ঢাকাThursday , 26 November 2020
  1. epaper
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও অপরাধ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইতিহাস ঐতিহ্য
  6. ইসলামি দিগন্ত
  7. কুষ্টিয়ার সংবাদ
  8. কৃষি দিগন্ত
  9. খেলাধুলা
  10. গণমাধ্যম
  11. জনদূর্ভোগ
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. তথ্য প্রযুক্তি
  15. দিগন্ত এক্সক্লুসিভ

অফিস রুমে বসেই উৎকোচ নেন দালালরা,কুষ্টিয়া বিআরটিএ অফিস দুর্নীতির আখড়া বাড়ি

Link Copied!

কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিচে অবস্থিত বিআরটিএ অফিস। ২০১৮-র নিরাপদ সড়ক আন্দোলন বাংলাদেশে কার্যকর সড়ক নিরাপত্তার দাবিতে ২৯ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট ২০১৮ পর্যন্ত সংঘটিত একটি আন্দোলন বা গণবিক্ষোভ হয়। ঢাকায় ২৯ জুলাই রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে দ্রুতগতির দুই বাসের সংঘর্ষে রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী রাজীব ও দিয়া নিহত হয় ও ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়। এতে সারা দেশে তুমুল আন্দোলন গড়ে ওঠে। এতে সরকার নড়েচড়ে বসে। সারাদেশে বিআরটিএ অফিসে গাড়ির কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ভীড় জমাতে থাকে গাড়ি চালক ও মালিকরা। এই সুযোগে কিছু অসাধু বিআরটিএ অফিসার তাদের আস্থাভাজন লোক অফিসে বসিয়ে দালালি শুরু করায়। ওইসব দালালদের মাধ্যমে উৎকোচ গ্রহনের মাধ্যে গাড়ির কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স দ্রুত করিয়ে দেওয়া হয়। যদি উৎকোচ দেওয়া না হয় তবে কাগজপত্রের বিভিন্ন ত্রুটি দেখিয়ে হয়বানি করা হয় বলে একাধিক ভুক্তভোগী জানান। এবিষয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে কয়েকদিন প্রশাসন তৎপরতা চালায়। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে দুই একজন দালালকে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জেল জরিমানা করা হয়। তবে বন্ধ হয়না দালালি। এদিকে বুধবার (২৫ নভেম্বর ২০২০) সকালে কুষ্টিয়া বিআরটিএ অফিসে অভিযান চালিয় ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে দুই জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করেন।
ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়ায় ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় অসাধুপায় অবলম্বন করায় দুই জনকে কারাদন্ড ও অর্থদন্ড দেওয়া হয়। বুধবার সকালে শেখ কামাল স্টেডিয়ামে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরীক্ষা চলছিল। পরীক্ষায় শহরের শুখনগর বস্তির আনিস উদ্দিনের ছেলে অভিযুক্ত খেজমত আলী ভূয়া প্রবেশপত্র (লার্নার) নিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছিল। দায়িত্বরত ভ্রাম্যমান আদালতে বিষয়টি ধরা পড়লে তাকে ৬ মাসের কারাদন্ড দেন।
এছাড়াও খোকসা উপজেলার বহরমপুর গ্রামের মোয়াজ্জেম বিশ্বাসের ছেলে রিশাত বিশ্বাস হলে প্রবেশ করে মোবাইলে প্রশ্নের ছবি তুলে বের হয়ে আসছিল। তাকে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালত ৫দিনের কারাদন্ড ও ২ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন এবং অনাদায়ে আরো দুই দিনের কারাদন্ড দেন। আদালত পরিচালনা করেন কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান।দন্ডপ্রাপ্ত দুই জনকে কুষ্টিয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
এদিকে কুষ্টিয়া বিআরটিএ অফিসের দালাল অফিস রুমে বসে উৎকোচ গ্রহন করে এমন প্রশ্নের উত্তরে বিআরটিএ ইন্সপেক্টর আব্দুল বারী বলেন, দুই জন সীল মেকানিক আছে তারা সরকার অনুমোদিত। উনারাই চেয়ার টেবিল নিয়ে বসে আছেন। এখানে দালাল নেই। যখন আসে তখন মোবাইল কোর্ট বসানো হয়। তিনি আরো বলেন, দালাল চক্র আসে পটকরে একজনের থেকে টাকা নিয়ে চলে যায়।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।