার অনেক জমি সারা বছর পতিত থাকে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের ২৫ ভাগ এলাকা উপকূলীয়। এখানে অনেক ফসলের সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করে প্লেইন ল্যান্ডে (সমভূমি) উৎপাদন বৃদ্ধি করেছি। আমাদের চ্যালেঞ্জ হলো উপকূলীয় এলাকা। এ ক্ষেত্রে আইএফএডি আমাদের সহযোগিতা করবে। পার্বত্য এলাকায় কাজু বাদাম ও কফি উৎপাদনের চেষ্টা করছি। এ ক্ষেত্রেও আমরা আইএফএডির সহযোগিতা চেয়েছি।’

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।